রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পলাশবাড়ীতে বিষপ্রয়োগে হাঁস-মুরগি নিধনের অভিযোগ

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায় বিষপ্রয়োগ করে প্রায় ১৭০টি হাঁস-মুরগি মেরে ফেলার অভিযোগ উঠেছে।  এতে প্রায় লাখের বেশী টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি ভুক্তভোগী পরিবারের।

এ ঘটনায় রোববার (২৩ আগস্ট) কমেলা বেগম নামে এক নারী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

কমেলা বেগম উপজেলার মনোহরপুর ইউনিয়নের মনোহরপুর গ্রামের দুখু মিয়ার স্ত্রী।

অভিযুক্তরা একই গ্রামের মৃত আদা মিয়ার ছেলে অছু মিয়া (৫৫), আব্দুল হাই ও আব্দুল হাইয়ের স্ত্রী মমিনা বেগম (৫০)।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, পারিবারিক ও সামাজিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে অভিযুক্তদের সঙ্গে কমেলা বেগম ও তার পরিবারের দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে। এ নিয়ে বিভিন্ন সময় ক্ষতিসাধন, মারপিট ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।

এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার (২২ আগস্ট) সকালে খোয়াড় থেকে হাঁস-মুরগিগুলো ছেড়ে দেন পরিবারের সদস্যরা। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বাড়ির আশপাশে গিয়ে তারা দেখতে পান, প্রায় ১৭০টি হাঁস-মুরগি পড়ে রয়েছে। পরে সেগুলো বিষক্রিয়ায় মারা গেছে বলে দাবি করেন তারা। এতে প্রায় ১ লাখ ২ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগ করেন কমেলা।

কমেলা বেগমের অভিযোগ, বিষয়টি অভিযুক্তদের জানালে তারা হুমকি দিয়ে বলেন, আজ শুধু হাঁস-মুরগি বিষ দিয়ে মেরেছি, ভবিষ্যতে পরিবারের লোকজন ও ছোট শিশুদেরও বিষ প্রয়োগসহ যেকোনো উপায়ে হত্যা করা হবে।’

কমেলা বেগম বলেন, হাঁস-মুরগিগুলো কীভাবে মারা গেছে, তা তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা বের করা হোক। একইসঙ্গে আমাদের পরিবারকে দেওয়া হুমকির বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে দেখার দাবি করছি।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত অছু মিয়া ও আব্দুল হাইয়ের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

পলাশবাড়ী থানাধীন হরিণাবাড়ী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপপরিদর্শক (এসআই) আলাউদ্দিন আলী বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত করেছি। এখানে বেশ কিছু অভ্যন্তরীণ বিষয় রয়েছে। বিষয়টি নিজেদের মধ্যে সমাধান করতে বলেছি।

জনপ্রিয়

পলাশবাড়ীতে বিষপ্রয়োগে হাঁস-মুরগি নিধনের অভিযোগ

প্রকাশের সময়: ০৮:২৩:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায় বিষপ্রয়োগ করে প্রায় ১৭০টি হাঁস-মুরগি মেরে ফেলার অভিযোগ উঠেছে।  এতে প্রায় লাখের বেশী টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি ভুক্তভোগী পরিবারের।

এ ঘটনায় রোববার (২৩ আগস্ট) কমেলা বেগম নামে এক নারী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

কমেলা বেগম উপজেলার মনোহরপুর ইউনিয়নের মনোহরপুর গ্রামের দুখু মিয়ার স্ত্রী।

অভিযুক্তরা একই গ্রামের মৃত আদা মিয়ার ছেলে অছু মিয়া (৫৫), আব্দুল হাই ও আব্দুল হাইয়ের স্ত্রী মমিনা বেগম (৫০)।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, পারিবারিক ও সামাজিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে অভিযুক্তদের সঙ্গে কমেলা বেগম ও তার পরিবারের দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে। এ নিয়ে বিভিন্ন সময় ক্ষতিসাধন, মারপিট ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।

এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার (২২ আগস্ট) সকালে খোয়াড় থেকে হাঁস-মুরগিগুলো ছেড়ে দেন পরিবারের সদস্যরা। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বাড়ির আশপাশে গিয়ে তারা দেখতে পান, প্রায় ১৭০টি হাঁস-মুরগি পড়ে রয়েছে। পরে সেগুলো বিষক্রিয়ায় মারা গেছে বলে দাবি করেন তারা। এতে প্রায় ১ লাখ ২ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগ করেন কমেলা।

কমেলা বেগমের অভিযোগ, বিষয়টি অভিযুক্তদের জানালে তারা হুমকি দিয়ে বলেন, আজ শুধু হাঁস-মুরগি বিষ দিয়ে মেরেছি, ভবিষ্যতে পরিবারের লোকজন ও ছোট শিশুদেরও বিষ প্রয়োগসহ যেকোনো উপায়ে হত্যা করা হবে।’

কমেলা বেগম বলেন, হাঁস-মুরগিগুলো কীভাবে মারা গেছে, তা তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা বের করা হোক। একইসঙ্গে আমাদের পরিবারকে দেওয়া হুমকির বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে দেখার দাবি করছি।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত অছু মিয়া ও আব্দুল হাইয়ের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

পলাশবাড়ী থানাধীন হরিণাবাড়ী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপপরিদর্শক (এসআই) আলাউদ্দিন আলী বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত করেছি। এখানে বেশ কিছু অভ্যন্তরীণ বিষয় রয়েছে। বিষয়টি নিজেদের মধ্যে সমাধান করতে বলেছি।