রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাদুল্লাপুরে গৃহবধূদের হাতে গাছে চারা, সবুজ হবে আঙিনা

গাছ শুধু পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে না, বাড়ির আঙিনায় গাছের চাষ পরিবারের আয়েও ভূমিকা রাখতে পারে। এমন ভাবনা থেকেই গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে গৃহবধূদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে পাঁচ শতাধিক গাছের চারা।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) আরডিআরএস বাংলাদেশের সাদুল্লাপুরের ভাতগ্রাম ইউনিয়ন ফেডারেশন চত্বরে এই চারা বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় ব্যবসায়ী ও উপজেলা পরিষদের সম্ভাব্য ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আসকালাম আকন্দ।

এসময় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাসহ ফেডারেশনটির চেয়ারম্যান রেজা মিয়া ও সংগঠনের নেত্রী-সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

চারা নিতে আসা আকলিমা বেগম নামের এক গৃহবধূরা জানান, বাড়ির আঙিনা কিংবা আশপাশের খালি জায়গায় ফলজ গাছ লাগানো সুযোগ পেয়েছেন। বিনা মূল্যে চারা পাওয়ায় অত্যান্ত খুশি সুবিধাভোগীরা।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি আসকালাম আকন্দ বলেন, গ্রামের প্রতিটি বাড়ির আঙিনা, রাস্তার পাশ ও পতিত জায়গায় পরিকল্পিতভাবে ফলজ ও বনজ গাছ লাগানো গেলে কয়েক বছরের মধ্যেই এলাকার পরিবেশে ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে।

আসকালাম আকন্দ আরও বলেন, শুধু চারা গ্রহণ করলেই হবে না, সেগুলো যাতে বেঁচে থাকে এবং বড় হয় তা নিশ্চিত করাও জরুরি। এজন্য চারা রোপণের পর নিয়মিত পরিচর্যাও আবশ্যক।

জনপ্রিয়

সাদুল্লাপুরে গৃহবধূদের হাতে গাছে চারা, সবুজ হবে আঙিনা

সাদুল্লাপুরে গৃহবধূদের হাতে গাছে চারা, সবুজ হবে আঙিনা

প্রকাশের সময়: ০২:৫৯:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গাছ শুধু পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে না, বাড়ির আঙিনায় গাছের চাষ পরিবারের আয়েও ভূমিকা রাখতে পারে। এমন ভাবনা থেকেই গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে গৃহবধূদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে পাঁচ শতাধিক গাছের চারা।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) আরডিআরএস বাংলাদেশের সাদুল্লাপুরের ভাতগ্রাম ইউনিয়ন ফেডারেশন চত্বরে এই চারা বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় ব্যবসায়ী ও উপজেলা পরিষদের সম্ভাব্য ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আসকালাম আকন্দ।

এসময় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাসহ ফেডারেশনটির চেয়ারম্যান রেজা মিয়া ও সংগঠনের নেত্রী-সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

চারা নিতে আসা আকলিমা বেগম নামের এক গৃহবধূরা জানান, বাড়ির আঙিনা কিংবা আশপাশের খালি জায়গায় ফলজ গাছ লাগানো সুযোগ পেয়েছেন। বিনা মূল্যে চারা পাওয়ায় অত্যান্ত খুশি সুবিধাভোগীরা।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি আসকালাম আকন্দ বলেন, গ্রামের প্রতিটি বাড়ির আঙিনা, রাস্তার পাশ ও পতিত জায়গায় পরিকল্পিতভাবে ফলজ ও বনজ গাছ লাগানো গেলে কয়েক বছরের মধ্যেই এলাকার পরিবেশে ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে।

আসকালাম আকন্দ আরও বলেন, শুধু চারা গ্রহণ করলেই হবে না, সেগুলো যাতে বেঁচে থাকে এবং বড় হয় তা নিশ্চিত করাও জরুরি। এজন্য চারা রোপণের পর নিয়মিত পরিচর্যাও আবশ্যক।