রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চর ভাটি বুড়াইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট, পাঠদান ব্যাহত

চর ভাটি বুড়াইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে  শিক্ষক সংকটের কারণে  শিক্ষার্থীদের মাঝে পাঠদানে মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
 নিয়মিত ক্লাস না হওয়ায় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। এতে সাধারণ ও অসচ্ছল পরিবারের শিক্ষার্থীরা সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছেন। আতাউর রহমান প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) জানান বিদ্যালয় টির রেকর্ড অনুযায়ী দেখা যায়, ২০০৯ ইং সালের পর থেকে দুই জন সহকারী শিক্ষকের বেশী দেয়া হয়নি। প্রাক প্রাথমিক শ্রেনী থেকে ৫ ম শ্রেনী পর্যন্ত প্রধান শিক্ষক সহ ৬ জন শিক্ষকের পদ থাকলেও মূলত একজন সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে । অভিভাবকদের  অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষক সংকটের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও কার্যকর সমাধান হয়নি।
অভিভাবক জুরান আলী ও সায়েদ মিয়া সহ কয়েকজন জানান, শিক্ষক কারনে এই স্কুলের ছেলেমেয়েদের লেখাপড়া ভালো হচ্ছে না এভাবে চলতে থাকলে উপজেলার শিক্ষা ব্যবস্থাই মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
 বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. আতাউর রহমান  সহকারী শিক্ষক এর শুন্য পুরনের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সংখ্যক শিক্ষক চাহিয়া জেলা প্রশাসক গাইবান্ধার নিকট ২৭/০৯/২৬ ইং তারিখে একটি আবেদন দাখিল করেছে। দ্রুত সহকারী শিক্ষক নিয়োগ না দিলে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মারাত্মক ক্ষতি হবে।
 উপজেলা সহকারী  শিক্ষা কর্মকর্তা মুকুল চন্দ্র বলেন শিক্ষক সংকটের  বিষয়টি উল্লেখ করে  ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে অবহিত করা হয়েছে। সংকটের কথা স্বীকার করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সমস্যা নিরসনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।
জনপ্রিয়

পাবনায় নিজ ঘরে প্রবাসীর স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

চর ভাটি বুড়াইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট, পাঠদান ব্যাহত

প্রকাশের সময়: ০৭:৩৭:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চর ভাটি বুড়াইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে  শিক্ষক সংকটের কারণে  শিক্ষার্থীদের মাঝে পাঠদানে মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
 নিয়মিত ক্লাস না হওয়ায় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। এতে সাধারণ ও অসচ্ছল পরিবারের শিক্ষার্থীরা সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছেন। আতাউর রহমান প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) জানান বিদ্যালয় টির রেকর্ড অনুযায়ী দেখা যায়, ২০০৯ ইং সালের পর থেকে দুই জন সহকারী শিক্ষকের বেশী দেয়া হয়নি। প্রাক প্রাথমিক শ্রেনী থেকে ৫ ম শ্রেনী পর্যন্ত প্রধান শিক্ষক সহ ৬ জন শিক্ষকের পদ থাকলেও মূলত একজন সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে । অভিভাবকদের  অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষক সংকটের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও কার্যকর সমাধান হয়নি।
অভিভাবক জুরান আলী ও সায়েদ মিয়া সহ কয়েকজন জানান, শিক্ষক কারনে এই স্কুলের ছেলেমেয়েদের লেখাপড়া ভালো হচ্ছে না এভাবে চলতে থাকলে উপজেলার শিক্ষা ব্যবস্থাই মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
 বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. আতাউর রহমান  সহকারী শিক্ষক এর শুন্য পুরনের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সংখ্যক শিক্ষক চাহিয়া জেলা প্রশাসক গাইবান্ধার নিকট ২৭/০৯/২৬ ইং তারিখে একটি আবেদন দাখিল করেছে। দ্রুত সহকারী শিক্ষক নিয়োগ না দিলে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মারাত্মক ক্ষতি হবে।
 উপজেলা সহকারী  শিক্ষা কর্মকর্তা মুকুল চন্দ্র বলেন শিক্ষক সংকটের  বিষয়টি উল্লেখ করে  ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে অবহিত করা হয়েছে। সংকটের কথা স্বীকার করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সমস্যা নিরসনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।