কার্তিক মাসের তীব্র গরমের মধ্যে দফায় দফায় হালকা ও মাঝারি বৃষ্টিতে স্বস্তি ফিরেছে বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার জনজীবনে। একই সঙ্গে এ বৃষ্টিতে উপকৃত হয়েছেন আমন চাষিরা। টানা তিন দিনের বৃষ্টিতে আমন ধানের জমিতে প্রয়োজনীয় আর্দ্রতা ফিরে এসেছে। ফলে আপাতত জমিতে বাড়তি সেচ দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। এতে সেচ খরচ কমার আশায় স্বস্তি ফিরেছে কৃষকদের মধ্যে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আশ্বিন মাসের শেষ দিকে বৃষ্টিপাত না হওয়ায় নন্দীগ্রাম উপজেলার বিভিন্ন মাঠের আমন ধানের জমির মাটি শুকিয়ে যায়। এতে ধানের ফলন নিয়ে শঙ্কায় পড়েন কৃষকেরা।
এ অবস্থায় উপজেলা কৃষি অফিসের কর্মকর্তারা আমন ধানের জমিতে গভীর ও অগভীর নলকূপের মাধ্যমে সেচ দেওয়ার পরামর্শ দেন। তাঁদের পরামর্শ অনুযায়ী উপজেলার বিভিন্ন মাঠে ফসলি জমিতে সেচ দেওয়া শুরু করেন কৃষকেরা। এরই মধ্যে বুধবার, বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার টানা তিন দিন হালকা ও মাঝারি বৃষ্টিপাত হয়। এতে জমিতে প্রয়োজনীয় আর্দ্রতা ফিরে এসেছে। ফলে আপাতত নতুন করে সেচ দেওয়ার প্রয়োজন হবে না।
চলতি খরিপ-২ মৌসুমে নন্দীগ্রাম উপজেলায় ১৯ হাজার ৫৪০ হেক্টর জমিতে আমন ধানের আবাদ হয়েছে। টানা তিন দিনের বৃষ্টিতে এসব জমিতে প্রয়োজনীয় আর্দ্রতা ফিরে আসায় কৃষকদের সেচ খরচ সাশ্রয় হবে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা গাজীউল হক বলেন, উপজেলার বিভিন্ন মাঠে বর্তমানে পাকা ও আধাপাকা আমন ধান রয়েছে। তিন দিনের বৃষ্টিতে কৃষকেরা উপকৃত হয়েছেন। এতে মাটিতে প্রয়োজনীয় আর্দ্রতা বজায় থাকবে এবং আপাতত জমিতে সেচ দেওয়ার প্রয়োজন হবে না।
কৃষক আফছার আলী বলেন, ‘এই বৃষ্টিতে আমাদের আমন ধানের জমির অনেক উপকার হয়েছে। এবার কার্তিক মাসে প্রচণ্ড গরম ছিল। বৃষ্টির পর গরমের তীব্রতাও কমে গেছে। এতে আমরা স্বস্তি পেয়েছি।
নাজমুল হুদা, করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট, নন্দীগ্রাম (বগুড়া) 

















