সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আ.লীগের লোকেরাই আওয়ামী লীগকে ক্ষতি করার চেষ্টা করেছে: প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ওপর বার বার আঘাত এসেছে। সংগঠনকে ভাঙার চেষ্টা হয়েছে বলে মন্তব্য করে আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আওয়ামী লীগ, এই সংগঠন মাটি ও মানুষের থেকে উঠে এসেছে। এটা কোন ক্ষমতা দখল করে হাতে গড়া সংগঠন নয়। যে সংগঠন মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়ে গড়ে ওঠে সেই সংগঠন এতো সহজে শেষ করে দেওয়া যায় না, হয়তো সাময়িক আঘাত আসে। আওয়ামী লীগের ওপর অনেকবার আঘাত এসছে। আওয়ামী লীগের ভেতরের লোকরাই তো আওয়ামী লীগকে ক্ষতি করার চেষ্টা করেছে।

বুধবার (২৩ জুন) ২৩ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, মুসলিম লীগ সরকারের অন্যায়ের প্রতিবাদ করে এই সংগঠন গড়ে উঠেছে। মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়ে যে সংগঠন গড়ে ওঠে সেই সংগঠন এতো সহজে ধ্বংস করা যায় না।

তিনি বলেন, মওলানা ভাসানী আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, তিনিই তো সবার আগে আওয়ামী লীগ ভেঙে চেলে গেলেন ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি করতে। ঠিক এভাবে কতবার আওয়ামী লীগ ভেঙেছে।

আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, ১৯৮১ সালে যখন আমাকে সভাপতি নির্বাচিত করা হল আওয়ামী লীগকে ঐক্যবদ্ধ রাখার জন্য। দুর্ভাগ্য যে আমি প্রবাসে থাকতে যাকে সব থেকে বেশি সংগঠনের জন্য সহযোগিতা করেছি, আমি ফিরে আসার পর তিনিই আমাকে ছেড়ে, আওয়ামী লীগ ছেড়ে চলে গেলেন আমাদের আব্দুর রাজ্জাক সাহেব। বার বার তাকে বললাম আপনার তো যাওয়ার দরকার নাই, আপনি থাকেন। সে পার্টির সেক্রেটারি। না সে পার্টি ভেঙে বাকশাল করল। এরপর আবার ড. কামাল হোসেন যাকে আমরা রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচন করলাম। তার নাম ডাক হলো। আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন বলে তাকে প্রচার করলাম। আসলে আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন তখন কি? তিনি তো বঙ্গবন্ধুর কেবিনেটের একজন মন্ত্রী ছিলেন মাত্র। আমাদের প্রচারের মাধ্যমে তাকে তুলে ধরলাম। যিনি ভালো করে বাংলায় কথাও বলতে পারতেন না। তিনি ১৯৯১ সালে পার্টি ভেঙে চলে গেলেন। আর একটা পার্টি বানাবার চেষ্টা করলেন। প্রথমে আওয়ামী লীগের একটা করতে চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে তারপর গণফোরাম করে চলে গেলেন।

তিনি বলেন, এভাবে বার বার আওয়ামী লীগের ওপর আঘাত এসেছে। তবে আমি বলব আওয়ামী লীগ হীরার টুকরা। যতবার ভাঙার চেষ্টা হয়েছে ততো আরও জনবল বেড়েছে, আরও নতুনভাবে জ্যোতি ছড়িয়েছে। কাজেই এই সংগঠনকে ধ্বংস করার জন্য যতই চেষ্টা করুক, সেটা পারেনি পারবে না।

সুত্র: বার্তা২৪.নেট

আ.লীগের লোকেরাই আওয়ামী লীগকে ক্ষতি করার চেষ্টা করেছে: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশের সময়: ০৯:১৫:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ জুন ২০২১

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ওপর বার বার আঘাত এসেছে। সংগঠনকে ভাঙার চেষ্টা হয়েছে বলে মন্তব্য করে আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আওয়ামী লীগ, এই সংগঠন মাটি ও মানুষের থেকে উঠে এসেছে। এটা কোন ক্ষমতা দখল করে হাতে গড়া সংগঠন নয়। যে সংগঠন মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়ে গড়ে ওঠে সেই সংগঠন এতো সহজে শেষ করে দেওয়া যায় না, হয়তো সাময়িক আঘাত আসে। আওয়ামী লীগের ওপর অনেকবার আঘাত এসছে। আওয়ামী লীগের ভেতরের লোকরাই তো আওয়ামী লীগকে ক্ষতি করার চেষ্টা করেছে।

বুধবার (২৩ জুন) ২৩ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, মুসলিম লীগ সরকারের অন্যায়ের প্রতিবাদ করে এই সংগঠন গড়ে উঠেছে। মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়ে যে সংগঠন গড়ে ওঠে সেই সংগঠন এতো সহজে ধ্বংস করা যায় না।

তিনি বলেন, মওলানা ভাসানী আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, তিনিই তো সবার আগে আওয়ামী লীগ ভেঙে চেলে গেলেন ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি করতে। ঠিক এভাবে কতবার আওয়ামী লীগ ভেঙেছে।

আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, ১৯৮১ সালে যখন আমাকে সভাপতি নির্বাচিত করা হল আওয়ামী লীগকে ঐক্যবদ্ধ রাখার জন্য। দুর্ভাগ্য যে আমি প্রবাসে থাকতে যাকে সব থেকে বেশি সংগঠনের জন্য সহযোগিতা করেছি, আমি ফিরে আসার পর তিনিই আমাকে ছেড়ে, আওয়ামী লীগ ছেড়ে চলে গেলেন আমাদের আব্দুর রাজ্জাক সাহেব। বার বার তাকে বললাম আপনার তো যাওয়ার দরকার নাই, আপনি থাকেন। সে পার্টির সেক্রেটারি। না সে পার্টি ভেঙে বাকশাল করল। এরপর আবার ড. কামাল হোসেন যাকে আমরা রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচন করলাম। তার নাম ডাক হলো। আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন বলে তাকে প্রচার করলাম। আসলে আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন তখন কি? তিনি তো বঙ্গবন্ধুর কেবিনেটের একজন মন্ত্রী ছিলেন মাত্র। আমাদের প্রচারের মাধ্যমে তাকে তুলে ধরলাম। যিনি ভালো করে বাংলায় কথাও বলতে পারতেন না। তিনি ১৯৯১ সালে পার্টি ভেঙে চলে গেলেন। আর একটা পার্টি বানাবার চেষ্টা করলেন। প্রথমে আওয়ামী লীগের একটা করতে চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে তারপর গণফোরাম করে চলে গেলেন।

তিনি বলেন, এভাবে বার বার আওয়ামী লীগের ওপর আঘাত এসেছে। তবে আমি বলব আওয়ামী লীগ হীরার টুকরা। যতবার ভাঙার চেষ্টা হয়েছে ততো আরও জনবল বেড়েছে, আরও নতুনভাবে জ্যোতি ছড়িয়েছে। কাজেই এই সংগঠনকে ধ্বংস করার জন্য যতই চেষ্টা করুক, সেটা পারেনি পারবে না।

সুত্র: বার্তা২৪.নেট