মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গাইবান্ধায় বেগম রোকেয়ার জন্ম ও মৃত্যু বার্ষিকী পালিত

মহীয়সী নারী বেগম রোকেয়ার ১৪০ তম এবং ৮৮ তম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে মঙ্গলবার (৮ ডিসেম্বর) সমাজ তান্ত্রিক মহিলা ফোরাম গাইবান্ধাজেলা শাখার উদ্যোগে পৌর শহিদমিনার চত¦রে সমাবেশ ও র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়। মহিলা ফোরাম গাইবান্ধা জেলার আহবায়ক ইসরাত জাহানের সভাপতিতে¦ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন গাইবান্ধা জেলার বাসদের সমন্বয়ক গোলাম রব্বানী, জেলা ফোরাম সদস্য সুকুমার চন্দ্র মোদক, প্রতিমা রাণী,সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের গাইবান্ধা সরকারি কলেজ শাখার আহবায়ক মারুফ, আবির। তারা বেগম রোকেয়ার জীবন ও কর্মের নানা দিক নিয়ে আলোচনা করেন।

বক্তারা বলেন বেগম রোকেয়ার তার জন্মের ১৪০ বছর পর ও সারা দেশে অব্যাহত ভাবে নারী নির্যাতন, ধর্ষণ বেড়ে চলছে। এর জন্য তারা বিচারহীনতার অপসংস্কৃতি এবং প্রচলিত ভোগবাদী পুজিবাদি, সমাজকে দায়ি করেন।

বক্তারা বলেন, স্বাধীনদার ৪৯ বছর পরেও বাংলাদেশের আইনে নারীরা সমান অধিকার পান না। পরিবার জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে নারীরা বৈষম্যের স্বীকার হন সরকারের সমমজুরির আইন থাকলেও তারা সমান মজুরি পান না। সকল অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে নারী পুরুষের তুলনায় কম মজুরি পান। নারীর মর্যদা প্রতিষ্ঠিত করতে হলে বৈষম্যহীন সমতাভিত্তিক মানাবিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করতেহবে। আলোচনা সভা শেষে একটি র‌্যালি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে।

জনপ্রিয়

ফুলছড়িতে নিয়োগের তালিকা বাতিলের দাবিতে ইউএনওর কার্যালয়ের ভাঙচুর

গাইবান্ধায় বেগম রোকেয়ার জন্ম ও মৃত্যু বার্ষিকী পালিত

প্রকাশের সময়: ০৭:২৫:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২০

মহীয়সী নারী বেগম রোকেয়ার ১৪০ তম এবং ৮৮ তম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে মঙ্গলবার (৮ ডিসেম্বর) সমাজ তান্ত্রিক মহিলা ফোরাম গাইবান্ধাজেলা শাখার উদ্যোগে পৌর শহিদমিনার চত¦রে সমাবেশ ও র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়। মহিলা ফোরাম গাইবান্ধা জেলার আহবায়ক ইসরাত জাহানের সভাপতিতে¦ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন গাইবান্ধা জেলার বাসদের সমন্বয়ক গোলাম রব্বানী, জেলা ফোরাম সদস্য সুকুমার চন্দ্র মোদক, প্রতিমা রাণী,সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের গাইবান্ধা সরকারি কলেজ শাখার আহবায়ক মারুফ, আবির। তারা বেগম রোকেয়ার জীবন ও কর্মের নানা দিক নিয়ে আলোচনা করেন।

বক্তারা বলেন বেগম রোকেয়ার তার জন্মের ১৪০ বছর পর ও সারা দেশে অব্যাহত ভাবে নারী নির্যাতন, ধর্ষণ বেড়ে চলছে। এর জন্য তারা বিচারহীনতার অপসংস্কৃতি এবং প্রচলিত ভোগবাদী পুজিবাদি, সমাজকে দায়ি করেন।

বক্তারা বলেন, স্বাধীনদার ৪৯ বছর পরেও বাংলাদেশের আইনে নারীরা সমান অধিকার পান না। পরিবার জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে নারীরা বৈষম্যের স্বীকার হন সরকারের সমমজুরির আইন থাকলেও তারা সমান মজুরি পান না। সকল অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে নারী পুরুষের তুলনায় কম মজুরি পান। নারীর মর্যদা প্রতিষ্ঠিত করতে হলে বৈষম্যহীন সমতাভিত্তিক মানাবিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করতেহবে। আলোচনা সভা শেষে একটি র‌্যালি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে।