শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিরামপুরে জঙ্গল থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার

দিনাজপুর জেলার বিরামপুর উপজেলায় বাবলু বর্মণ (৪২) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রবিবার (২৯ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার জোতবানী ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের পিছনের জঙ্গল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত বাবুল বর্মণ উপজেলার জোতবানী ইউনিয়নের দেউল গ্রামের অমূল্য বর্ণের ছেলে।

স্থানীয়রা জানান, শনিবার বাবুল বর্মণ বিকেলে বাড়ি হতে বের হয়ে আর বাড়িতে ফিরে না এলে তার বাড়ির লোকজন তাকে বিভিন্ন স্থানে খোঁজখবর করছিলেন। তারা আরো বলেন বাবলু বর্মণ গত দুই সপ্তাহ আগে তার দুইটি গরু বিক্রি করেন। গরু বিক্রির সেই টাকা সে সঙ্গে করে নিয়ে চলতেন। সেই টাকার কারনেই দূর্বৃত্তরা তাকে হত্যা করতে পারে বলে স্থানীয়দের ধারনা ।

রবিবার দুপুরে স্থানীয় লোকজন বাজারের পার্শে ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের পিছনে পাতহাট গ্রাম সংলগ্ন জঙ্গলে একটি লাশ দেখতে পেয়ে বিরামপুর থানায় পুলিশে সংবাদ দেয়। সংবাদ পেয়ে বিরামপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বাবলু বর্মণের মরদেহ উদ্ধার করে।

জোতবানী ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক হোসেন জাগো২৪.নেট-কে জানান, বাবলু একজন ভিক্ষুক। ভিক্ষা করে তাঁর সংসার চলে। প্রতিদিনই বাজারের সবজি কুঁড়িয়ে বাড়ি চলে যান। বাবলু’র বাড়িতে মা,বাবা ও স্বামী পরিত্যক্তা এক বোন আছে। প্রায় ১০বছর আগে স্ত্রী তাঁকে ছেড়ে চলে যায়। তখন থেকে পাগল প্রায় বাবুল বর্মন ভিক্ষা করে চলে।

এ বিষয়ে বিরামপুর থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সুমন কুমার মহন্ত জাগো২৪.নেট-কে জানান, প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে এটি একটি হত্যা কান্ড। কারণ, ওই ব্যক্তির পরনের লুঙ্গি গলায় পেঁচানো ছিল। লুঙ্গি পেঁচিয়ে তাঁকে হত্যা করা হয়েছে। মরদেহটি ময়না তদন্তের জন্য দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

বিরামপুরে জঙ্গল থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশের সময়: ১০:৪৭:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২১

দিনাজপুর জেলার বিরামপুর উপজেলায় বাবলু বর্মণ (৪২) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রবিবার (২৯ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার জোতবানী ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের পিছনের জঙ্গল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত বাবুল বর্মণ উপজেলার জোতবানী ইউনিয়নের দেউল গ্রামের অমূল্য বর্ণের ছেলে।

স্থানীয়রা জানান, শনিবার বাবুল বর্মণ বিকেলে বাড়ি হতে বের হয়ে আর বাড়িতে ফিরে না এলে তার বাড়ির লোকজন তাকে বিভিন্ন স্থানে খোঁজখবর করছিলেন। তারা আরো বলেন বাবলু বর্মণ গত দুই সপ্তাহ আগে তার দুইটি গরু বিক্রি করেন। গরু বিক্রির সেই টাকা সে সঙ্গে করে নিয়ে চলতেন। সেই টাকার কারনেই দূর্বৃত্তরা তাকে হত্যা করতে পারে বলে স্থানীয়দের ধারনা ।

রবিবার দুপুরে স্থানীয় লোকজন বাজারের পার্শে ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের পিছনে পাতহাট গ্রাম সংলগ্ন জঙ্গলে একটি লাশ দেখতে পেয়ে বিরামপুর থানায় পুলিশে সংবাদ দেয়। সংবাদ পেয়ে বিরামপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বাবলু বর্মণের মরদেহ উদ্ধার করে।

জোতবানী ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক হোসেন জাগো২৪.নেট-কে জানান, বাবলু একজন ভিক্ষুক। ভিক্ষা করে তাঁর সংসার চলে। প্রতিদিনই বাজারের সবজি কুঁড়িয়ে বাড়ি চলে যান। বাবলু’র বাড়িতে মা,বাবা ও স্বামী পরিত্যক্তা এক বোন আছে। প্রায় ১০বছর আগে স্ত্রী তাঁকে ছেড়ে চলে যায়। তখন থেকে পাগল প্রায় বাবুল বর্মন ভিক্ষা করে চলে।

এ বিষয়ে বিরামপুর থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সুমন কুমার মহন্ত জাগো২৪.নেট-কে জানান, প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে এটি একটি হত্যা কান্ড। কারণ, ওই ব্যক্তির পরনের লুঙ্গি গলায় পেঁচানো ছিল। লুঙ্গি পেঁচিয়ে তাঁকে হত্যা করা হয়েছে। মরদেহটি ময়না তদন্তের জন্য দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।