শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গোবিন্দগঞ্জের ১৬ ইউপি চেয়ারম্যানসহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা

জালিয়াতির মাধ্যমে সরকারি চাল আত্মসাতের অভিযোগে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার ১৬ ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যানসহ মোট ১৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

মঙ্গলবার (৩১ আগস্ট) দুদক সচিব মু. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার সাংবাদিকদের জানান, মামলায় ইউপি চেয়ারম্যান ছাড়াও গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম, উপজেলা পরিষদের নারী ভাইস চেয়ারম্যান আকতারা বেগম ও গোবিন্দগঞ্জ পৌরসভার কাউন্সিলর গোলাপী বেগমকে আসামি করা হয়।

গত ২৬ আগস্ট রংপুর দুর্নীতি দমন কমিশন সমন্বিত কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. হোসাইন শরীফ বাদী হয়ে মামলাটি করেন।

মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে গাইবান্ধা গোবিন্ধগঞ্জ উপজেলায় ধর্মীয় সভার অনুকূলে জিআর এর বরাদ্দকৃত ৫ হাজার ৮২৩ মেট্টিক টন সরকারি চাল আসামিগণ পরস্পর যোগসাজশে জালিয়াতির আশ্রয়গ্রহণ পূর্বক প্রকল্প বাস্তবায়ন সংক্রান্ত জাল কাগজপত্র সৃজনের মাধ্যমে উত্তোলনপূর্বক কালোবাজারে বিক্রয় করে তৎকালীন সরকারি আর্থিক মূল্য ২২ কোটি ৩ লাখ ২১ হাজার ৫৯০ টাকা আত্মসাৎ করেন।

এজন্য মামলায় দণ্ডবিধির ৪০৯/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/১০৯ ধারা এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে।

গোবিন্দগঞ্জের ১৬ ইউপি চেয়ারম্যানসহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা

প্রকাশের সময়: ১০:৫৪:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ অগাস্ট ২০২১

জালিয়াতির মাধ্যমে সরকারি চাল আত্মসাতের অভিযোগে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার ১৬ ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যানসহ মোট ১৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

মঙ্গলবার (৩১ আগস্ট) দুদক সচিব মু. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার সাংবাদিকদের জানান, মামলায় ইউপি চেয়ারম্যান ছাড়াও গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম, উপজেলা পরিষদের নারী ভাইস চেয়ারম্যান আকতারা বেগম ও গোবিন্দগঞ্জ পৌরসভার কাউন্সিলর গোলাপী বেগমকে আসামি করা হয়।

গত ২৬ আগস্ট রংপুর দুর্নীতি দমন কমিশন সমন্বিত কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. হোসাইন শরীফ বাদী হয়ে মামলাটি করেন।

মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে গাইবান্ধা গোবিন্ধগঞ্জ উপজেলায় ধর্মীয় সভার অনুকূলে জিআর এর বরাদ্দকৃত ৫ হাজার ৮২৩ মেট্টিক টন সরকারি চাল আসামিগণ পরস্পর যোগসাজশে জালিয়াতির আশ্রয়গ্রহণ পূর্বক প্রকল্প বাস্তবায়ন সংক্রান্ত জাল কাগজপত্র সৃজনের মাধ্যমে উত্তোলনপূর্বক কালোবাজারে বিক্রয় করে তৎকালীন সরকারি আর্থিক মূল্য ২২ কোটি ৩ লাখ ২১ হাজার ৫৯০ টাকা আত্মসাৎ করেন।

এজন্য মামলায় দণ্ডবিধির ৪০৯/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/১০৯ ধারা এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে।