শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সবার সহায়তায় ফিরতে পারে রোমানার স্বাভাবিক জীবন

জন্মের চার মাস পর থ্যালাসামিয়া রোগে আক্রান্ত দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার বেল খুরিয়া গ্রামের রমজান আলীর মেয়ে রোমানা আক্তার (১১)। প্রতি মাসে এক ব্যাগ রক্ত দিতে হয় রোমানার শরীরে। বর্তমান ঢাকা পিজি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে রোমানা। ডাক্তার বলেছেন, অপারেশন করলে সে সুস্থ হয়ে যাবে। তার অপরেশনের জন্য প্রয়োজন প্রায় ১০ থেকে ১২ লাখ টাকা। বাবা রমজান আলী পেশায় একজন অটোচালক। অন্যের অটোগাড়ি ভাড়ায় চলান তিনি। সংসারে দুই ছেলে আর এক মেয়ে। গাড়ি ভাড়া দিয়ে সারাদিনে ১৫০ থেকে ২০০ টাকা উপার্জন করেন সে। সামান্য আয়ে ছেলে-মেয়ে আর স্ত্রীকে নিয়ে সংসার চলে কোন রকম। জন্ম থেকে থ্যালাসামিয়া রোগে ভুগছেন তাদের একমাত্র কন্য রোমানা। প্রতি মাসে এক ব্যাগ রক্ত দিতে হয় রোমানাকে। জন্মের পর থেকে বাবা রমজান আলীর শরীর থেকে প্রতি মাসে এক ব্যাগ করে রক্ত দিয়ে আসছেন। বিগত ৫ থেকে ৬ বছর যাবৎ স্থানীয় বিনামূল্যে রক্তদান কেন্দ্র শিবির থেকে রক্ত পেয়ে যাচ্ছে রোমানা।

রোমানার শরীরে রক্ত তৈরি হয় না। বহু চিকিৎসা করেও কোন লাভ হয়নি। অভাবের মাঝেও মেয়েকে ভালো করার জন্য সর্বশান্ত হয়েছেন রমজান আলী। দিনদিনে বড় হয়ে উঠছে মেয়ে। আর ততই চিন্তার বেড়ে যাচ্ছে তাদের।

দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে মেয়ের চিকিৎসা করা হয়েছে। কিন্তু টাকার অভাবে ভালো চিকিৎসা করতে পেড়ে উঠেনি বাবা-মা। রমজান আলী নিঃস্ব। তবু হাল ছাড়েনি মেয়েকে সুস্থ করার জন্য। বর্তমান মেয়েকে নিয়ে ঢাকা পিজি হাসপাতালে অবস্থান করছেন তিনি। চিকিৎসক জানিয়েছেন মেয়েকে ভালো করতে হলে অপারেশন করতে হবে। অপারেশন করতে লাগবে ১০ থেকে ১২ লাখ টাকা। এতোগুলা টাকা কোথায় পাবে রমজান আলী। তাই একমাত্র মেয়ে বাঁচাতে দেশবাসীর নিকট সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন তিনি।

রোমানার বাবা রমজান আলী জাগো২৪.নেট-কে বলেন, আমি অসহায় গরীব মানুষ। জীবনে যা কামাই করেছি, তা মেয়েকে সুস্থ করার জন্য শেষ করে ফেলেছি। এখন আমার কোন সাহয় সম্পদ নেই যা দিয়ে মেয়ের চিকিৎসা করবো। সারাদিন ভাড়ায় অটো চালিয়ে যা পাই তাই দিয়ে সংসার চলে। এতোগুলা টাকা কোথায় পাবো। তাই আমি সমাজের দয়ালু বিত্তবান মানুষের কাছে সাহায্য চাইছি। দয়া করে আপনারা আমার অসহায় মেয়েটির পাশে দাঁড়ান। একটি মাত্র মেয়ে, যদি কোন দেশবাসী আমার অসহায় মেয়েটা বাঁচানোর চেষ্টা করে তাহলে আমি চির কৃতজ্ঞ থাকবো। রোমানাকে সাহায্য করতে চাইলে, বিকাশ নম্বর ০১৭৮১৮১৫৯২৩ ও কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক সঞ্চয়ী হিসাব নাম্বার ৩৫২৬৩১।

জনপ্রিয়

সবার সহায়তায় ফিরতে পারে রোমানার স্বাভাবিক জীবন

প্রকাশের সময়: ০৩:১৮:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২০

জন্মের চার মাস পর থ্যালাসামিয়া রোগে আক্রান্ত দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার বেল খুরিয়া গ্রামের রমজান আলীর মেয়ে রোমানা আক্তার (১১)। প্রতি মাসে এক ব্যাগ রক্ত দিতে হয় রোমানার শরীরে। বর্তমান ঢাকা পিজি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে রোমানা। ডাক্তার বলেছেন, অপারেশন করলে সে সুস্থ হয়ে যাবে। তার অপরেশনের জন্য প্রয়োজন প্রায় ১০ থেকে ১২ লাখ টাকা। বাবা রমজান আলী পেশায় একজন অটোচালক। অন্যের অটোগাড়ি ভাড়ায় চলান তিনি। সংসারে দুই ছেলে আর এক মেয়ে। গাড়ি ভাড়া দিয়ে সারাদিনে ১৫০ থেকে ২০০ টাকা উপার্জন করেন সে। সামান্য আয়ে ছেলে-মেয়ে আর স্ত্রীকে নিয়ে সংসার চলে কোন রকম। জন্ম থেকে থ্যালাসামিয়া রোগে ভুগছেন তাদের একমাত্র কন্য রোমানা। প্রতি মাসে এক ব্যাগ রক্ত দিতে হয় রোমানাকে। জন্মের পর থেকে বাবা রমজান আলীর শরীর থেকে প্রতি মাসে এক ব্যাগ করে রক্ত দিয়ে আসছেন। বিগত ৫ থেকে ৬ বছর যাবৎ স্থানীয় বিনামূল্যে রক্তদান কেন্দ্র শিবির থেকে রক্ত পেয়ে যাচ্ছে রোমানা।

রোমানার শরীরে রক্ত তৈরি হয় না। বহু চিকিৎসা করেও কোন লাভ হয়নি। অভাবের মাঝেও মেয়েকে ভালো করার জন্য সর্বশান্ত হয়েছেন রমজান আলী। দিনদিনে বড় হয়ে উঠছে মেয়ে। আর ততই চিন্তার বেড়ে যাচ্ছে তাদের।

দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে মেয়ের চিকিৎসা করা হয়েছে। কিন্তু টাকার অভাবে ভালো চিকিৎসা করতে পেড়ে উঠেনি বাবা-মা। রমজান আলী নিঃস্ব। তবু হাল ছাড়েনি মেয়েকে সুস্থ করার জন্য। বর্তমান মেয়েকে নিয়ে ঢাকা পিজি হাসপাতালে অবস্থান করছেন তিনি। চিকিৎসক জানিয়েছেন মেয়েকে ভালো করতে হলে অপারেশন করতে হবে। অপারেশন করতে লাগবে ১০ থেকে ১২ লাখ টাকা। এতোগুলা টাকা কোথায় পাবে রমজান আলী। তাই একমাত্র মেয়ে বাঁচাতে দেশবাসীর নিকট সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন তিনি।

রোমানার বাবা রমজান আলী জাগো২৪.নেট-কে বলেন, আমি অসহায় গরীব মানুষ। জীবনে যা কামাই করেছি, তা মেয়েকে সুস্থ করার জন্য শেষ করে ফেলেছি। এখন আমার কোন সাহয় সম্পদ নেই যা দিয়ে মেয়ের চিকিৎসা করবো। সারাদিন ভাড়ায় অটো চালিয়ে যা পাই তাই দিয়ে সংসার চলে। এতোগুলা টাকা কোথায় পাবো। তাই আমি সমাজের দয়ালু বিত্তবান মানুষের কাছে সাহায্য চাইছি। দয়া করে আপনারা আমার অসহায় মেয়েটির পাশে দাঁড়ান। একটি মাত্র মেয়ে, যদি কোন দেশবাসী আমার অসহায় মেয়েটা বাঁচানোর চেষ্টা করে তাহলে আমি চির কৃতজ্ঞ থাকবো। রোমানাকে সাহায্য করতে চাইলে, বিকাশ নম্বর ০১৭৮১৮১৫৯২৩ ও কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক সঞ্চয়ী হিসাব নাম্বার ৩৫২৬৩১।