তোফায়েল হোসেন জাকির: গাইবান্ধায় বন্যা পরিস্থিতি উন্নতি হয়েছে। ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে নদ-নদীর পানি। তবে এই পানির নিচে নষ্ট হয়েছে কৃষি ফসল। রোপা আমনসহ প্রায় এক হাজার ২৪৪ হেক্টর জমির ফসল ক্ষতি হয়েছে।
শুক্রবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে গাইবান্ধা জেলা কৃষি বিভাগ থেকে এ তথ্য জানানো হয়। চলমান বন্যায় এক হাজার ২২০ হেক্টর রোপা আমন ও ২৪ হেক্টর সবজি ক্ষেত নষ্ট হয়েছে।
জানা যায়, অতি বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে গাইবান্ধার ব্রহ্মপুত্র, ঘাঘট, তিস্তা ও করতোয়া নদীর পানি বাড়তে থাকে। ফলে জেলার সদর, সাঘাটা, ফুলছড়ি ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলার শতাধিক গ্রাম প্লাবিত হয়। এতে করে নদীর তীরবর্তী ও চরাঞ্চলের পরিবারগুলো পানি বন্দী হয়ে পড়ে। একই সঙ্গে নিমজ্জিত হয় কৃষি ফসল। ফলে পানির নিচে থাকা রোপা আমন ও বিভিন্ন শাক-সবজি ক্ষেত নষ্ট হয়ে যায়।
বিদ্যমান পরিস্থিতিতে গত ৪ দিন ধরে বন্যার পানি কমতে থাকলেও, কমেনি কৃষকের দুশ্চিন্তা। যে ফসল ঘরে তুলে পরিবারের চাহিদা পুরণের স্বপ্ন দেখতেন, সেই স্বপ্ন চুরামার করেছে রাক্ষুসি বন্যা। এখন কীভাবে ঘুরে দাঁড়াবেন, এ নিয়ে কৃষকদের কপালে পড়ছে দুশ্চিন্তার ভাঁজ।
ব্রহ্মপুত্র নদের তীরের বাসিন্দা আলাল উদ্দিন জাগো২৪.নেট-কে জানান, চলতি আমন মৌসুমে দুই বিঘা জমিতে আমন চারা রোপন করছিলেন তিনি। কিন্ত বানের পানির তাণ্ডপে নষ্ট হয়েছে সেই ক্ষেত।
গাইবান্ধা জেলা কৃষি বিভাগের উপ-পরিচালক মো. মাসুদুর রহমান জাগো২৪.নেট-কে বলেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তথ্য সংশ্লিষ্টগণকে জানানো হয়েছে। বরাদ্দ পেলে তাদের প্রণোদনার ব্যবস্থা করা হবে।
তোফায়েল হোসেন জাকির, জাগো২৪.নেট 


















