শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সাদুল্লাপুরের ধাপেরহাটে জমি দখলের অভিযোগে তদন্ত

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ধাপেরহাট বন্দরস্থ একটি প্রভাবশালী পরিবারের বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত কার্য অনুষ্ঠিত হয়।

রোববার (১৩ ডিসেম্বের) দুপুরে নালীশি জমিটি তদন্ত করেন ধাপেরহাট উপ-সহকারী কর্মকর্তা (ভূমি) ছামছুল ইসলাম সাবিন। তদন্তকালে উপজেলা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার আরিফুর রহমানের সহায়তায় নালীশি জমিটি পিলার দিয়ে সীমানা নির্ধারণ করা হয়।

এসময় বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ধাপেরহাট ইউনিয়ন শাখার সভাপতি জালাল উদ্দিন মন্ডল হিরু, যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আফতাবুজ্জামান, ছাত্রলীগের সভাপতি হাসানুর রহমান, কৃষকলীগের সভাপতি জিয়াউর রহমান জিয়া, সাধারণ সম্পাদক হাফিজার রহমান, শ্রমিকলীগের সভাপতি উজ্জ্বল সাহা, বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল খালেক মন্ডল, ধাপেরহাট প্রেসক্লাবের সভাপতি আমিনুল ইসলাম, সাংবাদিক লাবলু প্রামানিক, নয়ন সাহা, আব্দুল মালেক সাজু, ধাপেরহাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সদস্যসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

সৃষ্ট ঘটনার অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, প্রায় ২৫ বছর আগে ক্রয়করা ৭৮ দাগের ৩ শতক জমির মধ্যে ১ শতক দখলে থাকলেও বাকি প্রায় ২ শতক জমি দখলে নেয় স্থানীয় ব্যবসায়ী সিদ্দিকুর রহমান ও তার সহদর ভাই খাজা মিয়া, জাকির হোসেন ও রোকন মিয়া।

বিদ্যমান পরিস্থিতিতে সিদ্দিকুর রহমানগংদের হাত থেকে দখলীয় জমিটি উদ্ধারের জন্য চেষ্টা করেন ভুক্তভোগি শিক্ষক নূর মোহাম্মদ মিলন। একাধিকবার এ চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে অবশেষে ১১ নভেম্বর গাইবান্ধা বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন মিলন। যার পিটিশন নং ৩৩৯/২০। বিজ্ঞ আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে স্থানীয় ভূমি অফিসারকে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নিদের্শ প্রদান করেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে রোববার (১৩ ডিসেম্বর) দুপুরে তদন্ত কার্য অনুষ্ঠিত হয়।

স্থানীয়রা জানায়, বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য উভয়পক্ষকে নিয়ে আপোষ মিমাংসার লক্ষে ৭ দিনের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। এটি সমাধানের চেষ্টা করা যেতে পারে।

এ বিষয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তা ও ধাপেরহাট উপ-সহকারী কর্মকর্তা (ভূমি) ছামছুল ইসলাম সাবিন বলেন, বিরোধপূর্ণ জমিটি রোববার সরেজমিনে তদন্ত করা হয়েছে। সেখানে পিলার দিয়ে সীমানা নির্ধারণও করা হয়।

জনপ্রিয়

সাদুল্লাপুরের ধাপেরহাটে জমি দখলের অভিযোগে তদন্ত

প্রকাশের সময়: ০৯:৫৩:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২০

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ধাপেরহাট বন্দরস্থ একটি প্রভাবশালী পরিবারের বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত কার্য অনুষ্ঠিত হয়।

রোববার (১৩ ডিসেম্বের) দুপুরে নালীশি জমিটি তদন্ত করেন ধাপেরহাট উপ-সহকারী কর্মকর্তা (ভূমি) ছামছুল ইসলাম সাবিন। তদন্তকালে উপজেলা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার আরিফুর রহমানের সহায়তায় নালীশি জমিটি পিলার দিয়ে সীমানা নির্ধারণ করা হয়।

এসময় বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ধাপেরহাট ইউনিয়ন শাখার সভাপতি জালাল উদ্দিন মন্ডল হিরু, যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আফতাবুজ্জামান, ছাত্রলীগের সভাপতি হাসানুর রহমান, কৃষকলীগের সভাপতি জিয়াউর রহমান জিয়া, সাধারণ সম্পাদক হাফিজার রহমান, শ্রমিকলীগের সভাপতি উজ্জ্বল সাহা, বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল খালেক মন্ডল, ধাপেরহাট প্রেসক্লাবের সভাপতি আমিনুল ইসলাম, সাংবাদিক লাবলু প্রামানিক, নয়ন সাহা, আব্দুল মালেক সাজু, ধাপেরহাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সদস্যসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

সৃষ্ট ঘটনার অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, প্রায় ২৫ বছর আগে ক্রয়করা ৭৮ দাগের ৩ শতক জমির মধ্যে ১ শতক দখলে থাকলেও বাকি প্রায় ২ শতক জমি দখলে নেয় স্থানীয় ব্যবসায়ী সিদ্দিকুর রহমান ও তার সহদর ভাই খাজা মিয়া, জাকির হোসেন ও রোকন মিয়া।

বিদ্যমান পরিস্থিতিতে সিদ্দিকুর রহমানগংদের হাত থেকে দখলীয় জমিটি উদ্ধারের জন্য চেষ্টা করেন ভুক্তভোগি শিক্ষক নূর মোহাম্মদ মিলন। একাধিকবার এ চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে অবশেষে ১১ নভেম্বর গাইবান্ধা বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন মিলন। যার পিটিশন নং ৩৩৯/২০। বিজ্ঞ আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে স্থানীয় ভূমি অফিসারকে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নিদের্শ প্রদান করেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে রোববার (১৩ ডিসেম্বর) দুপুরে তদন্ত কার্য অনুষ্ঠিত হয়।

স্থানীয়রা জানায়, বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য উভয়পক্ষকে নিয়ে আপোষ মিমাংসার লক্ষে ৭ দিনের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। এটি সমাধানের চেষ্টা করা যেতে পারে।

এ বিষয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তা ও ধাপেরহাট উপ-সহকারী কর্মকর্তা (ভূমি) ছামছুল ইসলাম সাবিন বলেন, বিরোধপূর্ণ জমিটি রোববার সরেজমিনে তদন্ত করা হয়েছে। সেখানে পিলার দিয়ে সীমানা নির্ধারণও করা হয়।