শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কুলিয়ারচরে ব্যবসায়ীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে নিজ ঘর থেকে দেলোয়ার হোসেন (৩৫) নামের ব্যাগ ব্যবসায়ীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত দেলোয়ার হোসেন উপজেলার ছয়সূতী ইউনিয়নের মাধবদী মধ্যপাড়া গ্রামের সিরাজ মিয়ার ছেলে।

রোববার (১৯ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে মাধবী গ্রামে দেলোয়ার হোসেনের নিজ বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় গণমাধ্যম কর্মীদের সঙ্গে  নিহতের স্ত্রী, ভাই ও বাবার দেওয়া বক্তব্যে  রয়েছে গড়মিল।

নিহতের স্ত্রী আলপনা বেগম জানান, রাতে তারা একসাথে বারান্দার রুমে ঘুমিয়ে ছিলো। শেষ রাতে হঠাৎ চিৎকারের শব্দ শুনে পাশের রুমে গিয়ে দেখেন দেলোয়ার রক্তাক্ত অবস্থায় ছটফট করছে। এ সময় তার চিৎকার শুনে শ্বশুর-শ্বাশুড়ি ছুটে আসেন। পরে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে সে মারা যায়।

নিহতের ছোট ভাই মনির বলেন, দেলোয়ার হোসেন দীর্ঘ দিন যাবৎ মানষিক সমস্যায় ভুগছিল। প্রায়ই সে আত্মহত্যা করতে চাইতো। তারা আরও বলেন, দেলোয়ার হোসেনের ব্যবসায় ৩০ লাখেরও বেশি টাকা বাকি পড়ে ছিলো। তাছাড়াও ২০ লাখ টাকার মত আর্থিক দেনা ছিলো, এসব কারণে এবং টেনশনে সে নিজের গলা নিজেই কেটে আত্মহত্যা করতে পারে।

নিহতের পিতা সিরাজ মিয়া  জানান, দেলোয়ার হোসেন পুরান ঢাকার নয়া বাজার এলাকায় একটি ব্যাগ তৈরীর কারখানার মালিক। সে গত শনিবার দিবাগত রাতে ঢাকা থেকে বাড়ি ফেরার একদিন পর নিজ ঘরে এই ঘটনা ঘটে। তার ব্যবসায়ীক কোনো বড় ধরণের আর্থিক দেনা ছিলো এমন কিছু তিনি জানেন না, এমন কিছু হলে ছেলে অন্তত তাকে জানাতেন।

এলাকাবাসী জানা যায়, দেলোয়ার হোসেন আর্থিকভাবে সচ্ছল ছিলো এবং তার ব্যবসায়ীক অবস্থা ভালো চলছিলো। সে কয়েক মাস পূর্বেও ১২-১৪ লাখ টাকা দিয়ে জায়গা খরিদ করেছে।

কুলিয়ারচর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মিজানুর রহমান জাগো২৪.নেট-কে বলেন, নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কুলিয়ারচরে ব্যবসায়ীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশের সময়: ০৯:১১:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে নিজ ঘর থেকে দেলোয়ার হোসেন (৩৫) নামের ব্যাগ ব্যবসায়ীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত দেলোয়ার হোসেন উপজেলার ছয়সূতী ইউনিয়নের মাধবদী মধ্যপাড়া গ্রামের সিরাজ মিয়ার ছেলে।

রোববার (১৯ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে মাধবী গ্রামে দেলোয়ার হোসেনের নিজ বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় গণমাধ্যম কর্মীদের সঙ্গে  নিহতের স্ত্রী, ভাই ও বাবার দেওয়া বক্তব্যে  রয়েছে গড়মিল।

নিহতের স্ত্রী আলপনা বেগম জানান, রাতে তারা একসাথে বারান্দার রুমে ঘুমিয়ে ছিলো। শেষ রাতে হঠাৎ চিৎকারের শব্দ শুনে পাশের রুমে গিয়ে দেখেন দেলোয়ার রক্তাক্ত অবস্থায় ছটফট করছে। এ সময় তার চিৎকার শুনে শ্বশুর-শ্বাশুড়ি ছুটে আসেন। পরে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে সে মারা যায়।

নিহতের ছোট ভাই মনির বলেন, দেলোয়ার হোসেন দীর্ঘ দিন যাবৎ মানষিক সমস্যায় ভুগছিল। প্রায়ই সে আত্মহত্যা করতে চাইতো। তারা আরও বলেন, দেলোয়ার হোসেনের ব্যবসায় ৩০ লাখেরও বেশি টাকা বাকি পড়ে ছিলো। তাছাড়াও ২০ লাখ টাকার মত আর্থিক দেনা ছিলো, এসব কারণে এবং টেনশনে সে নিজের গলা নিজেই কেটে আত্মহত্যা করতে পারে।

নিহতের পিতা সিরাজ মিয়া  জানান, দেলোয়ার হোসেন পুরান ঢাকার নয়া বাজার এলাকায় একটি ব্যাগ তৈরীর কারখানার মালিক। সে গত শনিবার দিবাগত রাতে ঢাকা থেকে বাড়ি ফেরার একদিন পর নিজ ঘরে এই ঘটনা ঘটে। তার ব্যবসায়ীক কোনো বড় ধরণের আর্থিক দেনা ছিলো এমন কিছু তিনি জানেন না, এমন কিছু হলে ছেলে অন্তত তাকে জানাতেন।

এলাকাবাসী জানা যায়, দেলোয়ার হোসেন আর্থিকভাবে সচ্ছল ছিলো এবং তার ব্যবসায়ীক অবস্থা ভালো চলছিলো। সে কয়েক মাস পূর্বেও ১২-১৪ লাখ টাকা দিয়ে জায়গা খরিদ করেছে।

কুলিয়ারচর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মিজানুর রহমান জাগো২৪.নেট-কে বলেন, নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।