রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বরুড়া উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নকে আধুনিকভাবে রূপান্তরিত করতে চান খলিল

প্রবাসী জীবনের সমাপ্তি টেনে, মাটি ও মানুষ নারীর টানে, মানুষের কল্যাণে নিঃস্বার্থে হাত বাড়িয়েছেন। কুমিল্লা বরুড়া উপজেলার ২নং ভবানিপুর ইউনিয়নকে একটি আধুনিক ইউনিয়নে রূপান্তরিত করতে চান বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সমাজ সেবক তরুণ রাজনীতিবিদ মোঃ খলিলুর রহমান (খলিল)।

নির্বাচনকে সামনে রেখে দীর্ঘদীন ধরে এলাকায় প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রনিত হয়ে বরুড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সংসদ সদস্য নাছিমুল আলম চৌধুরি নজরুলের আস্থাবাজন ব্যাক্তিত্ব মো. খলিলুর রহমান (খলিল) বরুড়া উপজেলা ২নং ভবানিপুর ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের দলীয় সকল কর্মকাজে নিজেকে আত্ননিয়োগ করেছেন মো. খলিলুর রহমান খলিল।

তিনি ১৯৭৫ সালে বরুড়ার ২ নং ভবানিপুর ইউনিয়নের খটকপুর গ্রামের এক মুসলিম সম্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন খলিলুর রহমান, তার বাবা মৃত হাজী আহাম আলী একজন সম্মানিত ব্যাক্তি ও সমাজসেবক হিসাবে পরিচিত ছিলেন। তার মাতা সুফিয়া বেগম। খলিলুর রহমান (খলিল) প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ৫ম শ্রনীতে উত্তীর্ন হয়ে বাতাইছড়ি দাখিল মাদ্রাসা থেকে পাস করে বরুড়া দারুল উলূম মাদ্রাসা থেকে উলা পাস করেন। তিনি ছাত্র জীবন ছিলো খুব মেধাবী। মোঃ খলিলুর রহমান (খলিল) পড়াশুনা শেষ করে ১৯৯৫ সালে চাকরী উদ্দেশ্যে পাড়ীজমান মালেশিয়া। সেখানে চাকরীর পাশাপাশি মালেশিয়া শাখা আওয়ামীলিগের রাজনীতির সাথে যুক্ত হন।

১৯৯৮ সালে মাটি ও মানুষের নারীর টানে দেশে ফিরে এসে ব্যবসা বানিজ্য বিনিয়োগ করেন। ব্যবসা বানিজ্যের পাশাপাশি, কুমিল্লার প্রবাসী আওয়ামী লীগ নেতা সাবেক জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চেয়ারম্যান শামসুল হকের, নেতৃত্বে দীর্ঘদিন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগে রাজনীতির সাথে স্বয়ংক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। খলিলুর রহমান (খলিল) ২০০৩ সালে আবারও সৌদি আরবের উদ্দেশ্যে সৌদি আরব পাড়িজমান সেখানে চাকরির পাশাপাশি সৌদি আরব দাম্মাম আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসাবে, ২০০৮ সাল দায়িত্ব পালন করে আসছেন, ২০০৯ সালে তিনি নিপটন জেনারেল কন্ট্রাকটিং কম্পানি নামে একটি প্রাইভেট কোম্পানি চালু করেন। সেই থেকে তিনি এক পা দুই পা করে সফলতার দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেন। এই কোম্পানিতে বরুড়া সহ বাংলাদেশের বেকার সহস্রাধিক যুবকদের চাকরির সুযোগ করে দেন, খলিলুর রহমান খলিল।

এছাড়াও কোন বাংলাদেশি লোকেরা বিপদে পড়লে সব সময় এগিয়ে আসেন তিনি । ২০১৩ সাল থেকে বরুড়া উপজেলায় আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে স্বক্রীয় হয়ে উঠেন। গত ৫/৬ বছর ধরে ২ নং ভবানিপুর ইউনিয়নের গরীব, দুঃখী অসহায়, দরিদ্র, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও মন্দিরের উন্নয়ন মূলক কাজে নিজ অর্থায়ানে ব্যাপক পরিচিতি অর্জন করেন তিনি। ব্যবসা বাণিজ্য ও রাজনীতির পাশাপাশি মানুষের সুখে দুঃখে পাশে থেকে নিজেকে একজন জনদরদী নেতা হিসাবে গড়ে তুলেছেন। তাই ২ নং ভবানিপুর ইউনিয়ন বাসীর চাওয়া একটা খলিলুর রহমান (খলিল) চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হিসাবে নির্বাচন করার প্রত্যাশা।

এছাড়াও পর পর দুই বছর করোনা ভাইরাস কালীন সময় ভবানীপুর ইউনিয়নে কয়েক সহস্রাধিক পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন। এরইমধ্যে ২৫ টি গ্রামের মসজিদে প্রায় ৭০ লাখ টাকা অনুদান দিয়েছেন। ভবানীপুর এমদাদুল উলুম মাদ্রাসার জন্য ১১ শতক জায়গা ক্রয় করে দিয়েছেন। জৈনপুরী হুজুরের খানেকা নির্মাণ করে দেন। ৮ টি পরিবারের মাঝে নতুন ঘর নির্মাণ করে দেন। বাতাইছড়ি দাখিল মাদ্রাসার আজীবন দাতা সদস্য ও নিজ গ্রামের খটকপুরে নিজ অর্থায়নে ১ কোটি ২৪ লাখ টাকার ব্যয়ে নতুন মসজিদ নির্মাণের কাজ শুরু করেছে। এছাড়াও খলিলুর রহমান খলিল বিভিন্ন মানুষের কল্যাণে এগিয়ে যাচ্ছেন। খলিলুর রহমান খলিল বলেন, আমি আশা রাখি দলের প্রাপ্তি আনুগতা ও বিশ্বস্ততা এবং জনসেবার কারণে আমাকে আমার দল আওয়ামীলীগ থেকে মনোনয়ন পত্র দিবেন । আর মনোনয়ন পত্র পেলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও বরুড়া সংসদ সদস্য জনাব নাছিমুল আলম চৌধুরি নজরুল এম, পি, সাহেবের উন্নয়নের অংশীদার হয়ে নৌকা প্রতীক নিয়ে আমি চেয়ারম্যানে নির্বাচিত হয়ে ২নং ভবানীপুর ইউনিয়নের যোগাযোগ ব্যবস্থার সুবিধার্থে সরকারের পাশাপাশি নিজ অর্থায়নে রাস্তা, ঘাট,মসজিদ, মন্দির, মাদ্রাসাসহ, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কবরস্থান সহ উন্নয়ন আমার ঐকান্তিক প্রচেষ্টা থাকবে।

খলিলুর রহমান খলিল আরও বলেন, দীর্ঘদিনের অবহেলিত ভবানিপুর ইউনিয়নের জরাজীর্ণ পুরাতন ভবনটি ভেঙ্গে নতুন করে ইউনিয়ন কমপ্লেক্স করতে যে-ই টুকু জমির প্রয়োজন আমি আমার নিজ অর্থায়নে ক্রয় করে দিবো। ভবানীপুর ইউনিয়নকে দেশের একটি আধুনিক, সুন্দর ও কুমিল্লা জেলার বরুড়া উপজেলার মনোরম রুল মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে আমি বদ্ধপরিকার। ২ নং ভবানিপুর ইউনিয়নকে মাদক,সন্ত্রাস , চাঁদাবাজ, বাল্য বিবাহ মুক্ত করবো এবং গরীব অসহায় ছাত্র ছাত্রীদেরকে নিজ অর্থায়নে শিক্ষা দানের চেষ্টা করবো, শিক্ষাকে প্রসারিত হিসাবে গড়ে তুলবো। নিজ অর্থায়নে কৃষকদের জন্য আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি ও তরুণ প্রজন্মদেরকে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের থেকে বিরত রাখতে খেলাধুলার উপহার সামগ্রী নিজ অর্থায়নে দিবো, সর্বসময় যে কোন মানুষ বিপদে আপদে পরবেন আমার দরজা খোলাথাকবে ইনশাআল্লাহ।

জনপ্রিয়

বরুড়া উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নকে আধুনিকভাবে রূপান্তরিত করতে চান খলিল

প্রকাশের সময়: ১০:৪৮:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ অক্টোবর ২০২১

প্রবাসী জীবনের সমাপ্তি টেনে, মাটি ও মানুষ নারীর টানে, মানুষের কল্যাণে নিঃস্বার্থে হাত বাড়িয়েছেন। কুমিল্লা বরুড়া উপজেলার ২নং ভবানিপুর ইউনিয়নকে একটি আধুনিক ইউনিয়নে রূপান্তরিত করতে চান বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সমাজ সেবক তরুণ রাজনীতিবিদ মোঃ খলিলুর রহমান (খলিল)।

নির্বাচনকে সামনে রেখে দীর্ঘদীন ধরে এলাকায় প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রনিত হয়ে বরুড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সংসদ সদস্য নাছিমুল আলম চৌধুরি নজরুলের আস্থাবাজন ব্যাক্তিত্ব মো. খলিলুর রহমান (খলিল) বরুড়া উপজেলা ২নং ভবানিপুর ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের দলীয় সকল কর্মকাজে নিজেকে আত্ননিয়োগ করেছেন মো. খলিলুর রহমান খলিল।

তিনি ১৯৭৫ সালে বরুড়ার ২ নং ভবানিপুর ইউনিয়নের খটকপুর গ্রামের এক মুসলিম সম্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন খলিলুর রহমান, তার বাবা মৃত হাজী আহাম আলী একজন সম্মানিত ব্যাক্তি ও সমাজসেবক হিসাবে পরিচিত ছিলেন। তার মাতা সুফিয়া বেগম। খলিলুর রহমান (খলিল) প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ৫ম শ্রনীতে উত্তীর্ন হয়ে বাতাইছড়ি দাখিল মাদ্রাসা থেকে পাস করে বরুড়া দারুল উলূম মাদ্রাসা থেকে উলা পাস করেন। তিনি ছাত্র জীবন ছিলো খুব মেধাবী। মোঃ খলিলুর রহমান (খলিল) পড়াশুনা শেষ করে ১৯৯৫ সালে চাকরী উদ্দেশ্যে পাড়ীজমান মালেশিয়া। সেখানে চাকরীর পাশাপাশি মালেশিয়া শাখা আওয়ামীলিগের রাজনীতির সাথে যুক্ত হন।

১৯৯৮ সালে মাটি ও মানুষের নারীর টানে দেশে ফিরে এসে ব্যবসা বানিজ্য বিনিয়োগ করেন। ব্যবসা বানিজ্যের পাশাপাশি, কুমিল্লার প্রবাসী আওয়ামী লীগ নেতা সাবেক জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চেয়ারম্যান শামসুল হকের, নেতৃত্বে দীর্ঘদিন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগে রাজনীতির সাথে স্বয়ংক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। খলিলুর রহমান (খলিল) ২০০৩ সালে আবারও সৌদি আরবের উদ্দেশ্যে সৌদি আরব পাড়িজমান সেখানে চাকরির পাশাপাশি সৌদি আরব দাম্মাম আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসাবে, ২০০৮ সাল দায়িত্ব পালন করে আসছেন, ২০০৯ সালে তিনি নিপটন জেনারেল কন্ট্রাকটিং কম্পানি নামে একটি প্রাইভেট কোম্পানি চালু করেন। সেই থেকে তিনি এক পা দুই পা করে সফলতার দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেন। এই কোম্পানিতে বরুড়া সহ বাংলাদেশের বেকার সহস্রাধিক যুবকদের চাকরির সুযোগ করে দেন, খলিলুর রহমান খলিল।

এছাড়াও কোন বাংলাদেশি লোকেরা বিপদে পড়লে সব সময় এগিয়ে আসেন তিনি । ২০১৩ সাল থেকে বরুড়া উপজেলায় আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে স্বক্রীয় হয়ে উঠেন। গত ৫/৬ বছর ধরে ২ নং ভবানিপুর ইউনিয়নের গরীব, দুঃখী অসহায়, দরিদ্র, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও মন্দিরের উন্নয়ন মূলক কাজে নিজ অর্থায়ানে ব্যাপক পরিচিতি অর্জন করেন তিনি। ব্যবসা বাণিজ্য ও রাজনীতির পাশাপাশি মানুষের সুখে দুঃখে পাশে থেকে নিজেকে একজন জনদরদী নেতা হিসাবে গড়ে তুলেছেন। তাই ২ নং ভবানিপুর ইউনিয়ন বাসীর চাওয়া একটা খলিলুর রহমান (খলিল) চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হিসাবে নির্বাচন করার প্রত্যাশা।

এছাড়াও পর পর দুই বছর করোনা ভাইরাস কালীন সময় ভবানীপুর ইউনিয়নে কয়েক সহস্রাধিক পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন। এরইমধ্যে ২৫ টি গ্রামের মসজিদে প্রায় ৭০ লাখ টাকা অনুদান দিয়েছেন। ভবানীপুর এমদাদুল উলুম মাদ্রাসার জন্য ১১ শতক জায়গা ক্রয় করে দিয়েছেন। জৈনপুরী হুজুরের খানেকা নির্মাণ করে দেন। ৮ টি পরিবারের মাঝে নতুন ঘর নির্মাণ করে দেন। বাতাইছড়ি দাখিল মাদ্রাসার আজীবন দাতা সদস্য ও নিজ গ্রামের খটকপুরে নিজ অর্থায়নে ১ কোটি ২৪ লাখ টাকার ব্যয়ে নতুন মসজিদ নির্মাণের কাজ শুরু করেছে। এছাড়াও খলিলুর রহমান খলিল বিভিন্ন মানুষের কল্যাণে এগিয়ে যাচ্ছেন। খলিলুর রহমান খলিল বলেন, আমি আশা রাখি দলের প্রাপ্তি আনুগতা ও বিশ্বস্ততা এবং জনসেবার কারণে আমাকে আমার দল আওয়ামীলীগ থেকে মনোনয়ন পত্র দিবেন । আর মনোনয়ন পত্র পেলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও বরুড়া সংসদ সদস্য জনাব নাছিমুল আলম চৌধুরি নজরুল এম, পি, সাহেবের উন্নয়নের অংশীদার হয়ে নৌকা প্রতীক নিয়ে আমি চেয়ারম্যানে নির্বাচিত হয়ে ২নং ভবানীপুর ইউনিয়নের যোগাযোগ ব্যবস্থার সুবিধার্থে সরকারের পাশাপাশি নিজ অর্থায়নে রাস্তা, ঘাট,মসজিদ, মন্দির, মাদ্রাসাসহ, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কবরস্থান সহ উন্নয়ন আমার ঐকান্তিক প্রচেষ্টা থাকবে।

খলিলুর রহমান খলিল আরও বলেন, দীর্ঘদিনের অবহেলিত ভবানিপুর ইউনিয়নের জরাজীর্ণ পুরাতন ভবনটি ভেঙ্গে নতুন করে ইউনিয়ন কমপ্লেক্স করতে যে-ই টুকু জমির প্রয়োজন আমি আমার নিজ অর্থায়নে ক্রয় করে দিবো। ভবানীপুর ইউনিয়নকে দেশের একটি আধুনিক, সুন্দর ও কুমিল্লা জেলার বরুড়া উপজেলার মনোরম রুল মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে আমি বদ্ধপরিকার। ২ নং ভবানিপুর ইউনিয়নকে মাদক,সন্ত্রাস , চাঁদাবাজ, বাল্য বিবাহ মুক্ত করবো এবং গরীব অসহায় ছাত্র ছাত্রীদেরকে নিজ অর্থায়নে শিক্ষা দানের চেষ্টা করবো, শিক্ষাকে প্রসারিত হিসাবে গড়ে তুলবো। নিজ অর্থায়নে কৃষকদের জন্য আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি ও তরুণ প্রজন্মদেরকে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের থেকে বিরত রাখতে খেলাধুলার উপহার সামগ্রী নিজ অর্থায়নে দিবো, সর্বসময় যে কোন মানুষ বিপদে আপদে পরবেন আমার দরজা খোলাথাকবে ইনশাআল্লাহ।