রংপুরের পীরগঞ্জে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিকের বয়স্ক বাবা-মা, ভাই ও চাচার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাংবাদিক মিনহাজুল ইসলাম মিলন, পীরগঞ্জ প্রেসক্লাবের সদস্য ও জাতীয় দৈনিক সমাচার পত্রিকার প্রতিনিধি
জানা যায়, মিনহাজুল ইসলাম মিলন কিছুদিন পূর্বে করতোয়া নদীর তীরে জুয়া খেলার জায়গা থেকে ফেসবুকে লাইভ করলে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয় এবং বিষয়টি উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নজরে আসে। এ ঘটনায় বড় আলমপুর ইউনিয়নে বিড পুলিশিং এর এক এএসআইকে ক্লোজড করে পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার সরকার এবং জুয়ারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেন পীরগঞ্জ থানাকে। এরই সূত্র ধরে সংঘবদ্ধ জুয়ারুরা সাংবাদিক মিলন ও তার পরিবারের সদস্যদের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে থাকেন।
গত ৭ অক্টোবর বড় আলমপুর ইউনিয়নে উচাপাড়া গ্রামে তুচ্ছ একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের মধ্য সংঘর্ষ ঘটে এতে কুখ্যাত জুয়ারী জহুরুল সহ উভয় পক্ষের ৭ জন আহত হয়। এই ঘটনায় দুই পক্ষেই পৃথকভাবে থানায় মামলা করেছে। ঘটনার দিন সাংবাদিক মিলনের বাবা হাফিজার রহমান (৭০), মা মঞ্জুয়ারা বেগম (৫৮) অসুস্থতা জনিত কারনে বাড়িতে ছিলেন। ভাই আব্দুল মান্নান সে দাতের চিকিৎসার জন্য অটোভ্যানযোগে দিনাজপুরের রানীগঞ্জ বাজারে ডেন্টিস্ট ডা. হাফিজারের নিকট যায়। চাচা শামছুল আলম (৫৮) গত ১৪ দিন যাবৎ তাবলীগ জামাতে চিল্লায় গিয়েছেন।
সরেজমিনে ঘুরে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। এ বিষয়ে পীরগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ সরেস চন্দ্র বলেন তদন্ত করে এ ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত নয় তাদেরকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেয়া হবে। এদিকে মিথ্যা মামলার দায়ের প্রতিবাদে ফুসে উঠেছে পীরগঞ্জ সাংবাদিক সমাজ। তারা বলেন সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় আনা হোক। মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই নজরুল ইসলাম বলেন সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় আনা হবে।
সরকার বেলায়েত, করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট, পীরগঞ্জ (রংপুর) 


















