শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে অগ্নি-বীণা ও দোলন-চাঁপা হল চালু

কোভিড-১৯ এর কারণে দীর্ঘ ১৯ মাস বন্ধ থাকার পর সোমবার (২৫ অক্টোবর) জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্নি-বীণা ও দোলন-চাঁপা হলদুটি পুনরায় খুলে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। আজ সোমবার (২৫ অক্টোবর) সকাল ১০ টায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. এ এইচ এম মোস্তাফিজুর রহমান ফিতা কেটে হলের চালু করেন।

এসময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় ট্রেজারার প্রফেসর মো. জালাল উদ্দিন, রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. মোঃ হুমায়ুন কবীর, প্রক্টর ড. উজ্জ্বল কুমার প্রধান, পরিচালক (ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তর) তপন কুমার সরকার, অগ্নি-বীণা হলের প্রভোস্ট নূরে আলম ও দোলন-চাঁপা হলের প্রভোস্ট সিরাজাম মনিরাসহ অন্যান্যরা।

হল খুলে দেওয়ার পর যারা কোভিড-১৯ টিকার অন্তত এক ডোজ নিয়েছেন, তারা নিজ নিজ হলে যাওয়া শুরু করেছেন। স্বাস্থ্যবিধি মেনে ফুল, চকলেট, মাস্ক দিয়ে শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানানো হয়। টীকা সনদ ও বৈধ আইডি কার্ড প্রদর্শন সাপেক্ষে শিক্ষার্থীদের হলে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে।

উল্লেখ্য, দেশে কোভিড-১৯ এর সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার পর গত বছরে ১৭ মার্চ আবাসিক হলগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়। সরকার এ বছরের মার্চ ও মে মাসে পুনরায় হল ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলো খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেও কোভিড সংক্রমণ বৃদ্ধির মুখে তা স্থগিত করা হয়।

জনপ্রিয়

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে অগ্নি-বীণা ও দোলন-চাঁপা হল চালু

প্রকাশের সময়: ০৮:৪৩:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ অক্টোবর ২০২১

কোভিড-১৯ এর কারণে দীর্ঘ ১৯ মাস বন্ধ থাকার পর সোমবার (২৫ অক্টোবর) জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্নি-বীণা ও দোলন-চাঁপা হলদুটি পুনরায় খুলে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। আজ সোমবার (২৫ অক্টোবর) সকাল ১০ টায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. এ এইচ এম মোস্তাফিজুর রহমান ফিতা কেটে হলের চালু করেন।

এসময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় ট্রেজারার প্রফেসর মো. জালাল উদ্দিন, রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. মোঃ হুমায়ুন কবীর, প্রক্টর ড. উজ্জ্বল কুমার প্রধান, পরিচালক (ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তর) তপন কুমার সরকার, অগ্নি-বীণা হলের প্রভোস্ট নূরে আলম ও দোলন-চাঁপা হলের প্রভোস্ট সিরাজাম মনিরাসহ অন্যান্যরা।

হল খুলে দেওয়ার পর যারা কোভিড-১৯ টিকার অন্তত এক ডোজ নিয়েছেন, তারা নিজ নিজ হলে যাওয়া শুরু করেছেন। স্বাস্থ্যবিধি মেনে ফুল, চকলেট, মাস্ক দিয়ে শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানানো হয়। টীকা সনদ ও বৈধ আইডি কার্ড প্রদর্শন সাপেক্ষে শিক্ষার্থীদের হলে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে।

উল্লেখ্য, দেশে কোভিড-১৯ এর সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার পর গত বছরে ১৭ মার্চ আবাসিক হলগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়। সরকার এ বছরের মার্চ ও মে মাসে পুনরায় হল ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলো খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেও কোভিড সংক্রমণ বৃদ্ধির মুখে তা স্থগিত করা হয়।