শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় মাহমুদ সাজ্জাদের অবদান চিরস্মরণীয় থাকবে

প্রখ্যাত সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মাহমুদ সাজ্জাদ ছিলেন একজন সহজ সরল মাটির মানুষ। তার মধ্যে ছিলনা কোন অহমিকা, সবাইকে ভালোবাসতে জানতেন। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে তিনি ছিলেন একজন অগ্রগণ্য সৈনিক। বিশ^বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় তাঁর অবদান চিরস্মরণীয় থাকবে। আমরা আজীবন কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করে যাব।

বুধবার (২৭ অক্টোবর, ২০২১) দুপুরে প্রয়াত মাহমুদ সাজ্জাদের স্মরণ সভায় সভাপতির বক্তব্যে কথাগুলো বলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. এ এইচ এম মোস্তাফিজুর রহমান। বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফারেন্স কক্ষে অনুষ্ঠিত সভাটি আয়োজন করে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার।

মাহমুদ সাজ্জাদের স্মৃতির উদ্দেশে গভীর শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করে মাননীয় উপাচার্য বলেন, তার ছিল সম্মোহনী ব্যক্তিত্ব। খুব সহজেই তিনি যেকোন মানুষকে আপন করে নিতে পারতেন। তার চলে যাওয়ার মধ্যদিয়ে আমরা আমাদের স্বজনকে হারিয়েছি। আমরা ব্যথিত। মর্মাহত। আমি তার পরিবারের প্রতি গভীর শোক ও সহানুভ‚তি প্রকাশ করছি।

স্মরণসভায় অন্যান্য বক্তারা বলেন, নাট্যব্যক্তিত্ব মাহমুদ সাজ্জাদ শুধু একজন নাট্যকর্মীই ছিলেন না বরং তিনি একজন পুরদস্তুর সাংস্কৃতিক আন্দোলনের পুরোধা ব্যক্তিত্ব ছিলেন। সুস্থ সাংস্কৃতিক চর্চার মধ্যদিয়ে সমাজ গঠিত হোক এটিই ছিল তাঁর চাওয়া। আর সে লক্ষ্য থেকেই তারা জাতীয় কবি কাজী নজরুলের স¥ৃতিধন্য ত্রিশালে একটি সাংস্কৃতিক চর্চার কেন্দ্র হিসেবে বিশ^বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন। তাই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় যাদের নূন্যতম অবদান আছে সেসব ব্যক্তি ও সংগঠনের স্মৃতিকে যথাযোগ্য মর্যাদা দিতে হবে। আর্কাইভ প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

এসময় বক্তারা প্রয়াত মাহমুদ সাজ্জাদের স্মৃতিরক্ষার্থে তার অভিনীত চলচ্চিত্র, নাটক সংরক্ষণের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নিকট প্রস্তাব উত্থাপন করেন।

রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. মোঃ হুমায়ুন কবীরের সঞ্চালনায় স্মরণসভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডীন প্রফেসর ড. মোঃ নজরুল ইসলাম, কলা অনুষদের ডীন প্রফেসর ড. আহমেদুল বারী, প্রক্টর ড. উজ্জ্বল কুমার প্রধান, শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড. এমদাদুর রাশেদ সুখন, এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ড. আশরাফ আলী সিদ্দিকী, থিয়েটার এন্ড পারফরমেন্স স্টাডিজ বিভাগে বিভাগীয় প্রধান মো. আল্ জাবির, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ আব্দুল হালিম, অতিরিক্ত পরিচালক (অর্থ ও হিসাব) মোঃ নজরুল ইসলাম, অতিরিক্ত পরিচালক (পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও ওয়ার্কস দপ্তর) এ কে এম আশরাফুল আলম মুকুল, কর্মকর্তা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল আহসান লিমনসহ অন্যান্যরা।

উল্লেখ্য, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মাহমুদ সাজ্জাদ কোভিড-১৯ পরবর্তী জটিলতা নিয়ে গত রোববার (২৪ অক্টোবর, ২০২১) রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৩ বছর।

জনপ্রিয়

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় মাহমুদ সাজ্জাদের অবদান চিরস্মরণীয় থাকবে

প্রকাশের সময়: ০৬:৩০:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ অক্টোবর ২০২১

প্রখ্যাত সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মাহমুদ সাজ্জাদ ছিলেন একজন সহজ সরল মাটির মানুষ। তার মধ্যে ছিলনা কোন অহমিকা, সবাইকে ভালোবাসতে জানতেন। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে তিনি ছিলেন একজন অগ্রগণ্য সৈনিক। বিশ^বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় তাঁর অবদান চিরস্মরণীয় থাকবে। আমরা আজীবন কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করে যাব।

বুধবার (২৭ অক্টোবর, ২০২১) দুপুরে প্রয়াত মাহমুদ সাজ্জাদের স্মরণ সভায় সভাপতির বক্তব্যে কথাগুলো বলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. এ এইচ এম মোস্তাফিজুর রহমান। বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফারেন্স কক্ষে অনুষ্ঠিত সভাটি আয়োজন করে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার।

মাহমুদ সাজ্জাদের স্মৃতির উদ্দেশে গভীর শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করে মাননীয় উপাচার্য বলেন, তার ছিল সম্মোহনী ব্যক্তিত্ব। খুব সহজেই তিনি যেকোন মানুষকে আপন করে নিতে পারতেন। তার চলে যাওয়ার মধ্যদিয়ে আমরা আমাদের স্বজনকে হারিয়েছি। আমরা ব্যথিত। মর্মাহত। আমি তার পরিবারের প্রতি গভীর শোক ও সহানুভ‚তি প্রকাশ করছি।

স্মরণসভায় অন্যান্য বক্তারা বলেন, নাট্যব্যক্তিত্ব মাহমুদ সাজ্জাদ শুধু একজন নাট্যকর্মীই ছিলেন না বরং তিনি একজন পুরদস্তুর সাংস্কৃতিক আন্দোলনের পুরোধা ব্যক্তিত্ব ছিলেন। সুস্থ সাংস্কৃতিক চর্চার মধ্যদিয়ে সমাজ গঠিত হোক এটিই ছিল তাঁর চাওয়া। আর সে লক্ষ্য থেকেই তারা জাতীয় কবি কাজী নজরুলের স¥ৃতিধন্য ত্রিশালে একটি সাংস্কৃতিক চর্চার কেন্দ্র হিসেবে বিশ^বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন। তাই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় যাদের নূন্যতম অবদান আছে সেসব ব্যক্তি ও সংগঠনের স্মৃতিকে যথাযোগ্য মর্যাদা দিতে হবে। আর্কাইভ প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

এসময় বক্তারা প্রয়াত মাহমুদ সাজ্জাদের স্মৃতিরক্ষার্থে তার অভিনীত চলচ্চিত্র, নাটক সংরক্ষণের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নিকট প্রস্তাব উত্থাপন করেন।

রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. মোঃ হুমায়ুন কবীরের সঞ্চালনায় স্মরণসভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডীন প্রফেসর ড. মোঃ নজরুল ইসলাম, কলা অনুষদের ডীন প্রফেসর ড. আহমেদুল বারী, প্রক্টর ড. উজ্জ্বল কুমার প্রধান, শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড. এমদাদুর রাশেদ সুখন, এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ড. আশরাফ আলী সিদ্দিকী, থিয়েটার এন্ড পারফরমেন্স স্টাডিজ বিভাগে বিভাগীয় প্রধান মো. আল্ জাবির, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ আব্দুল হালিম, অতিরিক্ত পরিচালক (অর্থ ও হিসাব) মোঃ নজরুল ইসলাম, অতিরিক্ত পরিচালক (পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও ওয়ার্কস দপ্তর) এ কে এম আশরাফুল আলম মুকুল, কর্মকর্তা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল আহসান লিমনসহ অন্যান্যরা।

উল্লেখ্য, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মাহমুদ সাজ্জাদ কোভিড-১৯ পরবর্তী জটিলতা নিয়ে গত রোববার (২৪ অক্টোবর, ২০২১) রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৩ বছর।