শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ঢাবি শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা

পাবনাঃ পছন্দের ছেলেকে বাদ দিয়ে ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর করে অন্য ছেলের সঙ্গে বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত ঈশ্বরদীর এক ছাত্রী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
সোমবার বিকেলে রুম্পা খাতুন (২৫) নামে ওই ছাত্রী ঈশ্বরদীর পার্শ্ববর্তী আটঘড়িয়ায় তার বড় ভাই রিপনের বাড়িতে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন।
রুম্পা ঈশ্বরদী উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের বাবুলচারা গ্রামের ফরিদ উদ্দিন মণ্ডলের মেয়ে এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগে ৪র্থ বর্ষের ছাত্রী। তিনি ঢাবির সামসুন্নাহার হলে থাকতেন। করোনার সময়ে ছুটির কারণে গ্রামের বাড়ি ঈশ্বরদীতে অবস্থান করছিলেন। ময়নাতদন্ত শেষে মঙ্গলবার রুম্পার মরদেহ সাহাপুর ইউনিয়নের বাবুলচারা গ্রামে দাফন করা হয়।
রুম্পার পরিবার জানায়, ঢাকার একটি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ডিপ্লোমা শেষ বর্ষের ছাত্র একই গ্রামের হাফিজুল ইসলামের ছেলে রাজু ইসলামের সঙ্গে রুম্পার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সম্প্রতি রুম্পার বিয়ের কথাবার্তা শুরু হলে রুম্পা রাজুকে ছাড়া অন্য কাউকে বিয়ে করবে না বলে তার সিদ্ধান্ত পরিবারকে জানান। কিন্তু রাজুর বাবা হাফিজুলের সঙ্গে তাদের পরিবারের পূর্ব বিরোধের কারণে রুম্পার বাবা ফরিদ মণ্ডল তাতে রাজি হননি। এসব নিয়ে পারিবারিক কলহের একপর্যায়ে রুম্পা কয়েক দিন আগে রাগ করে তার ভাই সোনালী ব্যাংকের সিনিয়র কর্মকর্তা রিপন মণ্ডলের আটঘড়িয়ার বাসায় গিয়ে ওঠেন। সোমবার সেখানেই তিনি গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন।
ঈশ্বরদী থানার ওসি শেখ নাসির উদ্দীন জানান, এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।
আগামীনিউজ/আশা

জনপ্রিয়

ঢাবি শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা

প্রকাশের সময়: ০৫:২৬:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২০

পাবনাঃ পছন্দের ছেলেকে বাদ দিয়ে ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর করে অন্য ছেলের সঙ্গে বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত ঈশ্বরদীর এক ছাত্রী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
সোমবার বিকেলে রুম্পা খাতুন (২৫) নামে ওই ছাত্রী ঈশ্বরদীর পার্শ্ববর্তী আটঘড়িয়ায় তার বড় ভাই রিপনের বাড়িতে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন।
রুম্পা ঈশ্বরদী উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের বাবুলচারা গ্রামের ফরিদ উদ্দিন মণ্ডলের মেয়ে এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগে ৪র্থ বর্ষের ছাত্রী। তিনি ঢাবির সামসুন্নাহার হলে থাকতেন। করোনার সময়ে ছুটির কারণে গ্রামের বাড়ি ঈশ্বরদীতে অবস্থান করছিলেন। ময়নাতদন্ত শেষে মঙ্গলবার রুম্পার মরদেহ সাহাপুর ইউনিয়নের বাবুলচারা গ্রামে দাফন করা হয়।
রুম্পার পরিবার জানায়, ঢাকার একটি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ডিপ্লোমা শেষ বর্ষের ছাত্র একই গ্রামের হাফিজুল ইসলামের ছেলে রাজু ইসলামের সঙ্গে রুম্পার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সম্প্রতি রুম্পার বিয়ের কথাবার্তা শুরু হলে রুম্পা রাজুকে ছাড়া অন্য কাউকে বিয়ে করবে না বলে তার সিদ্ধান্ত পরিবারকে জানান। কিন্তু রাজুর বাবা হাফিজুলের সঙ্গে তাদের পরিবারের পূর্ব বিরোধের কারণে রুম্পার বাবা ফরিদ মণ্ডল তাতে রাজি হননি। এসব নিয়ে পারিবারিক কলহের একপর্যায়ে রুম্পা কয়েক দিন আগে রাগ করে তার ভাই সোনালী ব্যাংকের সিনিয়র কর্মকর্তা রিপন মণ্ডলের আটঘড়িয়ার বাসায় গিয়ে ওঠেন। সোমবার সেখানেই তিনি গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন।
ঈশ্বরদী থানার ওসি শেখ নাসির উদ্দীন জানান, এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।
আগামীনিউজ/আশা