মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

৭০ টাকার মরিচ ১৮০

গত ১৫ দিন আগে গাইবান্ধার হাট-বাজারে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হতো ৭০ টাকা দামে। সেটি ধীরে ধীরে বেড়ে ১৮০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। এতে করে বিপাকে পড়েছে নিম্নআয়র মানুষেরা।

মঙ্গলবার (২ আগস্ট) গাইবান্ধার বিভিন্ন হাট-বাজার ঘুরে দেখা যায় প্রতিকেজি কাঁচা মরিচ ১৮০ থেকে ১৯০ দামে কেনা-বেচা হচ্ছে। এসময় উর্ধগতি দাম নিয়ে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর সঙ্গে ক্রেতা সাধারণের তর্ক-বিকর্তও দেখা গেছে।

জানা যায়, খরিপ-১ মৌসুমের কাঁচা মরিচ আবাদ করা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। সাধারণত এ সময়টা আবহাওয়ার বিরূপ আচারণ সৃষ্টি হয়। গত ১৫ দিন আগ পর্যন্ত ক্ষেত থেকে অধিক পরিমান মরিচ উৎপাদন করছিলেন কৃষকরা। যার ফলে স্থানীয় বাজারে চাহিদা কম থাকায় ৬০ থেকে ৭০ টাকা কেজি দরে কাঁচা মরিচ বিক্রি করছিলেন তারা। কিন্ত সম্প্রতি অতিখড়া ও মাঝে মধ্যে অতিবর্ষণের কারনে উদপাদন কমে গেছে। যার ফলে চাহিদা বেশী হওয়া দাম বেড়েছে ‍প্রায় তিনগুণ।

পলাশবাড়ী এলাকার কৃষক ময়েন উদ্দিন ব্যাপারী জাগো২৪.নেট-কে জানানা, তিনি একবিঘা জমিতে মরিচ আবাদ করেছেন। সম্প্রতি বিরূপ আবহাওয়ার কারণে গত ১৫ দিনের তুলনা উৎপাদন কমেছে অর্ধেকে। এমতাবস্থায় স্থানীয়ভাবে চাহিদা বেশী থাকায় পাইকারি দরে প্রতিকেজি কাঁচা মরিচ ১৭০ থেকে ১৭৫ টাকায় বিক্রি করছেন তিনি।

লাল মিয়া নামের এক ক্ষুদ্র ব্যবসায় বলেন, আড়তে বেশী দাম দিয়ে কাঁচা মরিচ কিনতে হচ্ছে। তাই খুচরা বাজারে এর প্রভাব পড়েছে। আর দাম বেশী হওয়ায় গ্রাহকদের সঙ্গে তর্তবিতর্ক বাঁধছে।

সাদুল্লাপুর বাজারে মরিচ কিনতে আসা মাসুদ মিয়া নামের এক চা বিক্রিতা জাগো২৪.নেট-কে বলেন, একদিকে রাত ৮ টার দোকানপাট বন্ধ করতে হয়। অন্যদিকে কাঁচা মরিচসহ বেড়েছে নিত্যপণ্যের দাম। এমন পরিস্থিতির কারণে ক্রয় ক্ষমতার বাহিরে চলে গেছে।

গোবিন্দগঞ্জের আব্দুস সোবহান নামের এক শিক্ষক জানান, গাইবান্ধা জেলায় মরচিসহ প্রচুর শাক-সবজি উৎপাদন হয়। এসব সবজি সংরক্ষণের জন্য হিমাগার না থাকায় কৃষক-ক্রেতা উভয়ে ক্ষতির শিকার হচ্ছে।

গাইবান্ধা জেলা কৃষি বিভাগের উপ-পরিচালক বেলাল উদ্দিন জাগো২৪.নেট-কে বলেন, চলতি খরিপ-১ মৌসুমে জেলার ৭ উপজেলায় ৭০৫ হেক্টর জমিতে কাঁচা মরিচ রয়েছে। মুলত: এ মৌসুমে মরিচ উৎপাদন কমই হয়। যার ফলে খুচরা বাজারে দাম উঠা-নামা হয়ে থাকে।

৭০ টাকার মরিচ ১৮০

প্রকাশের সময়: ০৪:৩৬:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ অগাস্ট ২০২২

গত ১৫ দিন আগে গাইবান্ধার হাট-বাজারে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হতো ৭০ টাকা দামে। সেটি ধীরে ধীরে বেড়ে ১৮০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। এতে করে বিপাকে পড়েছে নিম্নআয়র মানুষেরা।

মঙ্গলবার (২ আগস্ট) গাইবান্ধার বিভিন্ন হাট-বাজার ঘুরে দেখা যায় প্রতিকেজি কাঁচা মরিচ ১৮০ থেকে ১৯০ দামে কেনা-বেচা হচ্ছে। এসময় উর্ধগতি দাম নিয়ে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর সঙ্গে ক্রেতা সাধারণের তর্ক-বিকর্তও দেখা গেছে।

জানা যায়, খরিপ-১ মৌসুমের কাঁচা মরিচ আবাদ করা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। সাধারণত এ সময়টা আবহাওয়ার বিরূপ আচারণ সৃষ্টি হয়। গত ১৫ দিন আগ পর্যন্ত ক্ষেত থেকে অধিক পরিমান মরিচ উৎপাদন করছিলেন কৃষকরা। যার ফলে স্থানীয় বাজারে চাহিদা কম থাকায় ৬০ থেকে ৭০ টাকা কেজি দরে কাঁচা মরিচ বিক্রি করছিলেন তারা। কিন্ত সম্প্রতি অতিখড়া ও মাঝে মধ্যে অতিবর্ষণের কারনে উদপাদন কমে গেছে। যার ফলে চাহিদা বেশী হওয়া দাম বেড়েছে ‍প্রায় তিনগুণ।

পলাশবাড়ী এলাকার কৃষক ময়েন উদ্দিন ব্যাপারী জাগো২৪.নেট-কে জানানা, তিনি একবিঘা জমিতে মরিচ আবাদ করেছেন। সম্প্রতি বিরূপ আবহাওয়ার কারণে গত ১৫ দিনের তুলনা উৎপাদন কমেছে অর্ধেকে। এমতাবস্থায় স্থানীয়ভাবে চাহিদা বেশী থাকায় পাইকারি দরে প্রতিকেজি কাঁচা মরিচ ১৭০ থেকে ১৭৫ টাকায় বিক্রি করছেন তিনি।

লাল মিয়া নামের এক ক্ষুদ্র ব্যবসায় বলেন, আড়তে বেশী দাম দিয়ে কাঁচা মরিচ কিনতে হচ্ছে। তাই খুচরা বাজারে এর প্রভাব পড়েছে। আর দাম বেশী হওয়ায় গ্রাহকদের সঙ্গে তর্তবিতর্ক বাঁধছে।

সাদুল্লাপুর বাজারে মরিচ কিনতে আসা মাসুদ মিয়া নামের এক চা বিক্রিতা জাগো২৪.নেট-কে বলেন, একদিকে রাত ৮ টার দোকানপাট বন্ধ করতে হয়। অন্যদিকে কাঁচা মরিচসহ বেড়েছে নিত্যপণ্যের দাম। এমন পরিস্থিতির কারণে ক্রয় ক্ষমতার বাহিরে চলে গেছে।

গোবিন্দগঞ্জের আব্দুস সোবহান নামের এক শিক্ষক জানান, গাইবান্ধা জেলায় মরচিসহ প্রচুর শাক-সবজি উৎপাদন হয়। এসব সবজি সংরক্ষণের জন্য হিমাগার না থাকায় কৃষক-ক্রেতা উভয়ে ক্ষতির শিকার হচ্ছে।

গাইবান্ধা জেলা কৃষি বিভাগের উপ-পরিচালক বেলাল উদ্দিন জাগো২৪.নেট-কে বলেন, চলতি খরিপ-১ মৌসুমে জেলার ৭ উপজেলায় ৭০৫ হেক্টর জমিতে কাঁচা মরিচ রয়েছে। মুলত: এ মৌসুমে মরিচ উৎপাদন কমই হয়। যার ফলে খুচরা বাজারে দাম উঠা-নামা হয়ে থাকে।