রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ছাত্রের হাতে পিটুনির শিকার হলেন শিক্ষক লতিফ

দুষ্টুমী করায় শাসনের চর দেয়ার খেসারত হিসেবে ছাত্রের হাতে পিটুনির শিকার হলেন সহকারী শিক্ষক আব্দুল লতিফ আকন্দ।

বৃহস্পতিবার সকালে ঘটনাটি ঘটেছে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার শালমারা ইউনিয়নের পচারিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে।

এর আগে গত মঙ্গলবার দুষ্টমী করায় সেলিম মিয়া নামে ওই বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রকে তিনি একটি চর মারেন।

শিক্ষক আব্দুল লতিফ আকন্দ জানান, আমি বৃহস্পতিবার ৭ সেপ্টেম্বর বেলা সোয়া ১০টার দিকে বিদ্যালয়ে উপস্থিত হই এবং সিঁড়ি দিয়ে বিদ্যালয় ভবনের উপর তলায় উঠছিলাম। এ সময় অষ্টম শ্রেণির ছাত্র সেলিম পেছন থেকে আমাকে লাঠি দিয়ে পরপর কয়েকবার আঘাত করে পালিয়ে যায়।

ওই ছাত্রের পিতা এমদাদুল হক জানান,এ ঘটনার আগে শিক্ষক আব্দুল লতিফ গত মঙ্গলবার স্কুলে সেলিমকে চরসহ মারধর করেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে সে এই কান্ড ঘটায়। এ ঘটনায় আমরা দুঃখিত।

এ ঘটনায় মানুষ গড়ার কারিগর শিক্ষকদের মাঝে চাপা ক্ষোভ ভয় আতংক বিরাজ করছে বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন শিক্ষক জানান।

এ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবু বক্কর সিদ্দিক  জানান, শুধু তাই নয়- আমাকেও মারধরের হুমকী দিচ্ছেন ওই ছাত্রের অভিভাবকেরা। বিষয়টি আমি থানা কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। এ ছাড়াও বিষয়টি নিয়ে ম্যানেজিং কমিটিতে আলোচনা করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামসুল আলম শাহ্ বলেন, এ বিষয়ে একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

জনপ্রিয়

দুই সাংবাদিককে হেনস্তার প্রতিবাদে সাদুল্লাপুর প্রেসক্লাবে সভা; এসিল্যান্ডের অপসারণ দাবি

ছাত্রের হাতে পিটুনির শিকার হলেন শিক্ষক লতিফ

প্রকাশের সময়: ০৯:৪৭:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩

দুষ্টুমী করায় শাসনের চর দেয়ার খেসারত হিসেবে ছাত্রের হাতে পিটুনির শিকার হলেন সহকারী শিক্ষক আব্দুল লতিফ আকন্দ।

বৃহস্পতিবার সকালে ঘটনাটি ঘটেছে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার শালমারা ইউনিয়নের পচারিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে।

এর আগে গত মঙ্গলবার দুষ্টমী করায় সেলিম মিয়া নামে ওই বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রকে তিনি একটি চর মারেন।

শিক্ষক আব্দুল লতিফ আকন্দ জানান, আমি বৃহস্পতিবার ৭ সেপ্টেম্বর বেলা সোয়া ১০টার দিকে বিদ্যালয়ে উপস্থিত হই এবং সিঁড়ি দিয়ে বিদ্যালয় ভবনের উপর তলায় উঠছিলাম। এ সময় অষ্টম শ্রেণির ছাত্র সেলিম পেছন থেকে আমাকে লাঠি দিয়ে পরপর কয়েকবার আঘাত করে পালিয়ে যায়।

ওই ছাত্রের পিতা এমদাদুল হক জানান,এ ঘটনার আগে শিক্ষক আব্দুল লতিফ গত মঙ্গলবার স্কুলে সেলিমকে চরসহ মারধর করেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে সে এই কান্ড ঘটায়। এ ঘটনায় আমরা দুঃখিত।

এ ঘটনায় মানুষ গড়ার কারিগর শিক্ষকদের মাঝে চাপা ক্ষোভ ভয় আতংক বিরাজ করছে বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন শিক্ষক জানান।

এ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবু বক্কর সিদ্দিক  জানান, শুধু তাই নয়- আমাকেও মারধরের হুমকী দিচ্ছেন ওই ছাত্রের অভিভাবকেরা। বিষয়টি আমি থানা কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। এ ছাড়াও বিষয়টি নিয়ে ম্যানেজিং কমিটিতে আলোচনা করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামসুল আলম শাহ্ বলেন, এ বিষয়ে একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।