শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গুচ্ছগ্রামের জমিলার কপালে জোটেনি বিধবা-বয়স্ক ভাতা কার্ড

নিতান্তই দুস্থ বিধবা জমিলা বেওয়া। বয়স ৬২ বছরের উর্ধে। প্রায় দুইযুগ আগে মারা গেছেন তার স্বামী জহির উদ্দিন। দুই মেয়ে থাকলেও নেই ছেলে সন্তান। ভূমিহীন এই জমিলার ঠাঁই হয়েছে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরে। এখান থেকে অন্যের বাড়িতে ঝিয়ের কাজ করে কোনমতে বেঁচে থাকা তার। একদম মানবেতর জীবনযাপন। তার চাওয়া বিধবা ভাতার কার্ড। এ আশায় জনপ্রতিনিধিসহ দায়িত্বশীলদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন তিনি। অনেকে প্রতিশ্রুতি দিলেও কিন্ত একযুগেও কথা রাখেনি কেউ! ফলে বয়সের ভার আর দরিদ্রতার সঙ্গে লড়াই করে বেঁচে আছেন এই বৃদ্ধা জমিলা বেওয়া।

তিনি গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের তরফ কামাল গুচ্ছগ্রামের বাসিন্দা।

স্থানীয়রা বলছেন-  যে বয়সে আরাম আয়েশে থাকার কথা, ঠিক এ সময়ে অন্যের বাড়িতে হাড়ভাঙ্গা পরিশ্রম করে খেয়ে না খেয়ে বেঁচে আছেন তিনি। সেইসঙ্গে নানা রোগে বাসা বেঁধেছে তার শরীরে। অর্থাভাবে ওষুধ কিনতেও পারছেন না। স্বামী হারা এই জমিলা বেওয়া এখন দরিদ্রতার কষাকাঘাতে ভুগছেন। তাকে সমাজসেবা কার্যালয়ে বিধবা কিংবা বয়স্ক ভাতার আওতায় নেয়ার দাবি সবার।

তরফ কামাল গুচ্ছগ্রামের বাসিন্দা আজাহার আলী বলেন, জমিলা বেওয়া খুবই দুর্বীষহ জীবনযাপন করছেন। অর্থাভাবে ইচ্ছে মত খেতে কিংবা চিকিৎসাও করতে পারছেন না। তবুও বাঁচার তাগিদে অসুস্থ শরীরে অন্যের বাড়িতে ঝিয়ের কাজ করছেন। তার ভাতা কার্ডের জন্য বিভিন্নভাবে ঘুরেও কাজ হয়নি।

খোঁজ নিয়ে জমিলাকে ভাতাভূক্ত করার আশ্বাস দেন- রসুলপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান বেলাল হোসেন।

এ বিষয়ে সাদুল্লাপুর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) আজাদুল হক বলেন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সমাজকর্মীর মাধ্যমে খোঁজ নিয়ে জমিলাকে ভাতাভূক্ত করা যেতে পারে।

জনপ্রিয়

গুচ্ছগ্রামের জমিলার কপালে জোটেনি বিধবা-বয়স্ক ভাতা কার্ড

গুচ্ছগ্রামের জমিলার কপালে জোটেনি বিধবা-বয়স্ক ভাতা কার্ড

প্রকাশের সময়: ১২:৫১:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

নিতান্তই দুস্থ বিধবা জমিলা বেওয়া। বয়স ৬২ বছরের উর্ধে। প্রায় দুইযুগ আগে মারা গেছেন তার স্বামী জহির উদ্দিন। দুই মেয়ে থাকলেও নেই ছেলে সন্তান। ভূমিহীন এই জমিলার ঠাঁই হয়েছে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরে। এখান থেকে অন্যের বাড়িতে ঝিয়ের কাজ করে কোনমতে বেঁচে থাকা তার। একদম মানবেতর জীবনযাপন। তার চাওয়া বিধবা ভাতার কার্ড। এ আশায় জনপ্রতিনিধিসহ দায়িত্বশীলদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন তিনি। অনেকে প্রতিশ্রুতি দিলেও কিন্ত একযুগেও কথা রাখেনি কেউ! ফলে বয়সের ভার আর দরিদ্রতার সঙ্গে লড়াই করে বেঁচে আছেন এই বৃদ্ধা জমিলা বেওয়া।

তিনি গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের তরফ কামাল গুচ্ছগ্রামের বাসিন্দা।

স্থানীয়রা বলছেন-  যে বয়সে আরাম আয়েশে থাকার কথা, ঠিক এ সময়ে অন্যের বাড়িতে হাড়ভাঙ্গা পরিশ্রম করে খেয়ে না খেয়ে বেঁচে আছেন তিনি। সেইসঙ্গে নানা রোগে বাসা বেঁধেছে তার শরীরে। অর্থাভাবে ওষুধ কিনতেও পারছেন না। স্বামী হারা এই জমিলা বেওয়া এখন দরিদ্রতার কষাকাঘাতে ভুগছেন। তাকে সমাজসেবা কার্যালয়ে বিধবা কিংবা বয়স্ক ভাতার আওতায় নেয়ার দাবি সবার।

তরফ কামাল গুচ্ছগ্রামের বাসিন্দা আজাহার আলী বলেন, জমিলা বেওয়া খুবই দুর্বীষহ জীবনযাপন করছেন। অর্থাভাবে ইচ্ছে মত খেতে কিংবা চিকিৎসাও করতে পারছেন না। তবুও বাঁচার তাগিদে অসুস্থ শরীরে অন্যের বাড়িতে ঝিয়ের কাজ করছেন। তার ভাতা কার্ডের জন্য বিভিন্নভাবে ঘুরেও কাজ হয়নি।

খোঁজ নিয়ে জমিলাকে ভাতাভূক্ত করার আশ্বাস দেন- রসুলপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান বেলাল হোসেন।

এ বিষয়ে সাদুল্লাপুর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) আজাদুল হক বলেন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সমাজকর্মীর মাধ্যমে খোঁজ নিয়ে জমিলাকে ভাতাভূক্ত করা যেতে পারে।