বগুড়ার নন্দীগ্রামে জন্মনিয়ন্ত্রণ উপকরণ সরবরাহ না থাকায় বিপাকে পড়েছে সেবাগ্রহীতারা। একই অবস্থা সারাদেশেই। এর কারণ বিগত অর্ন্তর্বতীকালীন সরকারের আমলে সারাদেশে জন্মনিয়ন্ত্রণ উপকরণ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। সে থেকে আর জন্মনিয়ন্ত্রণ উপকরণ সরবরাহ করা হচ্ছে না। এতে নন্দীগ্রাম উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র, কমিউনিটি ক্লিনিক ও স্যাটেলাইট ক্লিনিকে জন্মনিয়ন্ত্রণ উপকরণ সরবরাহ না থাকায় সেবাগ্রহীতারা চরম ভোগান্তির মুখে পড়েছেন।
দীর্ঘদিন ধরে জন্মনিয়ন্ত্রণ ইনজেকশন, কনডম, বড়ি ও অন্যান্য উপকরণ না থাকায় অনেকেই কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।এতে হুমকির মুখে পড়েছে জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি। উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা অফিস সূত্রে জানা গেছে, জন্মনিয়ন্ত্রণ ইনজেকশন, কনডম, বড়ি ও অন্যান্য উপকরণ সরবরাহ না থাকার কারণে জন্মনিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারী বা কর্মীরা সঠিকভাবে পরিবার পরিকল্পনা সেবা প্রদান করতে পারছেন না। ফলে অনেকেই বাধ্য হয়ে বাজার থেকে অতিরিক্ত মূল্যে এসব উপকরণ কিনছেন, যা নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য বাড়তি চাপ সৃষ্টি হচ্ছে। এ উপজেলায় সক্ষম দম্পতির সংখ্যা ৪৩ হাজার ৪৮০জন। এরমধ্যে জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি গ্রহণ করেছেন ৩৪ হাজার ৪০৭ দম্পতি। সেবাগ্রহীতারা দ্রুত পর্যাপ্ত পরিমাণ জন্মনিয়ন্ত্রণ উপকরণ সরবরাহ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে উপজেলা পরিকল্পনা কর্মকর্তা (অ. দা.) ডা. এসএম শফিকুর রহমান সজীব জানান, এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। অতিশীঘ্রই জন্মনিয়ন্ত্রণ উপকরণ সরবরাহ করার আশ্বাস পেয়েছি। তা দ্রুত সরবরাহ করা হলে জন্মনিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিদ্যমান সমস্যা আর থাকবে না বলে আশা করছি। আর মা ও শিশু স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম যথারীতিভাবে চালু রয়েছে। জন্মনিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম সচল রাখতে এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষায় দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সেবাগ্রহীতারা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন সেবাগ্রহীতা বলেন, আগে কনডম ও বড়ি ফ্রি পেতাম কিন্তু অনেকদিন ধরে তা পাচ্ছি না। তাই ঔষধের দোকান থেকে কনডম ও বড়ি কিনে এনে জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি গ্রহণ করা হচ্ছে।
করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট 


















