শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাড়ি থেকে নিখোঁজ স্কুল শিক্ষার্থী, ১৮ দিনেও সন্ধান মেলেনি

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে ১৮ দিন ধরে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না এক স্কুল শিক্ষার্থীকে। গত ১৩ জুলাই সন্ধ্যার সময় থেকে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। নিখোঁজ সন্তানের খোঁজ না পাওয়ায় চরম আতঙ্ক আর উৎকন্ঠায় আছেন ওই শিক্ষার্থীর বাবা-মা ও স্বজনরা।

এ বিষয়ে সুন্দরগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।

নিখোঁজ শিক্ষার্থী উপজেলার কাপাসিয়া ইউনিয়নের ভাটি কাপাসিয়া গ্রামের বাসিন্দা। সে স্থানীয় এক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণীর শিক্ষার্থী।

ওই শিক্ষার্থীর বাবা বলেন, “ঘটনার দিন মাগরিবের আগে মেয়েকে বাসায় রেখে কছিম বাজারে যাই। আনুমানিক আধাঘন্টা পরে আমার স্ত্রী ফোন করে বলেন মেয়েকে পাচ্ছি না। তৎক্ষনাৎ বাড়ি যাই এবং খোঁজাখুঁজি শুরু করি। প্রতিবেশী থেকে শুরু করে আত্মীয়-স্বজনসহ সম্ভাব্য সব জায়গায় খুঁজছি। আজও খুঁজে বেড়াচ্ছি মেয়েকে। কোথাও পাচ্ছি না তাকে। একমাত্র মেয়েকে হারিয়ে তার মা আজ পাগল প্রায়। ছেড়ে দিয়েছে খাওয়া-দাওয়া। কোনো শান্তি নেই আজ আমার পরিবারে।”

এ বিষয়ে কথা হয় ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের সাথে। তিনি বলেন, মেধাবীর পাশাপাশি অত্যান্ত নম্র ও ভদ্র স্বভাবের মেয়ে ছিলো সে। কয়েকদিন ধরে তাকে স্কুলে পাচ্ছি না। পরে খোঁজ নিয়ে জানি সে নিখোঁজ। এতে আমরা মর্মাহত।

সুন্দরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীন মোহাম্মদ আমানুল্লাহ জানান, “উদ্ধারের খাতিরে খোলামেলা সবকিছু বলা সম্ভব নয় এই মুহূর্তে। তবে এ বিষয়ে পুলিশ ব্যাপক তৎপর রয়েছে। আশা করছি, খুব অল্প সময়ের মধ্যেই শিশুটিকে উদ্ধার করা যাবে ইন্শ আল্লাহ।

প্রশিক্ষণের মাধ্যমে যুবকদের আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে: মোতাহার হোসেন

বাড়ি থেকে নিখোঁজ স্কুল শিক্ষার্থী, ১৮ দিনেও সন্ধান মেলেনি

প্রকাশের সময়: ০৬:৩৫:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে ১৮ দিন ধরে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না এক স্কুল শিক্ষার্থীকে। গত ১৩ জুলাই সন্ধ্যার সময় থেকে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। নিখোঁজ সন্তানের খোঁজ না পাওয়ায় চরম আতঙ্ক আর উৎকন্ঠায় আছেন ওই শিক্ষার্থীর বাবা-মা ও স্বজনরা।

এ বিষয়ে সুন্দরগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।

নিখোঁজ শিক্ষার্থী উপজেলার কাপাসিয়া ইউনিয়নের ভাটি কাপাসিয়া গ্রামের বাসিন্দা। সে স্থানীয় এক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণীর শিক্ষার্থী।

ওই শিক্ষার্থীর বাবা বলেন, “ঘটনার দিন মাগরিবের আগে মেয়েকে বাসায় রেখে কছিম বাজারে যাই। আনুমানিক আধাঘন্টা পরে আমার স্ত্রী ফোন করে বলেন মেয়েকে পাচ্ছি না। তৎক্ষনাৎ বাড়ি যাই এবং খোঁজাখুঁজি শুরু করি। প্রতিবেশী থেকে শুরু করে আত্মীয়-স্বজনসহ সম্ভাব্য সব জায়গায় খুঁজছি। আজও খুঁজে বেড়াচ্ছি মেয়েকে। কোথাও পাচ্ছি না তাকে। একমাত্র মেয়েকে হারিয়ে তার মা আজ পাগল প্রায়। ছেড়ে দিয়েছে খাওয়া-দাওয়া। কোনো শান্তি নেই আজ আমার পরিবারে।”

এ বিষয়ে কথা হয় ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের সাথে। তিনি বলেন, মেধাবীর পাশাপাশি অত্যান্ত নম্র ও ভদ্র স্বভাবের মেয়ে ছিলো সে। কয়েকদিন ধরে তাকে স্কুলে পাচ্ছি না। পরে খোঁজ নিয়ে জানি সে নিখোঁজ। এতে আমরা মর্মাহত।

সুন্দরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীন মোহাম্মদ আমানুল্লাহ জানান, “উদ্ধারের খাতিরে খোলামেলা সবকিছু বলা সম্ভব নয় এই মুহূর্তে। তবে এ বিষয়ে পুলিশ ব্যাপক তৎপর রয়েছে। আশা করছি, খুব অল্প সময়ের মধ্যেই শিশুটিকে উদ্ধার করা যাবে ইন্শ আল্লাহ।