শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পানির চাপে ভেঙে গেল কাঠের সাঁকো, দুর্ভোগ চরমে

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বুড়াইল নদীর ওপর নির্মিত কাঠের সাঁকোটি পানির চাপে ভেঙেছে। ফলে দুপাড়ের সহস্রাধিক মানুষ চলাচলে চরম দুর্ভোগে পড়েছে। বিকল্প হিসেবে ডিঙ্গি নৌকায় ঝুঁকি নিয়ে চলছে এলাকাবাসী।

স্থানীয়রা জানায় , উপজেলার  তারাপুর ইউনিয়নের খোর্দ্দা গ্রামে বুড়াইল নদীর ওপর প্রায় ৬ বছর আগে সাঁকোটি নির্মাণ করতেন। তখন থেকেই বুড়াইল নদীর পশ্চিমে নিজামখাঁ ঘগোয়া, চাচিয়া, তালেরহাট, তাম্বুলপুর, পীরগাছা ও পূর্বে চরখোর্দ্দা, চর লাটশালা, চর তারাপুরসহ উলিপুর উপজেলার লোকজন পাড়াপাড়া হতেন। এ অবস্থায় এলাকাবাসি একটি সেতু নির্মাণের দাবি জানান। কিন্তু তা আজও বাস্তবায়ন হয়নি। স্বাধীনতার ৫২ বছর পরও এ অবহেলিত এলাকার প্রতি কেউ তাকায়নি। তবুও যোগাযোগের গুরুত্ব বিবেচনা করে স্থানীয় এনজিও ও এমপির আর্থিক সহযোগিতায় প্রায় ৩ বছর আগে বকাঠের সাঁকো নির্মাণ করা হয়। কিন্তু গত ৩০ সেপ্টেম্বর পানির স্রোত ও কচুরিপানার চাপে  সাঁকোটি ভেঙে যায়। এতে সাধারণ মানুষ ভোগান্তিতে পড়েছেন।

বিশেষ করে বুড়াইল নদীর দুই পাড়ের প্রায় ৪০ থেকে ৫০ হাজার মানুষ চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। জরুরি প্রয়োজনে মানুষ ডিঙ্গি নৌকায় পাড়াপাড়া হচ্ছেন। অনেকেই ২০ কিলোমিটার ঘুরে যাতায়াত করছেন।

খোর্দ্দা গ্রামের বাসিন্দা মকবুল হোসেন বলেন, ওই স্থানে সেতু নির্মাণসহ খোর্দ্দা ও লাটশালা গ্রামের রাস্তা পাকা করা দরকার।

তারাপুর ইউনিয়নের জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন বলেন, রাস্তার বেহাল দশাসহ সেতু নির্মাণ না করায় দীর্ঘদিন থেকে অত্রালাকার লোকজন চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।

খোর্দ্দা ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য শাহ আলম মিয়া বলেন, প্রতি বছর এ সাকো মেরামত করতে অনেক টাকা ব্যয় হয়। এলাকাবাসি ও জনপ্রতিনিধির আর্থিক সহযোগিতায় এ ব্যয় নির্বাহ করা হয়। তাই স্থায়ী সেতু নির্মাণ করা দরকার।

এ বিষয়ে তারাপুর ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম বলেন, বুড়াইল নদীর ওপর একটি সেতু নির্মাণ মানুষের  প্রাণের দাবি।

এ বিষয়ে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) শামসুল আরেফিন খান বলেন, খোর্দ্দা ও লাটশালা গ্রামে যোগাযোগের জন্য রাস্তা পাকাকরণসহ বুড়াইল নদীর ওপর সেতু নির্মাণ কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

জনপ্রিয়

পানির চাপে ভেঙে গেল কাঠের সাঁকো, দুর্ভোগ চরমে

প্রকাশের সময়: ০৭:১৮:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ অক্টোবর ২০২৩

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বুড়াইল নদীর ওপর নির্মিত কাঠের সাঁকোটি পানির চাপে ভেঙেছে। ফলে দুপাড়ের সহস্রাধিক মানুষ চলাচলে চরম দুর্ভোগে পড়েছে। বিকল্প হিসেবে ডিঙ্গি নৌকায় ঝুঁকি নিয়ে চলছে এলাকাবাসী।

স্থানীয়রা জানায় , উপজেলার  তারাপুর ইউনিয়নের খোর্দ্দা গ্রামে বুড়াইল নদীর ওপর প্রায় ৬ বছর আগে সাঁকোটি নির্মাণ করতেন। তখন থেকেই বুড়াইল নদীর পশ্চিমে নিজামখাঁ ঘগোয়া, চাচিয়া, তালেরহাট, তাম্বুলপুর, পীরগাছা ও পূর্বে চরখোর্দ্দা, চর লাটশালা, চর তারাপুরসহ উলিপুর উপজেলার লোকজন পাড়াপাড়া হতেন। এ অবস্থায় এলাকাবাসি একটি সেতু নির্মাণের দাবি জানান। কিন্তু তা আজও বাস্তবায়ন হয়নি। স্বাধীনতার ৫২ বছর পরও এ অবহেলিত এলাকার প্রতি কেউ তাকায়নি। তবুও যোগাযোগের গুরুত্ব বিবেচনা করে স্থানীয় এনজিও ও এমপির আর্থিক সহযোগিতায় প্রায় ৩ বছর আগে বকাঠের সাঁকো নির্মাণ করা হয়। কিন্তু গত ৩০ সেপ্টেম্বর পানির স্রোত ও কচুরিপানার চাপে  সাঁকোটি ভেঙে যায়। এতে সাধারণ মানুষ ভোগান্তিতে পড়েছেন।

বিশেষ করে বুড়াইল নদীর দুই পাড়ের প্রায় ৪০ থেকে ৫০ হাজার মানুষ চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। জরুরি প্রয়োজনে মানুষ ডিঙ্গি নৌকায় পাড়াপাড়া হচ্ছেন। অনেকেই ২০ কিলোমিটার ঘুরে যাতায়াত করছেন।

খোর্দ্দা গ্রামের বাসিন্দা মকবুল হোসেন বলেন, ওই স্থানে সেতু নির্মাণসহ খোর্দ্দা ও লাটশালা গ্রামের রাস্তা পাকা করা দরকার।

তারাপুর ইউনিয়নের জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন বলেন, রাস্তার বেহাল দশাসহ সেতু নির্মাণ না করায় দীর্ঘদিন থেকে অত্রালাকার লোকজন চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।

খোর্দ্দা ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য শাহ আলম মিয়া বলেন, প্রতি বছর এ সাকো মেরামত করতে অনেক টাকা ব্যয় হয়। এলাকাবাসি ও জনপ্রতিনিধির আর্থিক সহযোগিতায় এ ব্যয় নির্বাহ করা হয়। তাই স্থায়ী সেতু নির্মাণ করা দরকার।

এ বিষয়ে তারাপুর ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম বলেন, বুড়াইল নদীর ওপর একটি সেতু নির্মাণ মানুষের  প্রাণের দাবি।

এ বিষয়ে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) শামসুল আরেফিন খান বলেন, খোর্দ্দা ও লাটশালা গ্রামে যোগাযোগের জন্য রাস্তা পাকাকরণসহ বুড়াইল নদীর ওপর সেতু নির্মাণ কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।