তোফায়েল হোসেন জাকির: গাইবান্ধার পুলিশ লাইনন্সসহ বিভিন্ন থানা ও ফাঁড়ির চত্বরের পতিত জায়গায়গুলো এখন বিভিন্ন ফসল ভাণ্ডারে পরিণত হচ্ছে। এসব চত্বরে ঢুকলেই নজরকাড়ে লাল-সবুজের সমারোহ। এ অঞ্চলের জনসাধারণ থানায় সেবা নিতে এসে শাক-সবজি চাষেও পুলিশের সঙ্গে অভিজ্ঞতা বিনিময় করছেন।
সম্প্রতি গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ, সাদুল্লাপুর, ফুলছড়িসহ আরও বিভিন্ন থানা ও ফাঁড়ি ক্যাম্পাসে দেখা গেছে- হরেকরকম ফসল উৎপাদনের দৃশ্য। এখানে বেগুন, মূলা শাক, লাল শাক, কলমি শাক, ফুলকপি, পেঁপে, পুঁই শাক, ঢেঁড়স, সরিষা শাক, পালং শাক, টমেটো, হলুদ, আদাসহ নানা জাতের শাক-সবজি হচ্ছে।
জানা যায়, গাইবান্ধা পুলিশ সুপার কামাল হোসেনের উদ্যোগে জেলার থানা ও ফাঁড়ি চত্বরগুলোতে বিভিন্ন জাতের মৌসুমি শাক-সবজি চাষাবাদ শুরু করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতা অব্যাহত রেখে নানা ফসল রোপণ-বপণ ও উৎপাদনে ঝুঁকছে পুলিশ। আর পরিচর্যা করে চলেছেন নিজেরাই। এ থেকে পুষ্টি চাহিদা পূরণের চেষ্টা করছেন তারা।
সুন্দরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কেএম আজমিরুজ্জামান বলেন, পুলিশ সুপার মহোদয়ের সার্বিক দিকনির্দেশনায় আমাদের থানা চত্বরে নানা ধরণের শাক-সবজি উৎপাদন করছি। এতে করে সকল পুলিশ সদস্যদের চাহিদা মেটানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।
গাইবান্ধা কৃষি বিভাগের উপপরিচালক খোরশেদ আলম বলেন, এ জেলার মাটি কৃষি ফসল উৎপাদনে অত্যান্ত উপযোগি। এখানে বানিজ্যিকভাবে শাক-সবজি আবাদ করাসহ পুষ্টি চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে পারিবাবারিক পুষ্টিবাগান করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে থানা চত্বরগুলোতে ফসল উৎপাদন ক্ষেত্রে পুলিশকে সার্বিক পরামর্শ প্রদানা করা হচ্ছে।
গাইবান্ধা পুলিশ সুপার কামাল হোসেন জানান, দেশের এক ইঞ্চি মাটিও যেন অনাবাদি না থাকে” মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এ নির্দেশনা বাস্তবায়ন কল্পে পুলিশের সকল ইউনিট চত্বরের পতিত স্থানে বিভিন্ন প্রজাতির মৌসুমি শাক-সবজি চাষ করা হচ্ছে।
তোফায়েল হোসেন জাকির 
























