গাইবান্ধা সদর উপজেলার পশ্চিম কোমরনই গ্রামের” পশ্চিম কোমরনই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪র্থ তলা ভিতবিশিষ্ট ৩য় তলা নতুন ভবন উদ্ধোধন করেন ও বক্তব্য রাখেন- গাইবান্ধা সদর -২ আসন সংসদ ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় স্থায়ী কমিটির সদস্য শাহ সারোয়ার কবীর (এমপি)। ফলক উন্মোচন পরবর্তী দোয়া মোনাজাত করা হয়।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর ( এলজিইডি)র অধিনে ও শহরের সাদুল্লাপুর রোডস্থ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স সাজিন ট্রেডার্স এর বাস্তবায়নে ১ কোটি ১৫ লাখ ২৩ হাজার ১৫৬ টাকা ব্যায়ে ভবনটি নির্মিত হয়।
পশ্চিম কোমরনই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আয়োজনে বুধবার অত্র বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে নতুন ভবন উদ্ধোধনে আলোচনা সভায় অত্র বিদ্যালয়ের সভাপতি মো: এনামুল হক সভাপতিত্বে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন -সদর উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী বাবলু মিয়া,সদর উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার সেলিম আহমেদ,অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোছাঃ আফরিদা ইয়াছমিন, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ঠিকাদার মো: ছামছুল আলম বিপন, বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সদস্য এন্তাজ মিয়া, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ খোলাহাটি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক ফিমুছার রহমান ফিজার সহ অনেকে।
“পশ্চিম কোমরনই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণীর শিক্ষার্থী মাহিদা বানু বলে- আমাদের বিদ্যালয়ের আগের ভবনটি অনেক পুরনো। বর্ষা মৌসুমে ব্লিডিং এর চাল ও দেয়াল দিয়ে গায়ে বৃষ্টি পড়তো। দেয়াল এর প্লাষ্টার ভেঙে গায়ে পড়ার ভয় পেতাম। এতে করে আমরা মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করতে পারতাম না। আমাদের পড়াশোনা করতে সমস্যা হতো। এখন সরকার আমাদের নতুন ভবন করে দিয়েছে। এখন থেকে নতুন ক্লাস কক্ষে পাঠদান করতে পারবো। এখন মনোযোগ দিয়ে স্বাছন্দ্যর সাথে পড়াশোনা করতে পারব ও মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করব।
আরেক শিক্ষার্থী বলে – আমাদের এই বিদ্যালয়ে পুরাতন ভবনে ফ্যান ছিলনা। গরমে অনেক কষ্ট পেতাম। মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করতে পারতাম না। এখন নতুন ভবনে ফ্যান থাকায় আমরা ফ্যানের বাতাস উপভোগ করে ভালভাবে আনন্দের সাথে পড়াশোনা করতে পারব।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক “মোছাঃ আফরিদা ইয়াছমিন বলেন- আমি ২০০৯ সালে এই বিদ্যালয়ে যোগদান করি। যোগদান করার পরে খেলাধুলার পর্যাপ্ত মাঠ, শ্রেণিকক্ষ ও অফিস কক্ষের অভাব ছিলো । একটি মাত্র জরাজীর্ণ কক্ষে কষ্ট করে স্কুলের দাপ্তরিক কাজ সম্পন্ন করতে হতো। অত্র বিদ্যালয়ে অফিস কক্ষ ও দুটো ক্লাস রুম থাকায় ১ম শ্রেনী থেকে ৫ম শ্রেণী পর্যন্ত ৩ টি সঙ্কীর্ণ এবং জরাজীর্ণ অফিস কক্ষে অফিস করা ও শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের পাঠদান খুবই কষ্টদায়ক ছিলো। শিক্ষার্থীদের শ্রেণিপাঠে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছে। আগে ভয় ছিলো যে কোন মূহুর্তে পুরাতন বিল্ডিংয়ের ওয়াল ভেঙ্গে পড়তে পারে। এখন আর সে ভয় নেই।
বর্তমানে এই নতুন ভবন হওয়ায় শ্রেণি পাঠদানে অনেক সুবিধা হবে বলে। এবং শিক্ষার্থী মনোরোম পরিবেশে ও সৃজনশীলতার শিখতে পারবে তারা আনন্দের সহিত শ্রেণিপাঠের অংশগ্রহণ করবেও শ্রেণি পাঠদানের পরিবেশও আগের থেকে আনন্দদায়ক হয়ে উঠবে।
সঞ্জয় সাহা, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট 
























