সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শ্রীকৃঞ্চের জন্মাষ্টমীতে চাঁদা দাবিতে মারামারি, থানায় এজাহার

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের ধর্মপুর রাধা গোবিন্দ (নাট) মন্দিরে চাঁদা দাবির অভিযোগ কমলেশ চন্দ্র বর্মনের (৫০) বিরুদ্ধে।  এতে অস্বীকৃতি জানালে প্রতিপক্ষের লোকজনদের বেধড়ক মারধর করা হয়। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হন ৪ ব্যাক্তি। পরে ১৬ জনকে আসামি করে থানায় এজাহার দেন প্রশান্ত কুমার সরকার (৪২)।  কমলেশ চন্দ্র বর্মন শ্রীপুর ইউনিয়নের খামার ধুবনী গ্রামের মৃত হরলাল চন্দ্র সরকারের ছেলে ও প্রশান্ত কুমার সরকার ছাপড়হাটী ইউনিয়নের পূর্ব ছাপড়হাটী গ্রামের মৃত কান্তি ভূষণ সরকারের ছেলে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন গুরুতর আহত ৪ ব্যাক্তি হলেন, ছাপড়হাটী ইউনিয়নের পূর্ব ছাপড়হাটী গ্রামের মৃত কান্তি ভূষণ সরকারের ছেলে প্রশান্ত কুমার সরকার (৪২), ধর্মপুর গ্রামের সুবীর চন্দ্র মহন্তের ছেলে বিসু চন্দ্র মহন্ত (৪৪), মৃত গজেন চন্দ্র মহন্তের ছেলে আশুতোষ চন্দ্র মহন্ত (৪৩) ও মৃত ধুমালু চন্দ্র মোদকের ছেলে সুদর্শন চন্দ্র মোদক (৬৫)।

তবে চাঁদা দাবির বিষয়টি অস্বীকার করেন কমলেশ চন্দ্র বর্মন। তিনি বলেন, মিটিং চলাকালে প্রশান্ত কুমার সরকার বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেন। এতে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতন্ডা এবং পরে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। আমাদের পক্ষের লোকজনও আহত হয়েছেন বলেও জানান কমলেশ চন্দ্র বর্মন।

এজাহারে উল্লেখ আছে, কমলেশ চন্দ্র বর্মন ও মিষ্টি ভূষণ সরকার শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন প্রশান্ত কুমার সরকারের কাছে। এতে তিনি অস্বীকৃতি জানানে তাঁরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং পুজা দিতে আসলে জানে মেরে ফেলার হুমকিও দেন। পরে গত ২৪ আগস্ট/২৪ সন্ধা সাড়ে ৭ টার দিকে পরিবারের লোকজনসহ প্রশান্ত কুমার সরকার ওই মন্দিরে পুজা দিতে আসেন। এ সময় কমলেশ চন্দ্র বর্মন তাঁর লোকজনসহ প্রশান্ত কুমার সরকারের পরিবারের লোকজনদের উপর হামলা চালায়। এতে গুরুতর আহত হলে স্থানীয়রা তাঁদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান।

মঙ্গলবার সকাল ১০ টার দিকে  এ বিষয়ে কথা হয় থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাহবুব আলমের সাথে। তিনি বলেন, ‘অভিযোগ পেয়েছি। এ বিষয়ে পুলিশ ব্যাপক তৎপর আছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।’

জনপ্রিয়

শ্রীকৃঞ্চের জন্মাষ্টমীতে চাঁদা দাবিতে মারামারি, থানায় এজাহার

প্রকাশের সময়: ০৬:৪০:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৪

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের ধর্মপুর রাধা গোবিন্দ (নাট) মন্দিরে চাঁদা দাবির অভিযোগ কমলেশ চন্দ্র বর্মনের (৫০) বিরুদ্ধে।  এতে অস্বীকৃতি জানালে প্রতিপক্ষের লোকজনদের বেধড়ক মারধর করা হয়। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হন ৪ ব্যাক্তি। পরে ১৬ জনকে আসামি করে থানায় এজাহার দেন প্রশান্ত কুমার সরকার (৪২)।  কমলেশ চন্দ্র বর্মন শ্রীপুর ইউনিয়নের খামার ধুবনী গ্রামের মৃত হরলাল চন্দ্র সরকারের ছেলে ও প্রশান্ত কুমার সরকার ছাপড়হাটী ইউনিয়নের পূর্ব ছাপড়হাটী গ্রামের মৃত কান্তি ভূষণ সরকারের ছেলে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন গুরুতর আহত ৪ ব্যাক্তি হলেন, ছাপড়হাটী ইউনিয়নের পূর্ব ছাপড়হাটী গ্রামের মৃত কান্তি ভূষণ সরকারের ছেলে প্রশান্ত কুমার সরকার (৪২), ধর্মপুর গ্রামের সুবীর চন্দ্র মহন্তের ছেলে বিসু চন্দ্র মহন্ত (৪৪), মৃত গজেন চন্দ্র মহন্তের ছেলে আশুতোষ চন্দ্র মহন্ত (৪৩) ও মৃত ধুমালু চন্দ্র মোদকের ছেলে সুদর্শন চন্দ্র মোদক (৬৫)।

তবে চাঁদা দাবির বিষয়টি অস্বীকার করেন কমলেশ চন্দ্র বর্মন। তিনি বলেন, মিটিং চলাকালে প্রশান্ত কুমার সরকার বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেন। এতে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতন্ডা এবং পরে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। আমাদের পক্ষের লোকজনও আহত হয়েছেন বলেও জানান কমলেশ চন্দ্র বর্মন।

এজাহারে উল্লেখ আছে, কমলেশ চন্দ্র বর্মন ও মিষ্টি ভূষণ সরকার শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন প্রশান্ত কুমার সরকারের কাছে। এতে তিনি অস্বীকৃতি জানানে তাঁরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং পুজা দিতে আসলে জানে মেরে ফেলার হুমকিও দেন। পরে গত ২৪ আগস্ট/২৪ সন্ধা সাড়ে ৭ টার দিকে পরিবারের লোকজনসহ প্রশান্ত কুমার সরকার ওই মন্দিরে পুজা দিতে আসেন। এ সময় কমলেশ চন্দ্র বর্মন তাঁর লোকজনসহ প্রশান্ত কুমার সরকারের পরিবারের লোকজনদের উপর হামলা চালায়। এতে গুরুতর আহত হলে স্থানীয়রা তাঁদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান।

মঙ্গলবার সকাল ১০ টার দিকে  এ বিষয়ে কথা হয় থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাহবুব আলমের সাথে। তিনি বলেন, ‘অভিযোগ পেয়েছি। এ বিষয়ে পুলিশ ব্যাপক তৎপর আছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।’