সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জাতীয় সংগীত ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে গাইবান্ধায় শিল্পীগোষ্ঠীর মানববন্ধন

জাতীয় সংগীত নিয়ে ষড়যন্ত্র রুখে দাঁড়াও, পথে নামো, কন্ঠে ধরো- এই শ্লোগানকে সামনে রেখে  গাইবান্ধায় উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর আয়োজনে মানববন্ধন পালন করা হয়।

শুক্রবার (৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১ টার দিকে গাইবান্ধা শহীদ মিনার চত্বরে ” আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালবাসি” জাতীয় সংগীত গান শুরু করেন- উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী গাইবান্ধা জেলা সংসদ সহ-সভাপতি শিল্পী চুনি ইসলাম।

এতে উপস্থিত বিভিন্ন বয়সী শিশু-নারী ও পুরুষ সমবেত কন্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করেন। এর আগে উদীচী শিল্পী গোষ্ঠীর সভাপতি অধ্যাপক জহুরুল কাইয়ুমের সভাপতিত্বে সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন- বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক মাজহার উল মান্নান।

সাংস্কৃতিক সংগঠক শিরীন আক্তার মতামত ব্যাক্ত করে বলেন- জাতীয় সংগীত পরিবর্তন মেনে নেওয়ার মত না। জাতীয় সংগীত আমাদের থাকবে। পরিবর্তন দাবি যেই তুলুক না কেন এটা প্রতিহত করা হবে। যতদিন বাংলাদেশ থাকবে, ততদিন আমাদের জাতীয় সংগীত থাকবে। আমরা গাইবো আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি।

বাংলাদেশ উদীচী  শিল্পীগোষ্ঠী গাইবান্ধা জেলা সংসদের সভাপতি অধ্যাপক জহুরুল কাইয়ুম প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন- ১৯৭১ সালের সংঘটিত মহান মুক্তিযুদ্ধ সেই যুদ্ধের মাধ্যমে আমরা কতগুলো বিষয় অর্জন করি। ৩০ লক্ষ মানুষের রক্তের বিনিময়ে আমরা সেই অর্জন গুলো করি।  আমাদের অন্যতম দিনগুলো হলো জাতীয় পতাকা ও জাতীয় সংগীত। সেই সংগীত ও পতাকার সম্পর্কে যখন ষড়যন্ত্রমূলক অবমাননাকর কথা উঠে তখন আমরা ক্ষুব্ধ হই। সেই ক্ষুব্ধতার বহিঃপ্রকাশের জেরে আমরা উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী মনে করি এর চূড়ান্ত প্রতিবাদ হওয়া দরকার। একটি দল মতের বিষয় না। এটি সর্বজনীন স্বীকৃত। সে কারনে আমরা মনে করি জাতীয় সংগীত গাইব। আমরা জানিয়ে দিব আমাদের জাতীয় সংগীতটি আমাদের অত্যন্ত প্রিয়। সেটি কোন কারনে হাতছাড়া করতে দিব না।  যারা ১৯৭১ সালের যুদ্ধকে অস্বীকার করে। ৩০ লক্ষ শহীদের রক্তকে অস্বীকার করে তাদেরই এই চক্রান্ত। ভবিষ্যতেও আমরা এটাকে সংঘটিত করবো।

জনপ্রিয়

জাতীয় সংগীত ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে গাইবান্ধায় শিল্পীগোষ্ঠীর মানববন্ধন

প্রকাশের সময়: ০২:০২:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪

জাতীয় সংগীত নিয়ে ষড়যন্ত্র রুখে দাঁড়াও, পথে নামো, কন্ঠে ধরো- এই শ্লোগানকে সামনে রেখে  গাইবান্ধায় উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর আয়োজনে মানববন্ধন পালন করা হয়।

শুক্রবার (৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১ টার দিকে গাইবান্ধা শহীদ মিনার চত্বরে ” আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালবাসি” জাতীয় সংগীত গান শুরু করেন- উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী গাইবান্ধা জেলা সংসদ সহ-সভাপতি শিল্পী চুনি ইসলাম।

এতে উপস্থিত বিভিন্ন বয়সী শিশু-নারী ও পুরুষ সমবেত কন্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করেন। এর আগে উদীচী শিল্পী গোষ্ঠীর সভাপতি অধ্যাপক জহুরুল কাইয়ুমের সভাপতিত্বে সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন- বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক মাজহার উল মান্নান।

সাংস্কৃতিক সংগঠক শিরীন আক্তার মতামত ব্যাক্ত করে বলেন- জাতীয় সংগীত পরিবর্তন মেনে নেওয়ার মত না। জাতীয় সংগীত আমাদের থাকবে। পরিবর্তন দাবি যেই তুলুক না কেন এটা প্রতিহত করা হবে। যতদিন বাংলাদেশ থাকবে, ততদিন আমাদের জাতীয় সংগীত থাকবে। আমরা গাইবো আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি।

বাংলাদেশ উদীচী  শিল্পীগোষ্ঠী গাইবান্ধা জেলা সংসদের সভাপতি অধ্যাপক জহুরুল কাইয়ুম প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন- ১৯৭১ সালের সংঘটিত মহান মুক্তিযুদ্ধ সেই যুদ্ধের মাধ্যমে আমরা কতগুলো বিষয় অর্জন করি। ৩০ লক্ষ মানুষের রক্তের বিনিময়ে আমরা সেই অর্জন গুলো করি।  আমাদের অন্যতম দিনগুলো হলো জাতীয় পতাকা ও জাতীয় সংগীত। সেই সংগীত ও পতাকার সম্পর্কে যখন ষড়যন্ত্রমূলক অবমাননাকর কথা উঠে তখন আমরা ক্ষুব্ধ হই। সেই ক্ষুব্ধতার বহিঃপ্রকাশের জেরে আমরা উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী মনে করি এর চূড়ান্ত প্রতিবাদ হওয়া দরকার। একটি দল মতের বিষয় না। এটি সর্বজনীন স্বীকৃত। সে কারনে আমরা মনে করি জাতীয় সংগীত গাইব। আমরা জানিয়ে দিব আমাদের জাতীয় সংগীতটি আমাদের অত্যন্ত প্রিয়। সেটি কোন কারনে হাতছাড়া করতে দিব না।  যারা ১৯৭১ সালের যুদ্ধকে অস্বীকার করে। ৩০ লক্ষ শহীদের রক্তকে অস্বীকার করে তাদেরই এই চক্রান্ত। ভবিষ্যতেও আমরা এটাকে সংঘটিত করবো।