রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সিলগালা সেই চালগুলো ৩০০ পরিবারকে দিলেন উপজেলা প্রশাসন

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার কাপাসিয়া ইউনিয়নের সিলগালা ত্রাণের সেই চালগুলো সুবিধাভোগীদের হাতে তুলে দিয়েছেন উপজেলা প্রশাসন। এসময় তিনশো পরিবারকে ১০ কেজি করে চাল দেয়া হয়।

সোমবার দুপুরের দিকে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মাসুদুর রহমান নিজেই উপস্থিত থেকে সুবিধাভোগীদের হাতে চালগুলো তুলে দেন। এর আগে ইউনিয়নের কছিম বাজারের গোডাউনে সিলগালাকৃত চালগুলো প্রথমে কাকড়ায় এবং পরে নৌকা যোগে নিয়ে যান বিতরণের জায়গায়।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. ওয়ালিফ মন্ডল, পুলিশ প্রশাসন, গণমাধ্যম কর্মী, সংশ্লিষ্ট ট্যাগ অফিসার, ইউনিয়ন পরিষদ সচিব ও গ্রাম্য পুলিশসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন চাল বিতরণকালে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, সিলগালা কৃত চালগুলো সুবিধাভোগীদের মাঝে বিতরণের জন্য নির্দেশ দেই। পরে সে মোতাবেক সহকারী কমিশনার (ভূমি) সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে চালগুলো বানভাসিদের মাঝে বিতরণ করেন।

তিনি আরও বলেন, এ-র আগে গত রোববার রাতে সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে লোক পাঠাই। সেখানে ৩০ কেজি ওজনের একশো বস্তা চাল পাওয়া যায়। পরে সেগুলো সিলগালা করে রাখা হয়েছিলো।
এক প্রশ্নের জবাবে ইউএনও বলেন, তদন্ত সাপেক্ষে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

উল্লেখ্য, বন্যাদুর্গত মানুষের জন্য গত মাসের প্রথম সপ্তাহে চাউল উত্তোলন করেন কাপাসিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. মঞ্জু মিয়া। পরিষদে চাউলগুলো না রেখে কছিম বাজারের মো. জাহাঙ্গীর আলমের গোডাউনে রাখেন চেয়ারম্যান। বন্যা পার হলেও চালগুলো বিতরণ করেননি তিনি। এলাকাবাসীর ধারণা চালগুলো গোপনে বিক্রি করার জন্য চেয়ারম্যান গোডাউনে রেখেছেন। পরে সংবাদ পেয়ে উপজেলা প্রশাসন ঘটনাস্থলে অভিযান চালায়। ৩০ কেজি ওজনের একশো বস্তা চাল সেখানে পাওয়া যায়। পরে চালগুলো গোডাউনসহ সিলগালা করে রেখে ছিলেন উপজেলা প্রশাসন।

জনপ্রিয়

সিলগালা সেই চালগুলো ৩০০ পরিবারকে দিলেন উপজেলা প্রশাসন

প্রকাশের সময়: ০৫:৪৩:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার কাপাসিয়া ইউনিয়নের সিলগালা ত্রাণের সেই চালগুলো সুবিধাভোগীদের হাতে তুলে দিয়েছেন উপজেলা প্রশাসন। এসময় তিনশো পরিবারকে ১০ কেজি করে চাল দেয়া হয়।

সোমবার দুপুরের দিকে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মাসুদুর রহমান নিজেই উপস্থিত থেকে সুবিধাভোগীদের হাতে চালগুলো তুলে দেন। এর আগে ইউনিয়নের কছিম বাজারের গোডাউনে সিলগালাকৃত চালগুলো প্রথমে কাকড়ায় এবং পরে নৌকা যোগে নিয়ে যান বিতরণের জায়গায়।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. ওয়ালিফ মন্ডল, পুলিশ প্রশাসন, গণমাধ্যম কর্মী, সংশ্লিষ্ট ট্যাগ অফিসার, ইউনিয়ন পরিষদ সচিব ও গ্রাম্য পুলিশসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন চাল বিতরণকালে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, সিলগালা কৃত চালগুলো সুবিধাভোগীদের মাঝে বিতরণের জন্য নির্দেশ দেই। পরে সে মোতাবেক সহকারী কমিশনার (ভূমি) সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে চালগুলো বানভাসিদের মাঝে বিতরণ করেন।

তিনি আরও বলেন, এ-র আগে গত রোববার রাতে সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে লোক পাঠাই। সেখানে ৩০ কেজি ওজনের একশো বস্তা চাল পাওয়া যায়। পরে সেগুলো সিলগালা করে রাখা হয়েছিলো।
এক প্রশ্নের জবাবে ইউএনও বলেন, তদন্ত সাপেক্ষে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

উল্লেখ্য, বন্যাদুর্গত মানুষের জন্য গত মাসের প্রথম সপ্তাহে চাউল উত্তোলন করেন কাপাসিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. মঞ্জু মিয়া। পরিষদে চাউলগুলো না রেখে কছিম বাজারের মো. জাহাঙ্গীর আলমের গোডাউনে রাখেন চেয়ারম্যান। বন্যা পার হলেও চালগুলো বিতরণ করেননি তিনি। এলাকাবাসীর ধারণা চালগুলো গোপনে বিক্রি করার জন্য চেয়ারম্যান গোডাউনে রেখেছেন। পরে সংবাদ পেয়ে উপজেলা প্রশাসন ঘটনাস্থলে অভিযান চালায়। ৩০ কেজি ওজনের একশো বস্তা চাল সেখানে পাওয়া যায়। পরে চালগুলো গোডাউনসহ সিলগালা করে রেখে ছিলেন উপজেলা প্রশাসন।