বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন- ছাত্র-জনতার আন্দোলনে অর্জিত এ দেশকে ফ্যাসিবাদের হাত থেকে যারা মুক্ত করেছে সেই সকল শহীদদের প্রতি আমরা চির কৃতজ্ঞ। আমরা সর্ববস্থায় সেই সকল শহীদ পরিবারের পাশে আছি। আজ এ দেশ ফ্যাসিবাদ মুক্ত হয়েছে এ দেশকে নতুন করে গড়তে হবে। যারা শহীদ হয়েছেন তারা আমাদের নিকট জাতীয় বীর। শহীদ পরিবারের স্বজনদের চোখের পানি ইতিহাস হয়ে থাকবে। বাংলাদেশের মানুষ সেই ইতিহাসে ফ্যাসিবাদের পালিয়ে যাওয়ার ইতিহাস পড়বে।
সোমবার (৯ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী গাইবান্ধা জেলা শাখার উদ্যোগে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শহীদ ৬ পরিবারের সদস্যদের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে এসব কথা বলেন তিনি।
মিয়া গোলাম পরওয়া বলেন- যারা গুলি চালিয়ে আমার দেশের ছাত্রকে হত্যা করে লাশে আগুন ধরিয়ে দেয় তাদের বিচার করতেই হবে। আমরা এই নির্মম, নৃসংশ হত্যাকান্ডের সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি চাই। যারা ফ্যাসিবাদ কায়েম করে গণহত্যা চালিয়েছে জামায়াত নেতৃবৃন্দকে ফাঁসিকাষ্ঠে ঝুলিয়ে হত্যা করেছে, গুম করেছে দেশের মানুষ তাদেও কোনদিন ফ্যাসিবাদেও ফিরে আসতে দেবে না।
গাইবান্ধা হোটেল আর রহমান কমিউনিটি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন- গাইবান্ধা জেলা আমীর মো. আব্দুল করিম।
এসময় বিশেষ অতিথি ছিলেন- সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম, কেন্দ্রীয় ইউনিট সদস্য ও জেলা আমীর ডা. আব্দুর রহিম সরকার।
গাইবান্ধা জেলা সেক্রেটারি মাওলানা জহুরুল হক সরকারের সঞ্চালনায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন- জেলা নায়েবে আমীর বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল ওয়ারেছ, অধ্যাপক মাজেদুর রহমান, জেলা সহকারী সেক্রেটারি সৈয়দ আব্দুস সালেক, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ মাওলানা নজরুল ইসলাম, মাওলানা সাইদুর রহমান, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের জেলা সভাপতি নুরুন্নবী প্রধান, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য মো. সাইফুল ইসলাম মন্ডল, মো. ফয়সাল কবির, ইসলামী ছাত্রশিবিরের জেলা সভাপতি ওমর সানি আকন্দ, জেলা সেক্রেটারী ফেরদৌস সরকার রুম্মান প্রমুখ।
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট 


















