রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সাদুল্লাপুরে প্রবাসীর স্থাপনায় হামলা ও ভাংচুরের অভিযোগ

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় জমি সংক্রান্ত বিরোধে রবিউল ইসলাম নামের এক প্রবাসীর স্থাপনায় হামলা ও ভাংচুরের অভিযোগ উঠেছে। উত্তেজনামূলক এ ঘটনায় চরম আতঙ্কে দিনরাত কাটছে বলে জানিয়েছেন ভূক্তভোগির স্ত্রী মনিরা বেগম ও তার স্বজনরা।

এ বিষয়ে দুপুরের দিকে সরেজমিনে উপজেলার দক্ষিণ ভাতগ্রামে গিয়ে দেখা যায় ভাংচুরের চিত্র। সেখানে একটি টিনসেড ঘর ও ইটের প্রাচীর ভাংচুর অবস্থায় দেখা গেছে। আর এই জায়গায় অবকাঠামো নির্মাণ করেছেন অভিযুক্ত সামিউল রহমান

এসময় ভুক্তভোগি রবিউল ইসলামের স্ত্রী মনিরা বেগম জানায়, দক্ষিণ ভাতগ্রামের মৃত হাবিবুর রহমানের ছেলে সামিউল রহমানের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বসতবাড়ির ভিটা ভোগদখল নিয়ে মনোমালিন্য চলে আসছিল। এ অবস্থায় রবিউল ইসলাম ও তার ভাই কর্মের তাগিদে দেশের বাইরে অবস্থান করছেন। এরই সুযোগে গত ৯ সেপ্টেম্বর পুর্বপরিকল্পিতভাবে সামিউল রহমান তার লোকজন নিয়ে হামলা করেন। এ সময় রবিউলের একটি টিনসেড ঘর ও ইটের প্রাচীর ভাংচুর করা হয়।

মনিরা বেগম আরও বলেন, সামিউল রহমান গাইবান্ধা জেলা বিএনপির উপদেষ্টমণ্ডলীর সদস্য। তিনি সেই বলপ্রয়োগে স্থানীয় দলীয় কর্মীদের নিয়ে আমাদের স্থাপনায় অতর্কিত হামলায় ভাংচুর করাসহ জোরপূর্বক জমি দখলে নিয়েছে। একই সঙ্গে আমাদের স্বজনদের হুমকি প্রদর্শন করে আসছে। বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় আছি। বিষয়টি থানা পুলিশে অবগত করানো হয়েছে। এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন ভুক্তভোগি এই পরিবারটি।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত সামিউল রহমান বলেন, গত ২০০৭ সালে রবিউল ইসলাম গংদের কাছে জমি ক্রয় করেছি। তারা সেই জমি বুঝিয়ে না দেওয়ায় রবিউলদের স্থাপনা অপসারণ করে ক্রয়কৃত জমিটি বের করে নিয়ে অবকাঠামো নির্মাণ করা হচ্ছে।

সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, কিছুদিন আগে মনিরা বেগম নামের এক গৃহবধূর একটি অভিযোগ পেয়েছি। পরবর্তী কোন অভিযোগ হয়েছে কিনা সেটি দেখা হবে।

জনপ্রিয়

সাদুল্লাপুরে প্রবাসীর স্থাপনায় হামলা ও ভাংচুরের অভিযোগ

প্রকাশের সময়: ০৭:৫২:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৪

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় জমি সংক্রান্ত বিরোধে রবিউল ইসলাম নামের এক প্রবাসীর স্থাপনায় হামলা ও ভাংচুরের অভিযোগ উঠেছে। উত্তেজনামূলক এ ঘটনায় চরম আতঙ্কে দিনরাত কাটছে বলে জানিয়েছেন ভূক্তভোগির স্ত্রী মনিরা বেগম ও তার স্বজনরা।

এ বিষয়ে দুপুরের দিকে সরেজমিনে উপজেলার দক্ষিণ ভাতগ্রামে গিয়ে দেখা যায় ভাংচুরের চিত্র। সেখানে একটি টিনসেড ঘর ও ইটের প্রাচীর ভাংচুর অবস্থায় দেখা গেছে। আর এই জায়গায় অবকাঠামো নির্মাণ করেছেন অভিযুক্ত সামিউল রহমান

এসময় ভুক্তভোগি রবিউল ইসলামের স্ত্রী মনিরা বেগম জানায়, দক্ষিণ ভাতগ্রামের মৃত হাবিবুর রহমানের ছেলে সামিউল রহমানের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বসতবাড়ির ভিটা ভোগদখল নিয়ে মনোমালিন্য চলে আসছিল। এ অবস্থায় রবিউল ইসলাম ও তার ভাই কর্মের তাগিদে দেশের বাইরে অবস্থান করছেন। এরই সুযোগে গত ৯ সেপ্টেম্বর পুর্বপরিকল্পিতভাবে সামিউল রহমান তার লোকজন নিয়ে হামলা করেন। এ সময় রবিউলের একটি টিনসেড ঘর ও ইটের প্রাচীর ভাংচুর করা হয়।

মনিরা বেগম আরও বলেন, সামিউল রহমান গাইবান্ধা জেলা বিএনপির উপদেষ্টমণ্ডলীর সদস্য। তিনি সেই বলপ্রয়োগে স্থানীয় দলীয় কর্মীদের নিয়ে আমাদের স্থাপনায় অতর্কিত হামলায় ভাংচুর করাসহ জোরপূর্বক জমি দখলে নিয়েছে। একই সঙ্গে আমাদের স্বজনদের হুমকি প্রদর্শন করে আসছে। বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় আছি। বিষয়টি থানা পুলিশে অবগত করানো হয়েছে। এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন ভুক্তভোগি এই পরিবারটি।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত সামিউল রহমান বলেন, গত ২০০৭ সালে রবিউল ইসলাম গংদের কাছে জমি ক্রয় করেছি। তারা সেই জমি বুঝিয়ে না দেওয়ায় রবিউলদের স্থাপনা অপসারণ করে ক্রয়কৃত জমিটি বের করে নিয়ে অবকাঠামো নির্মাণ করা হচ্ছে।

সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, কিছুদিন আগে মনিরা বেগম নামের এক গৃহবধূর একটি অভিযোগ পেয়েছি। পরবর্তী কোন অভিযোগ হয়েছে কিনা সেটি দেখা হবে।