রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গাইবান্ধায় মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষাবৃত্তির চেক হস্তান্তর

এসকেএস ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে গাইবান্ধায় দ্বিতীয় দফায় কলেজ পড়ুয়া ১৮ জন দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীর মাঝে শিক্ষাবৃত্তির চেক হস্তান্তর করা হয়েছে।

পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন- পিকেএসএফ এর সহযোগিতায় রোববার (১৫ সেপ্টেম্বর) ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে প্রত্যেককে ১২ হাজার টাকার বৃত্তির চেক হস্তান্তর করা হয়।

উচ্চ শিক্ষায় এগিয়ে যেতে এ ধরণের সহায়তা পেয়ে খুশি শিক্ষার্থীরা। আট বছর ধরে গাইবান্ধা জেলার সাত উপজেলার ১ হাজার ১০০ দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীকে প্রায় দেড় কোটি টাকা শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করেছে সংস্থাটি।

দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীদের ঝরেপড়া রোধে উচ্চ শিক্ষায় উৎসাহিত করতে এমন উদ্যোগ বলে জানিয়েছেন এসকেএস ফাউন্ডেশনের নির্বাহী প্রধান রাসেল আহম্মেদ লিটন।

এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- এসকেএস ফাউন্ডেশনের ফাউন্ডেশনের অর্থ পরিচালক খোকন কুমার কুন্ডু, কমিউনিকেশন এন্ড এ্যাডভোকেসি পরিচালক জোসেফ হালদার, মাইক্রো ক্রেডিট পরিচালক ইমরান কবীর ও মানবসম্পদ বিভাগের উপ-পরিচালক মো. মাহফুজার রহমান।

জনপ্রিয়

গাইবান্ধায় মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষাবৃত্তির চেক হস্তান্তর

প্রকাশের সময়: ০৮:০৮:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪

এসকেএস ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে গাইবান্ধায় দ্বিতীয় দফায় কলেজ পড়ুয়া ১৮ জন দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীর মাঝে শিক্ষাবৃত্তির চেক হস্তান্তর করা হয়েছে।

পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন- পিকেএসএফ এর সহযোগিতায় রোববার (১৫ সেপ্টেম্বর) ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে প্রত্যেককে ১২ হাজার টাকার বৃত্তির চেক হস্তান্তর করা হয়।

উচ্চ শিক্ষায় এগিয়ে যেতে এ ধরণের সহায়তা পেয়ে খুশি শিক্ষার্থীরা। আট বছর ধরে গাইবান্ধা জেলার সাত উপজেলার ১ হাজার ১০০ দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীকে প্রায় দেড় কোটি টাকা শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করেছে সংস্থাটি।

দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীদের ঝরেপড়া রোধে উচ্চ শিক্ষায় উৎসাহিত করতে এমন উদ্যোগ বলে জানিয়েছেন এসকেএস ফাউন্ডেশনের নির্বাহী প্রধান রাসেল আহম্মেদ লিটন।

এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- এসকেএস ফাউন্ডেশনের ফাউন্ডেশনের অর্থ পরিচালক খোকন কুমার কুন্ডু, কমিউনিকেশন এন্ড এ্যাডভোকেসি পরিচালক জোসেফ হালদার, মাইক্রো ক্রেডিট পরিচালক ইমরান কবীর ও মানবসম্পদ বিভাগের উপ-পরিচালক মো. মাহফুজার রহমান।