রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পাবনায় বিদ্যুতায়িত হয়ে মা-মেয়ের মৃত্যু

Close up image of human hand holding cable

পাবনায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মেয়ে অরশা খাতুন (১৩) ও মা আরজিনা খাতুনের (৪৫) মৃত্যু হয়েছে। বুধবার ২৫ সেপ্টেম্বর বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে পাবনা সদর উপজেলার আতাইকুলা থানার আতইকুলা ইউনিয়নের কাচারপুর পূর্বপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
মারা যাওয়া দুইজন ওই গ্রামের মো. নবাব উদ্দিন খানের স্ত্রী-মেয়ে। অরশা খাতুন কাচারপুর দাখিল মাদরাসার ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার বিকেল ৪টার দিকে বৃষ্টিতে গোসল করছিল মেয়ে অরশা খাতুন। গোসল করে গোয়ালঘরে যাওয়ার সময় লোহার দরজায় ধরতেই বিদ্যুৎপৃষ্ট হয় অরশা। বিদ্যুতের তার ছিড়ে পুরো গোয়ালঘর বিদ্যুতায়িত হয়েছিল।
এ সময় মেয়েকে বাঁচাতে মা আরজিনা খাতুন এগিয়ে গেলে মেয়েসহ তিনিও বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মারা যান। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসছে। তাদের একনজর দেখতে বাড়িতে ভিড় করছেন স্থানীয়রা।
নিহতের স্বামী নবাব উদ্দিন খান কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, অনেক স্বপ্ন নিয়ে মেয়েকে মাদরাসায় পড়াচ্ছিলাম। মেয়ে আমার খুব মেধাবী ছিল। মেয়ের সঙ্গে স্ত্রীও চলে গেল। আজকে আমার সব স্বপ্ন ভেঙে চুরমার হয়ে গেল। আল্লাহ দুজনকে যেন জান্নাতবাসী করেন।
আতাইকুলা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুল ইসলাম বলেন, বৃষ্টিতে গোসল করে গোয়ালঘরে উঠতে গিয়ে প্রথমে মেয়ে বিদ্যুতায়িত হয়।
পরে তাকে উদ্ধার করতে গেলে মাও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। এতে ঘটনাস্থলেই মা-মেয়ে মারা যান। আমরা ঘটনাস্থলে আসছি।
বৃষ্টির দিন সবাইকে সতর্কতা অবলম্বন করতে পরামর্শ দেন পুলিশের এই কর্মকর্তা।
জনপ্রিয়

পাবনায় বিদ্যুতায়িত হয়ে মা-মেয়ের মৃত্যু

প্রকাশের সময়: ০৯:০০:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪
পাবনায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মেয়ে অরশা খাতুন (১৩) ও মা আরজিনা খাতুনের (৪৫) মৃত্যু হয়েছে। বুধবার ২৫ সেপ্টেম্বর বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে পাবনা সদর উপজেলার আতাইকুলা থানার আতইকুলা ইউনিয়নের কাচারপুর পূর্বপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
মারা যাওয়া দুইজন ওই গ্রামের মো. নবাব উদ্দিন খানের স্ত্রী-মেয়ে। অরশা খাতুন কাচারপুর দাখিল মাদরাসার ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার বিকেল ৪টার দিকে বৃষ্টিতে গোসল করছিল মেয়ে অরশা খাতুন। গোসল করে গোয়ালঘরে যাওয়ার সময় লোহার দরজায় ধরতেই বিদ্যুৎপৃষ্ট হয় অরশা। বিদ্যুতের তার ছিড়ে পুরো গোয়ালঘর বিদ্যুতায়িত হয়েছিল।
এ সময় মেয়েকে বাঁচাতে মা আরজিনা খাতুন এগিয়ে গেলে মেয়েসহ তিনিও বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মারা যান। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসছে। তাদের একনজর দেখতে বাড়িতে ভিড় করছেন স্থানীয়রা।
নিহতের স্বামী নবাব উদ্দিন খান কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, অনেক স্বপ্ন নিয়ে মেয়েকে মাদরাসায় পড়াচ্ছিলাম। মেয়ে আমার খুব মেধাবী ছিল। মেয়ের সঙ্গে স্ত্রীও চলে গেল। আজকে আমার সব স্বপ্ন ভেঙে চুরমার হয়ে গেল। আল্লাহ দুজনকে যেন জান্নাতবাসী করেন।
আতাইকুলা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুল ইসলাম বলেন, বৃষ্টিতে গোসল করে গোয়ালঘরে উঠতে গিয়ে প্রথমে মেয়ে বিদ্যুতায়িত হয়।
পরে তাকে উদ্ধার করতে গেলে মাও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। এতে ঘটনাস্থলেই মা-মেয়ে মারা যান। আমরা ঘটনাস্থলে আসছি।
বৃষ্টির দিন সবাইকে সতর্কতা অবলম্বন করতে পরামর্শ দেন পুলিশের এই কর্মকর্তা।