শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গাইবান্ধায় এইচএসসিতে অকৃতাকার্যে গলায় ফাঁস নিল শিক্ষার্থী

গাইবান্ধা সদর উপজেলার আব্দুল্লাহ আল নোমান (১৮) নামের এক শিক্ষার্থী গলায় ফাঁস নিয়ে আত্নহত্যা করেছে। এ বছর এইচএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ার অভিমানে গলায় ফাঁস দিয়েছে বলে স্বজনদের দাবি।

মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) দুপুর ১২ টার দিকে উপজেলার বল্লমঝাড় ইউনিয়নের কোমরপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

মৃত আব্দুল্লাহ আল নোমান কোমরপুর গ্রামের জিল্লুর রহমান মন্ডলের ছেলে।

স্বজনরা জানায়, আব্দুল্লাহ আল নোমান জেলার সাদুল্লাপুর সরকারি কলেজে থেকে ২০২৪ সালে অনুষ্ঠিত এইচএসসি পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগে অংশ নিয়েছিলো। আজ মঙ্গলবার এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল সে অকৃতকার্য হয়। এসময় বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে ঘরের ভেতর গলায় ফাঁস নেয়। এর কিছুক্ষণ পর তার বাবা ঘরে এসে দেখে গলায় ফাঁস দিয়েছে সে। তখন তাকে অজ্ঞান অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ বিষয়ে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীনুর ইসলাম তালুকদার বলেন, নিহতের বাবার অভিযোগে থানায় একটি অপমৃত মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

গাইবান্ধায় এইচএসসিতে অকৃতাকার্যে গলায় ফাঁস নিল শিক্ষার্থী

প্রকাশের সময়: ০৭:৪৬:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৪

গাইবান্ধা সদর উপজেলার আব্দুল্লাহ আল নোমান (১৮) নামের এক শিক্ষার্থী গলায় ফাঁস নিয়ে আত্নহত্যা করেছে। এ বছর এইচএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ার অভিমানে গলায় ফাঁস দিয়েছে বলে স্বজনদের দাবি।

মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) দুপুর ১২ টার দিকে উপজেলার বল্লমঝাড় ইউনিয়নের কোমরপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

মৃত আব্দুল্লাহ আল নোমান কোমরপুর গ্রামের জিল্লুর রহমান মন্ডলের ছেলে।

স্বজনরা জানায়, আব্দুল্লাহ আল নোমান জেলার সাদুল্লাপুর সরকারি কলেজে থেকে ২০২৪ সালে অনুষ্ঠিত এইচএসসি পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগে অংশ নিয়েছিলো। আজ মঙ্গলবার এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল সে অকৃতকার্য হয়। এসময় বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে ঘরের ভেতর গলায় ফাঁস নেয়। এর কিছুক্ষণ পর তার বাবা ঘরে এসে দেখে গলায় ফাঁস দিয়েছে সে। তখন তাকে অজ্ঞান অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ বিষয়ে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীনুর ইসলাম তালুকদার বলেন, নিহতের বাবার অভিযোগে থানায় একটি অপমৃত মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।