মেধাবী শিক্ষার্থী রমজান আকন্দ (২১)। স্বপ্ন ছিলো ইঞ্জিনিয়ার হয়ে বাবা-মায়ের মুখ উজ্জ্বল করবেন। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে মাত্র ২২ আগে গাজীপুর এলাকার একটি বেসরকার প্রতিষ্ঠানে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে চাকরিতে যোগদান করেন। সেখানেই থাকাবস্থায় আত্নহত্যা করেছে বলে জানিয়েছেন ওই যুবকের ভগ্নিপতি জুনাইদ মিয়া।
বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) সকালে গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের বড় জামালপুর গ্রামের বাড়িতে রমজান আকন্দের মরদেহ পৌঁছাছে স্বজনরা। এসময় পরিবার ও এলাকাবাসীর মাঝে শুরু হয় শোকের মাতম।
রমজান আকন্দ ওই গ্রামের হাবিবুর রহমান ঠান্ডার ছেলে ও জামালপুর ইউনিয়নের ৮নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক।
স্বজনরা জানায়, রমজান আকন্দ বেশ মেধাবী ছিলেন। ইতোমধ্যে কুড়িগ্রাম পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট থেকে ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স সম্পন্ন করেছেন। এরপর ছাত্রজীবন পাড়ি দিয়ে শুরু করেন কর্মজীবন। গত ২২ দিন আগে গাজীপুরের একটি ল্যাবে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে চাকরিতে যোগদান করেন। সেখানকার ভাড়া বাসায় গত ২১ অক্টোবর দিনগত রাতের যেকোন সময় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্নহত্যা করেছে। এরপর রমজান আকন্দের মরদেহ বৃহস্পতিবার সকালে গ্রামের বাড়িতে আনা হয়।
এদিকে, রমজান আকন্দের মৃত্যুতে বিবৃতি দিয়েছেন- বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল সাদুল্লাপুর উপজেলা শাখার যুগ্ন আহবায়ক আবু সুফিআন আহমেদ ও জামালপুর ইউনিয়ন শাখার দপ্তর সম্পাদক রানু মিয়া।
এ বিষয়ে জামালপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য আমিনুর রহমান বলেন, রমজান আকন্দ গাজীপুরের ভাড়া বাসায় আত্নহত্যা করেছে। বৃহস্পতিবার তার মরদেহ গ্রামের বাড়িতে পৌঁছিছে। এই যুবকের বিদেহী আত্নার মাগফেরাত কামনা করছি।
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট 


















