শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

স্ত্রীর হাতে স্বামী খুনের ঘটনায় বিক্ষোভ

গাইবান্ধায় স্ত্রী মনজিলা খাতুনের (২৭) হাতে স্বামী ফিরোজ মিয়া (৩২) খুন হয়েছে। ইতোমধ্যে এই ঘাতক স্ত্রীকে পুলিশ গ্রেফতার করে জেলহাজতে পাঠিয়েছে। এখন তার ফাঁসির দাবি করছেন এলাকবাসী।

এ নিয়ে শনিবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে গাইবান্ধা শহরের বিভিন্ন সড়কে একটি বিক্ষোভ মিছিল শেষে গাইবান্ধা প্রেসক্লাব চত্বরে সমবেত হয়ে বিক্ষোভ সমাবেশ করা হয়।

এসময় বক্তারা বলেন, গাইবান্ধা শহরতলির পশ্চিম কোমরনই দশানী এলাকার টিন ব্যবসায়ী আব্দুল হানিফের ছেলে ফিরোজ মিয়ার সাথে প্রায় ৮ বছর আগে সদর উপজেলার হাসেম বাজার গ্রামের মোর্শেদের মেয়ে মনজিলার বিয়ে হয়। তাদের ঘরে দুই মেয়ে সন্তানের জন্ম হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মনোমালিন্য চলছিল। এরই জের ধরে গত ২২ অক্টোবর মঙ্গলবার রাতে স্ত্রী মনজিলা নেশা জাতীয় দ্রব্য পান করিয়ে স্বামী ফিরোজকে অজ্ঞান করে। পরে শ্বাসরোধে ফিরোজকে হত্যা করা হয়। এ ঘটনার পরেরদিন বুধবার (২৩ অক্টোবর) পুলিশ লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়ে অভিযুক্ত ঘাতক মনজিলাকে গ্রেফতার করেছে। এখন খুনি মনজিলার পিতা মোর্শেদ ও মা উষা বেগমসহ খুনীদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবি জানানো হয়।

স্ত্রীর হাতে স্বামী খুনের ঘটনায় বিক্ষোভ

প্রকাশের সময়: ০২:২৯:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৪

গাইবান্ধায় স্ত্রী মনজিলা খাতুনের (২৭) হাতে স্বামী ফিরোজ মিয়া (৩২) খুন হয়েছে। ইতোমধ্যে এই ঘাতক স্ত্রীকে পুলিশ গ্রেফতার করে জেলহাজতে পাঠিয়েছে। এখন তার ফাঁসির দাবি করছেন এলাকবাসী।

এ নিয়ে শনিবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে গাইবান্ধা শহরের বিভিন্ন সড়কে একটি বিক্ষোভ মিছিল শেষে গাইবান্ধা প্রেসক্লাব চত্বরে সমবেত হয়ে বিক্ষোভ সমাবেশ করা হয়।

এসময় বক্তারা বলেন, গাইবান্ধা শহরতলির পশ্চিম কোমরনই দশানী এলাকার টিন ব্যবসায়ী আব্দুল হানিফের ছেলে ফিরোজ মিয়ার সাথে প্রায় ৮ বছর আগে সদর উপজেলার হাসেম বাজার গ্রামের মোর্শেদের মেয়ে মনজিলার বিয়ে হয়। তাদের ঘরে দুই মেয়ে সন্তানের জন্ম হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মনোমালিন্য চলছিল। এরই জের ধরে গত ২২ অক্টোবর মঙ্গলবার রাতে স্ত্রী মনজিলা নেশা জাতীয় দ্রব্য পান করিয়ে স্বামী ফিরোজকে অজ্ঞান করে। পরে শ্বাসরোধে ফিরোজকে হত্যা করা হয়। এ ঘটনার পরেরদিন বুধবার (২৩ অক্টোবর) পুলিশ লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়ে অভিযুক্ত ঘাতক মনজিলাকে গ্রেফতার করেছে। এখন খুনি মনজিলার পিতা মোর্শেদ ও মা উষা বেগমসহ খুনীদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবি জানানো হয়।