শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

একইসঙ্গে ৩ সন্তানের জন্ম, দুশ্চিন্তায় প্রসূতির পরিবার

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় আকলিমা বেগম (২৮) নামের এক গৃহবধূ একসঙ্গে তিন সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। জন্ম নেওয়া তিনজনেই ছেলে সন্তান। বর্তমানে মা ও নবজাতকেরা সুস্থ আছেন। তবে নবজাতকদের ওজন কম ও ভরনপোষণ নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছেন পরিবারের লোকজন।

শনিবার (২৬ অক্টোবর) ভোরবেলায় উপজেলার বেলকা ইউনিয়নের রামডাকুয়া আদর্শগ্রামে (গুচ্ছগ্রাম) নিজ বাড়িতে তিন নবজাতকের জন্ম হয়। এই গৃহবধূর আকলিমা বেগম ওই গ্রামের ফখরুল ইসলামের স্ত্রী।

এদিকে, তিন সন্তানের জন্ম হওয়ায় পরিবার ছাড়াও খুশি প্রতিবেশীসহ আশপাশের মানুষজন। তিন নবজাতকের জন্মের খবর ছড়িয়ে পড়লে সকাল থেকে তাদের এক নজরে দেখতে আসছেন মানুষ।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ফখরুল ইসলাম পেশায় একজন জেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে মাছ বিক্রি করে সংসার চালিয়ে আসছেন। একসঙ্গে তিন সন্তান জন্মের পর খুশি হলেও তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত আকলিমা-ফখরুল ইসলাম দম্পতি। এই দম্পতির ঘরে ফাতেমা আকতার নামে ৭ বছরের এক মেয়ে ও আলী আজগর নামে ৫ বছরের এক ছেলেও রয়েছে।

ফখরুল ইসলাম বলেন, নিজের সম্পদ বলতে কিছুই নেই। গুচ্ছগ্রামের একটি ঘরে বসবাস করি। নদী-নালায় মাছ ধরে তা বিক্রির আয় দিয়েই চলে সংসার। এখন জন্ম নেয়া তিন নবজাতকসহ সাত সদস্যের সংসার চলবে কি করে তা নিয়ে দুশ্চিন্তা বাড়ছে। তবে সুস্থভাবে সন্তানদের বেঁচে থাকতে সকলের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করছি।

তিনি আরও বলেন, সন্তানদের চিকিৎসার জন্য সুন্দরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেছিলাম। সেখানে তাদের ভর্তি না নিয়ে রংপুর হাসপাতালে যেতে বলেছে। গরীব মানুষ টাকা-পয়সা নাই তাই বাড়িতে নিয়ে এসেছি।

সুন্দরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. কাজী আবু আহসান বলেন, তারা এসেছিলেন। ভর্তি করে চিকিৎসাও দেওয়া হয়েছে। পরিপূর্ণ চিকিৎসা দিতে গেলে আইসিইউ এর দরকার। কিন্তু সেটি এখানে নেই। সে কারণে তাদের আর্থিক সহায়তাসহ এ্যাম্বুলেন্স বিনামূল্য দিতে চাওয়া হয়েছিলো। যাতে করে তারা রংপুরে যেতে পারে। পরে তারা কখন হাসপাতাল ত্যাগ করেছেন আমরা জানি না।

একইসঙ্গে ৩ সন্তানের জন্ম, দুশ্চিন্তায় প্রসূতির পরিবার

প্রকাশের সময়: ০৯:৪৫:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৪

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় আকলিমা বেগম (২৮) নামের এক গৃহবধূ একসঙ্গে তিন সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। জন্ম নেওয়া তিনজনেই ছেলে সন্তান। বর্তমানে মা ও নবজাতকেরা সুস্থ আছেন। তবে নবজাতকদের ওজন কম ও ভরনপোষণ নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছেন পরিবারের লোকজন।

শনিবার (২৬ অক্টোবর) ভোরবেলায় উপজেলার বেলকা ইউনিয়নের রামডাকুয়া আদর্শগ্রামে (গুচ্ছগ্রাম) নিজ বাড়িতে তিন নবজাতকের জন্ম হয়। এই গৃহবধূর আকলিমা বেগম ওই গ্রামের ফখরুল ইসলামের স্ত্রী।

এদিকে, তিন সন্তানের জন্ম হওয়ায় পরিবার ছাড়াও খুশি প্রতিবেশীসহ আশপাশের মানুষজন। তিন নবজাতকের জন্মের খবর ছড়িয়ে পড়লে সকাল থেকে তাদের এক নজরে দেখতে আসছেন মানুষ।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ফখরুল ইসলাম পেশায় একজন জেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে মাছ বিক্রি করে সংসার চালিয়ে আসছেন। একসঙ্গে তিন সন্তান জন্মের পর খুশি হলেও তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত আকলিমা-ফখরুল ইসলাম দম্পতি। এই দম্পতির ঘরে ফাতেমা আকতার নামে ৭ বছরের এক মেয়ে ও আলী আজগর নামে ৫ বছরের এক ছেলেও রয়েছে।

ফখরুল ইসলাম বলেন, নিজের সম্পদ বলতে কিছুই নেই। গুচ্ছগ্রামের একটি ঘরে বসবাস করি। নদী-নালায় মাছ ধরে তা বিক্রির আয় দিয়েই চলে সংসার। এখন জন্ম নেয়া তিন নবজাতকসহ সাত সদস্যের সংসার চলবে কি করে তা নিয়ে দুশ্চিন্তা বাড়ছে। তবে সুস্থভাবে সন্তানদের বেঁচে থাকতে সকলের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করছি।

তিনি আরও বলেন, সন্তানদের চিকিৎসার জন্য সুন্দরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেছিলাম। সেখানে তাদের ভর্তি না নিয়ে রংপুর হাসপাতালে যেতে বলেছে। গরীব মানুষ টাকা-পয়সা নাই তাই বাড়িতে নিয়ে এসেছি।

সুন্দরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. কাজী আবু আহসান বলেন, তারা এসেছিলেন। ভর্তি করে চিকিৎসাও দেওয়া হয়েছে। পরিপূর্ণ চিকিৎসা দিতে গেলে আইসিইউ এর দরকার। কিন্তু সেটি এখানে নেই। সে কারণে তাদের আর্থিক সহায়তাসহ এ্যাম্বুলেন্স বিনামূল্য দিতে চাওয়া হয়েছিলো। যাতে করে তারা রংপুরে যেতে পারে। পরে তারা কখন হাসপাতাল ত্যাগ করেছেন আমরা জানি না।