শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সাদুল্লাপুরে ধানক্ষেত পুড়িয়ে ফেলার অভিযোগ  

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে কৃষক মখছুদার রহমান ও তার ওয়ারিশরা রোপণ করেন রোপা আমন ধান। সেই ধানক্ষেতে হানা দিয়েছে শত্রুরা। পুড়িয়ে ফেলেছে ৬ বিঘা জমির ধান। প্রতিপক্ষ সুকমল চৌধুরীরা বিষাক্ত কিটনাশক প্রয়োগ করে এই ধানক্ষেত নষ্ট করেছে বলে জানালেন ক্ষতিগ্রস্ত মখছুদার রহমান নামের এক কৃষক।

সরেজমিনে শুক্রবার বিকেলের দিকে কামারপাড়া ইউনিয়নের লক্ষীপুর মৌজায় এ ঘটনা ঘটে। এ ব্যাপারে থানায় একটি এজাহার দাখিল করা হয়েছে।

বাদি তার এজাহারে উল্লেখ করেছেন- সাদুল্লাপুর উপজেলার কামারপাড়া ইউনিয়নের লক্ষীপুর গ্রামের মৃত ছোলাইমান সরকারের ছেলে মখছুদার রহমান ও তার অন্যান্য ওয়ারিশরা পৈতৃক ৬ বিঘা জমিতে চলতি রোপা আমন ধান আবাদ করেন। এরই মধ্যে পুরান লক্ষীপুর গ্রামের গোপাল চৌধুরীর ছেলে সুকমল চৌধুরী ও তার অন্যান্য লোকজন পুর্ব শত্রুতার জেরে ২৯ অক্টোবর কোন এক সময়ে বিষাক্ত ওষুধ প্রয়োগ করে ৬ বিঘা জমির আধাপাকা ধান পুড়ে দিয়েছে। এতে প্রায় দুই লাখ টাকা মূল্যের ফসল ক্ষতি হয়। এ ঘটনায় ৩১ অক্টোবর মখছুদার রহমানের ভাই মুছা মিয়া ও ভাতিজা মেহেদী হাসান ওই জমিতে যায়। তখন সুকমল গংরা তাদের উপর হামলা করে পিটিয়ে রক্তাক্ত করে। সেইসঙ্গে হাসান ইনাম ফাইম নামের এক যুবকেও শ্বাসরোধে হত্যার চেষ্টা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

ইতিপূর্বে বিবাদীদের বিরুদ্ধে ২১০/১৪ নং মামলা আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। আমাদের পৈতৃক জমি জোরপূর্বক দখল চেষ্টার একপর্যায়ে সম্প্রতি ৬ বিঘা জমির আমন ধানে নষ্ট করে দিয়েছে তারা। এ নিয়ে থানায় এজাহার দেওয়া হয়েছে। সুকমলদের বিরুদ্ধে আইনগত বিচার দাবি করছি। এমনটি জানালেন ভুক্তভোগি মখছুদার রহমান।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত সুকমল চৌধুরীদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোস্তাফিজার রহমান বলেন, ওই রোপা আমন ক্ষেত পুড়ে দেওয়ার খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে।

সাদুল্লাপুর থানার ওসি তাজ উদ্দিন বলেন, ওইস্থানে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে উভয়ে পক্ষের অভিযোগ পেয়েছি। তা তদন্তাধীন রয়েছে। খতিয়ে দেখে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সাদুল্লাপুরে ধানক্ষেত পুড়িয়ে ফেলার অভিযোগ  

প্রকাশের সময়: ০৯:০৮:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ নভেম্বর ২০২৪

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে কৃষক মখছুদার রহমান ও তার ওয়ারিশরা রোপণ করেন রোপা আমন ধান। সেই ধানক্ষেতে হানা দিয়েছে শত্রুরা। পুড়িয়ে ফেলেছে ৬ বিঘা জমির ধান। প্রতিপক্ষ সুকমল চৌধুরীরা বিষাক্ত কিটনাশক প্রয়োগ করে এই ধানক্ষেত নষ্ট করেছে বলে জানালেন ক্ষতিগ্রস্ত মখছুদার রহমান নামের এক কৃষক।

সরেজমিনে শুক্রবার বিকেলের দিকে কামারপাড়া ইউনিয়নের লক্ষীপুর মৌজায় এ ঘটনা ঘটে। এ ব্যাপারে থানায় একটি এজাহার দাখিল করা হয়েছে।

বাদি তার এজাহারে উল্লেখ করেছেন- সাদুল্লাপুর উপজেলার কামারপাড়া ইউনিয়নের লক্ষীপুর গ্রামের মৃত ছোলাইমান সরকারের ছেলে মখছুদার রহমান ও তার অন্যান্য ওয়ারিশরা পৈতৃক ৬ বিঘা জমিতে চলতি রোপা আমন ধান আবাদ করেন। এরই মধ্যে পুরান লক্ষীপুর গ্রামের গোপাল চৌধুরীর ছেলে সুকমল চৌধুরী ও তার অন্যান্য লোকজন পুর্ব শত্রুতার জেরে ২৯ অক্টোবর কোন এক সময়ে বিষাক্ত ওষুধ প্রয়োগ করে ৬ বিঘা জমির আধাপাকা ধান পুড়ে দিয়েছে। এতে প্রায় দুই লাখ টাকা মূল্যের ফসল ক্ষতি হয়। এ ঘটনায় ৩১ অক্টোবর মখছুদার রহমানের ভাই মুছা মিয়া ও ভাতিজা মেহেদী হাসান ওই জমিতে যায়। তখন সুকমল গংরা তাদের উপর হামলা করে পিটিয়ে রক্তাক্ত করে। সেইসঙ্গে হাসান ইনাম ফাইম নামের এক যুবকেও শ্বাসরোধে হত্যার চেষ্টা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

ইতিপূর্বে বিবাদীদের বিরুদ্ধে ২১০/১৪ নং মামলা আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। আমাদের পৈতৃক জমি জোরপূর্বক দখল চেষ্টার একপর্যায়ে সম্প্রতি ৬ বিঘা জমির আমন ধানে নষ্ট করে দিয়েছে তারা। এ নিয়ে থানায় এজাহার দেওয়া হয়েছে। সুকমলদের বিরুদ্ধে আইনগত বিচার দাবি করছি। এমনটি জানালেন ভুক্তভোগি মখছুদার রহমান।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত সুকমল চৌধুরীদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোস্তাফিজার রহমান বলেন, ওই রোপা আমন ক্ষেত পুড়ে দেওয়ার খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে।

সাদুল্লাপুর থানার ওসি তাজ উদ্দিন বলেন, ওইস্থানে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে উভয়ে পক্ষের অভিযোগ পেয়েছি। তা তদন্তাধীন রয়েছে। খতিয়ে দেখে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।