শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মাদরাসা মাঠে বিএনপির সভা আয়োজনের প্রতিবাদে বিক্ষোভ

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার জুমারবাড়ী দারুল হাদিস সালাফিয়া ও হাফিজিয়া মাদরাসার মাঠ দখল করে ইউনিয়ন বিএনপির কর্মী সভার আয়োজনের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

সোমবার (৪ নভেম্বর) দুপুর সোয়া ২টার দিকে মাদরাসা চত্তরে এই বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন পালিত হয়। এতে মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থী ছাড়াও অভিভাবকরা অংশ নেয়।

মাদ্রাসার সুপার মো. এনায়েত উল্লাসহ শিক্ষকদের অভিযোগ, মাদরাসার কাউকে না জানিয়ে এবং কোন ধরণের অনুমতি ছাড়াই মাঠে কর্মীসভার আয়োজন করে ৮নং জুমারবাড়ী ইউনিয়ন বিএনপির নেতারা। সোমবার বিকেলে কর্মীসভার জন্য ইতোমধ্যে মাঠ দখল করে প্যান্ডেল ও মঞ্চ তৈরী করা হয়েছে। এতে শিক্ষার্থীদের খেলাধুলাসহ সার্বিকভাবে পাঠদানে বিঘ্ন ঘটে।মাঠ দখলের বিষয়ে বারবার নিষেধ ও প্রতিবাদ জানিয়েও কোন লাভ হয়নি।

মাদরাসার শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, মাঠ দখল করে প্যান্ডেল তৈরীর কারণে খেলাধুলা ও মাঠে হাটাচলাও বন্ধ হয়ে গেছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাঠে রাজনৈতিক সভার এমন আয়োজন যেন করা না হয় সেই দাবি জানান তারা। এছাড়া অভিভাবকদের অভিযোগ, মাদ্রাসার মাঠে প্রায়ই রাজনৈতিক সভা-সমাবেশের কারণে তাদের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পড়ালেখায় ক্ষতি হচ্ছে। এজন্য মাঠে যে কোন ধরণের সভা-সমাবেশ বন্ধ রাখার দাবি তাদের।

এদিকে, মাদ্রাসার মাঠে স্থান নির্ধারণ ও জেল-জুলুমের শিকার সক্রীয় নেতাকর্মীদের বাদ রেখে কর্মীসভার আয়োজনের খবরে তৃণমুল বিএনপি নেতাকর্মীদের মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে। তাদের অভিযোগ, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আলহাজ মোহাম্মদ আলী ও ফারুক আলম সরকারের নেতৃত্বে একটি অংশ নিজেদের মতো করে কর্মীসভার আয়োজন করেন। এতে স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে গ্রুপিং ও বিরোধ দেখা দিয়েছে।

তবে অভিযোগের বিষয়ে জুমারবাড়ী ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক আবু তাহের মণ্ডল বলেন, আগেও মাদরাসার মাঠে দলীয় সভা-সমাবেশ করেছি। কিন্তু এবার কেন মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ বাঁধা দিচ্ছেন তা বুঝতে পারছিনা। এমন হলে পরবর্তীতে মাঠে আর কোন প্রোগ্রাম করা হবেনা।

মাদরাসা মাঠে বিএনপির সভা আয়োজনের প্রতিবাদে বিক্ষোভ

প্রকাশের সময়: ০৬:২৬:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ নভেম্বর ২০২৪

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার জুমারবাড়ী দারুল হাদিস সালাফিয়া ও হাফিজিয়া মাদরাসার মাঠ দখল করে ইউনিয়ন বিএনপির কর্মী সভার আয়োজনের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

সোমবার (৪ নভেম্বর) দুপুর সোয়া ২টার দিকে মাদরাসা চত্তরে এই বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন পালিত হয়। এতে মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থী ছাড়াও অভিভাবকরা অংশ নেয়।

মাদ্রাসার সুপার মো. এনায়েত উল্লাসহ শিক্ষকদের অভিযোগ, মাদরাসার কাউকে না জানিয়ে এবং কোন ধরণের অনুমতি ছাড়াই মাঠে কর্মীসভার আয়োজন করে ৮নং জুমারবাড়ী ইউনিয়ন বিএনপির নেতারা। সোমবার বিকেলে কর্মীসভার জন্য ইতোমধ্যে মাঠ দখল করে প্যান্ডেল ও মঞ্চ তৈরী করা হয়েছে। এতে শিক্ষার্থীদের খেলাধুলাসহ সার্বিকভাবে পাঠদানে বিঘ্ন ঘটে।মাঠ দখলের বিষয়ে বারবার নিষেধ ও প্রতিবাদ জানিয়েও কোন লাভ হয়নি।

মাদরাসার শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, মাঠ দখল করে প্যান্ডেল তৈরীর কারণে খেলাধুলা ও মাঠে হাটাচলাও বন্ধ হয়ে গেছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাঠে রাজনৈতিক সভার এমন আয়োজন যেন করা না হয় সেই দাবি জানান তারা। এছাড়া অভিভাবকদের অভিযোগ, মাদ্রাসার মাঠে প্রায়ই রাজনৈতিক সভা-সমাবেশের কারণে তাদের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পড়ালেখায় ক্ষতি হচ্ছে। এজন্য মাঠে যে কোন ধরণের সভা-সমাবেশ বন্ধ রাখার দাবি তাদের।

এদিকে, মাদ্রাসার মাঠে স্থান নির্ধারণ ও জেল-জুলুমের শিকার সক্রীয় নেতাকর্মীদের বাদ রেখে কর্মীসভার আয়োজনের খবরে তৃণমুল বিএনপি নেতাকর্মীদের মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে। তাদের অভিযোগ, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আলহাজ মোহাম্মদ আলী ও ফারুক আলম সরকারের নেতৃত্বে একটি অংশ নিজেদের মতো করে কর্মীসভার আয়োজন করেন। এতে স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে গ্রুপিং ও বিরোধ দেখা দিয়েছে।

তবে অভিযোগের বিষয়ে জুমারবাড়ী ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক আবু তাহের মণ্ডল বলেন, আগেও মাদরাসার মাঠে দলীয় সভা-সমাবেশ করেছি। কিন্তু এবার কেন মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ বাঁধা দিচ্ছেন তা বুঝতে পারছিনা। এমন হলে পরবর্তীতে মাঠে আর কোন প্রোগ্রাম করা হবেনা।