শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নন্দীগ্রামে মায়ের ওপর অভিমান, স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যা

বগুড়ার নন্দীগ্রামে বিথী খাতুন নামে দশম শ্রেণির ছাত্রী বিষপান করে আত্মহত্যা করেছে। বিথী খাতুন নন্দীগ্রাম উপজেলার ভাটগ্রাম ইউনিয়নের কাথম গ্রামের বাদশা মিয়ার মেয়ে।

জানা গেছে, সোমবার (১১ নভেম্বর) সন্ধ্যা আনুমানিক ৬টার দিকে বিথী খাতুন সবার অজান্তে নিজ বাড়িতে বিষপান করে। পরে তার মা বিষপানের বিষয়টি বুঝতে পেরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় দ্রুত তাকে চিকিৎসার জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ভর্তি করে দেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গভীর রাতে তার মৃত্যু ঘটে।

এবিষয়ে বগুড়া সদর থানায় একটি ইউডি মামলা হয়েছে। এরপর পুলিশ তার মরদেহের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে। তারপর বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে তার মরদেহের ময়না তদন্ত করা হয়। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, পিতা-মাতা তাকে বিবাহ দেওয়ার কথা বললে তার মায়ের সাথে কথা কাটাকাটি হয়। এরই এক পর্যায়ে মায়ের ওপর অভিমান করে বিথী খাতুন বিষপান করে আত্মহত্যা করে। বিথী খাতুন নন্দীগ্রাম সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী ছিলো। নন্দীগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ তারিকুল ইসলাম বলেন, দশম শ্রেণির ছাত্রী বিথী খাতুন বিষপানে আত্মহত্যার ঘটনা শুনেছি। বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু ঘটলে বগুড়া সদর থানায় একটি ইউডি মামলা হয়।

 

নন্দীগ্রামে মায়ের ওপর অভিমান, স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যা

প্রকাশের সময়: ০৭:৪১:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ নভেম্বর ২০২৪

বগুড়ার নন্দীগ্রামে বিথী খাতুন নামে দশম শ্রেণির ছাত্রী বিষপান করে আত্মহত্যা করেছে। বিথী খাতুন নন্দীগ্রাম উপজেলার ভাটগ্রাম ইউনিয়নের কাথম গ্রামের বাদশা মিয়ার মেয়ে।

জানা গেছে, সোমবার (১১ নভেম্বর) সন্ধ্যা আনুমানিক ৬টার দিকে বিথী খাতুন সবার অজান্তে নিজ বাড়িতে বিষপান করে। পরে তার মা বিষপানের বিষয়টি বুঝতে পেরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় দ্রুত তাকে চিকিৎসার জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ভর্তি করে দেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গভীর রাতে তার মৃত্যু ঘটে।

এবিষয়ে বগুড়া সদর থানায় একটি ইউডি মামলা হয়েছে। এরপর পুলিশ তার মরদেহের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে। তারপর বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে তার মরদেহের ময়না তদন্ত করা হয়। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, পিতা-মাতা তাকে বিবাহ দেওয়ার কথা বললে তার মায়ের সাথে কথা কাটাকাটি হয়। এরই এক পর্যায়ে মায়ের ওপর অভিমান করে বিথী খাতুন বিষপান করে আত্মহত্যা করে। বিথী খাতুন নন্দীগ্রাম সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী ছিলো। নন্দীগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ তারিকুল ইসলাম বলেন, দশম শ্রেণির ছাত্রী বিথী খাতুন বিষপানে আত্মহত্যার ঘটনা শুনেছি। বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু ঘটলে বগুড়া সদর থানায় একটি ইউডি মামলা হয়।