শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নন্দীগ্রামে নবান্ন উৎসবে মাছের মেলা 

এখন মাঠ থেকে আমন ধান কাটা-মাড়াইয়ের কাজ চলছে। সেই নতুন ধান থেকে পাওয়া চালের প্রথম রান্নার আয়োজনই নবান্ন উৎসব। সনাতনী পঞ্জিকা অনুযায়ী রবিবার পহেলা অগ্রহায়ণ হওয়ায় বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার সনাতন ধর্মাবলম্বীরা নবান্ন উৎসব পালন করে। নবান্ন উৎসবের বিশেষ আকর্ষণ হলো হরেক রকম মাছের মেলা। এ উৎসবকে কেন্দ্র করে প্রতিবছরের ন্যায় এবারো নন্দীগ্রাম উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে বসেছে মাছের মেলা।

সরেজমিন ওমরপুর ও রণবাঘা বাজারে গিয়ে দেখা গেছে, সারি সারি মাছের দোকান। সেখানে থরে থরে সাজানো রুই, কাতল, মৃগেল, চিতল, সিলভার কার্প, বিগহেড কার্প, বোয়ালসহ হরেক রকমের মাছ। আর লোকজন ব্যাপক উৎসাহের সঙ্গে কিনছেন ওইসব মাছ। কোনো কোনো মাছ বিক্রেতা বিশালাকৃতির মাছগুলোর মাথা ওপরে তুলে ধরে ক্রেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণেরও চেষ্টা করে। তবে ক্রেতাদের অভিযোগ এ বছর মাছের দাম অনেক বেশি।

জানতে চাইলে মাছ বিক্রেতা আবু তাহের বলেন, নবান্ন উৎসব ঘিরে প্রতি বছরের মতো এবারো বড় বড় মাছ বাজারে বিক্রি করতে এনেছি। মাছের বাজার একটু বেশি। সিলভার কার্প ও বিগহেড কার্প ৪০০ থেকে ৬৫০ টাকা, রুই ও কাতল ৪০০ থেকে ৭০০ টাকা, চিতল ৮০০ থেকে ১২০০ টাকা ও বোয়াল ৮০০ থেকে ১০০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়।

মাছ ক্রেতা পাপ্পু কুমার জয় বলেন, মাছের দাম খুব  বেশি। আমি কাতল মাছ ৬০০ টাকা ও বিগহেড মাছ ৫৫০ টাকা কেজি দরে কিনেছি।

মাছ কিনতে আসা দিপক কুমার বলেন, আমি রণবাঘা বাজার থেকে মাছ কিনতে গেছিলাম। ওই বাজারে দাম বেশি দেখে ওমরপুর বাজারে আসলাম। ওইখানেও দেখছি মাছের দাম খুব বেশি। তবু মাছতো কিনতে হবেই।

নন্দীগ্রামে নবান্ন উৎসবে মাছের মেলা 

প্রকাশের সময়: ০৫:৫১:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৪

এখন মাঠ থেকে আমন ধান কাটা-মাড়াইয়ের কাজ চলছে। সেই নতুন ধান থেকে পাওয়া চালের প্রথম রান্নার আয়োজনই নবান্ন উৎসব। সনাতনী পঞ্জিকা অনুযায়ী রবিবার পহেলা অগ্রহায়ণ হওয়ায় বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার সনাতন ধর্মাবলম্বীরা নবান্ন উৎসব পালন করে। নবান্ন উৎসবের বিশেষ আকর্ষণ হলো হরেক রকম মাছের মেলা। এ উৎসবকে কেন্দ্র করে প্রতিবছরের ন্যায় এবারো নন্দীগ্রাম উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে বসেছে মাছের মেলা।

সরেজমিন ওমরপুর ও রণবাঘা বাজারে গিয়ে দেখা গেছে, সারি সারি মাছের দোকান। সেখানে থরে থরে সাজানো রুই, কাতল, মৃগেল, চিতল, সিলভার কার্প, বিগহেড কার্প, বোয়ালসহ হরেক রকমের মাছ। আর লোকজন ব্যাপক উৎসাহের সঙ্গে কিনছেন ওইসব মাছ। কোনো কোনো মাছ বিক্রেতা বিশালাকৃতির মাছগুলোর মাথা ওপরে তুলে ধরে ক্রেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণেরও চেষ্টা করে। তবে ক্রেতাদের অভিযোগ এ বছর মাছের দাম অনেক বেশি।

জানতে চাইলে মাছ বিক্রেতা আবু তাহের বলেন, নবান্ন উৎসব ঘিরে প্রতি বছরের মতো এবারো বড় বড় মাছ বাজারে বিক্রি করতে এনেছি। মাছের বাজার একটু বেশি। সিলভার কার্প ও বিগহেড কার্প ৪০০ থেকে ৬৫০ টাকা, রুই ও কাতল ৪০০ থেকে ৭০০ টাকা, চিতল ৮০০ থেকে ১২০০ টাকা ও বোয়াল ৮০০ থেকে ১০০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়।

মাছ ক্রেতা পাপ্পু কুমার জয় বলেন, মাছের দাম খুব  বেশি। আমি কাতল মাছ ৬০০ টাকা ও বিগহেড মাছ ৫৫০ টাকা কেজি দরে কিনেছি।

মাছ কিনতে আসা দিপক কুমার বলেন, আমি রণবাঘা বাজার থেকে মাছ কিনতে গেছিলাম। ওই বাজারে দাম বেশি দেখে ওমরপুর বাজারে আসলাম। ওইখানেও দেখছি মাছের দাম খুব বেশি। তবু মাছতো কিনতে হবেই।