শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সাদুল্লাপুরে নকল নবীশদের আমরণ অনশন

সারা দেশসহ গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর সাব-রেজিস্ট্রি কার্যালয়ের নকল নবীশদের চাকুরী জাতীয়করণের দাবিতে আমরণ অনশন কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

বৈষম্যবিরোধী নকল নবীশ দাবি আদায় পরিষদের উদ্যোগে সোমবার (২৫ নভেম্বর) দিনব্যাপী এই কর্মসূচি পালন করে বাংলাদেশ এক্সট্রা মহরা (নকল নবীশ) এসোসিয়েশন, সাদুল্লাপুর শাখা।

এসময় সাদুল্লাপুর সাব-রেজিস্ট্রি কার্যালয় চত্বরে কাফনের কাপড় পড়ে আমরণ অনশন পালন করে সংগঠনের সদস্যরা। এতে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ এক্সট্রা মহরা (নকল নবীশ) এসোসিয়েশন, সাদুল্লাপুর শাখার সভাপতি সবুজ মিয়া, সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক জয়নাল আবেদীন, প্রচার সম্পাদক মমিনুর রহমানসহ আরও অনেকে।

বক্তারা বলেন, নকল নবীশরা সরকারি কোনো বেতন ভাতা পান না। শুধু বালামে লিখলে মজুরি পায়। প্রকৃতপক্ষে এক পৃষ্ঠা বালাম লেখার জন্য জনগণের কাছ থেকে সরকার রাজস্ব নেয় ৪০ টাকা। সেখান থেকে নকল নবীশদের দেওয়া হচ্ছে ২৪ টাকা। বাকি ১৬ টাকা রাজস্ব খাতে জমা হচ্ছে। নকল নবীশদের টাকা দিয়েই তাদের চাকরি জাতীয়করণ করা সম্ভব। নকল নবীশদের দীর্ঘদিনের দাবি চাকুরী জাতীয়করণ করা হোক।

বক্তারা আরও বলেন, নকল নবীশদের চাকুরী জাতীয়করণের দাবি নিয়ে প্রায় তিনযুগ ধরে আন্দোলন চলছে। এরপর সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তি ও কর্মকর্তারা নকল নবীশদের চাকরি জাতীয়করণের আওতায় আনার ঘোষণা দিয়েছিলেন। তখন থেকে সরকারের পালাবদল ঘটলেও নকল নবীশদের ভাগ্যবদল হয়নি।

সাদুল্লাপুরে নকল নবীশদের আমরণ অনশন

প্রকাশের সময়: ০৯:৫২:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৪

সারা দেশসহ গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর সাব-রেজিস্ট্রি কার্যালয়ের নকল নবীশদের চাকুরী জাতীয়করণের দাবিতে আমরণ অনশন কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

বৈষম্যবিরোধী নকল নবীশ দাবি আদায় পরিষদের উদ্যোগে সোমবার (২৫ নভেম্বর) দিনব্যাপী এই কর্মসূচি পালন করে বাংলাদেশ এক্সট্রা মহরা (নকল নবীশ) এসোসিয়েশন, সাদুল্লাপুর শাখা।

এসময় সাদুল্লাপুর সাব-রেজিস্ট্রি কার্যালয় চত্বরে কাফনের কাপড় পড়ে আমরণ অনশন পালন করে সংগঠনের সদস্যরা। এতে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ এক্সট্রা মহরা (নকল নবীশ) এসোসিয়েশন, সাদুল্লাপুর শাখার সভাপতি সবুজ মিয়া, সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক জয়নাল আবেদীন, প্রচার সম্পাদক মমিনুর রহমানসহ আরও অনেকে।

বক্তারা বলেন, নকল নবীশরা সরকারি কোনো বেতন ভাতা পান না। শুধু বালামে লিখলে মজুরি পায়। প্রকৃতপক্ষে এক পৃষ্ঠা বালাম লেখার জন্য জনগণের কাছ থেকে সরকার রাজস্ব নেয় ৪০ টাকা। সেখান থেকে নকল নবীশদের দেওয়া হচ্ছে ২৪ টাকা। বাকি ১৬ টাকা রাজস্ব খাতে জমা হচ্ছে। নকল নবীশদের টাকা দিয়েই তাদের চাকরি জাতীয়করণ করা সম্ভব। নকল নবীশদের দীর্ঘদিনের দাবি চাকুরী জাতীয়করণ করা হোক।

বক্তারা আরও বলেন, নকল নবীশদের চাকুরী জাতীয়করণের দাবি নিয়ে প্রায় তিনযুগ ধরে আন্দোলন চলছে। এরপর সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তি ও কর্মকর্তারা নকল নবীশদের চাকরি জাতীয়করণের আওতায় আনার ঘোষণা দিয়েছিলেন। তখন থেকে সরকারের পালাবদল ঘটলেও নকল নবীশদের ভাগ্যবদল হয়নি।