শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পিঠা উৎসবে উচ্ছ্বসিত শিশুরা

গাইবান্ধার পলাশবাড়ীর হোপ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের শিক্ষার্থী ও শিশুদের নিয়ে পালন করা হয় নবান্নের পিঠা উৎসব। এ উৎসবে মাতোয়ারা হয়ে ওঠে শতশত শিশু।

শনিবার (৩০ নভেম্বর) বিদ্যালয়টির পরিচালক মতিয়ার রহমান লাভলুর  আয়োজনে এই উৎসব পালন করা হয়।

উৎসবমুখর পরিবেশে সাড়ে সাত শতাধিক শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং শিক্ষকদের মধ্যে বিভিন্ন ধরণেরর বাহারি পিঠা, পায়েশ, খাওয়ার ধুম পড়ে। গ্রাম বাংলার চিরাচরিত ঐতিহ্য নবান্ন উৎসব বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে উৎসবমুখর পরিবেশে সৃষ্টি হয়।

এই উৎসব নিয়ে আনজুয়ারা বেগম নামের এক অভিভাবক বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ব্যতিক্রমধর্মী এমন আয়োজন বেশ প্রশংসনীয় এবং গর্বের বিষয়। আমরা অনেক আনন্দিত এবং উচ্ছ্বসিত যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এসেও বাচ্চাদের সঙ্গে নবান্ন উৎসব পালন করতে পেরেছি।

হোপ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের প্রধান শিক্ষক জামিউল ইসলাম জাহিদ জানান, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এমন আয়োজন আমাদের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি বহন করে। লেখাপড়ার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক বিষয়গুলো শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশে সহায়তা করে।

স্কুলের পরিচালক মতিয়ার রহমান লাভলু বলেন, হোপ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল শুরু থেকেই শিক্ষার্থীদের সুশিক্ষায় শিক্ষিত করতে প্রতি বছর নিত্যনতুন ব্যতিক্রমধর্মী আয়োজন করে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নবান্ন উৎসব পালন করছি। আর এটা আমাদের বড় অর্জন। আগামীতেও এই ধারা অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

জনপ্রিয়

পিঠা উৎসবে উচ্ছ্বসিত শিশুরা

প্রকাশের সময়: ০৮:২৫:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৪

গাইবান্ধার পলাশবাড়ীর হোপ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের শিক্ষার্থী ও শিশুদের নিয়ে পালন করা হয় নবান্নের পিঠা উৎসব। এ উৎসবে মাতোয়ারা হয়ে ওঠে শতশত শিশু।

শনিবার (৩০ নভেম্বর) বিদ্যালয়টির পরিচালক মতিয়ার রহমান লাভলুর  আয়োজনে এই উৎসব পালন করা হয়।

উৎসবমুখর পরিবেশে সাড়ে সাত শতাধিক শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং শিক্ষকদের মধ্যে বিভিন্ন ধরণেরর বাহারি পিঠা, পায়েশ, খাওয়ার ধুম পড়ে। গ্রাম বাংলার চিরাচরিত ঐতিহ্য নবান্ন উৎসব বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে উৎসবমুখর পরিবেশে সৃষ্টি হয়।

এই উৎসব নিয়ে আনজুয়ারা বেগম নামের এক অভিভাবক বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ব্যতিক্রমধর্মী এমন আয়োজন বেশ প্রশংসনীয় এবং গর্বের বিষয়। আমরা অনেক আনন্দিত এবং উচ্ছ্বসিত যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এসেও বাচ্চাদের সঙ্গে নবান্ন উৎসব পালন করতে পেরেছি।

হোপ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের প্রধান শিক্ষক জামিউল ইসলাম জাহিদ জানান, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এমন আয়োজন আমাদের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি বহন করে। লেখাপড়ার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক বিষয়গুলো শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশে সহায়তা করে।

স্কুলের পরিচালক মতিয়ার রহমান লাভলু বলেন, হোপ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল শুরু থেকেই শিক্ষার্থীদের সুশিক্ষায় শিক্ষিত করতে প্রতি বছর নিত্যনতুন ব্যতিক্রমধর্মী আয়োজন করে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নবান্ন উৎসব পালন করছি। আর এটা আমাদের বড় অর্জন। আগামীতেও এই ধারা অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।