শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আটঘরিয়ায় রাইচ মিল ও গভীর নলকুপের মিটার চুরির হিরিক

পাবনার আটঘরিয়া উপজেলায় রাইচ মিল ও গভীর নলকুপের মিটার চুরির হিরিক পেড়েছে। বিকাশ নাম্বারে চোরের দাবিকৃত টাকা দিলে মিটার ফেরত পাচ্ছেন ভুক্তভোগীরা।

ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার শ্রীকান্তপুর গ্রামে আতিয়ার রাইচ মিলে।

শ্রীকান্তপুর গ্রামের মৃত সাত্তার খান ছেলে ভুক্ত ভোগী আতিয়ার রহমান জানান, বৃহস্পতিবার সারাদিন রাইচ মিলে কাজ শেষ করে বাড়িতে চলে যাই। পরের দিন শুক্রবার সকালে রাইচ মিলে খুলে দেখে পল্লী বিদ্যুৎতের খুটির সাথে থাকা মিটার চুরি হয়েছে।

আশপাশে অনেক খোজাখুজি করে না পেয়ে মিটার বকসের ভিতরে পলিথিন কাগজে মোড়ানো একটি মোবাইল নম্বর (০১৯৫৯২৭৭০২০) রেখে দিয়েছে।

তিনি আরও জানান, এই নাম্বারে ফোন দিয়ে তারা আমার কাছে মিটার ফেরত দিবে বলে ৫ হাজার টাকা দাবি করেন। পরে আমি ৩ হাজার ১০০ টাকা তাদের বিকাশ নাম্বারে পাঠিয়ে দেয়।

পরে আমাকে উপরের মোবাইল নাম্বারে ফোন দিয়ে বলে শ্রীকান্তপুর পশ্চিম পাড়া শহিদুল ইসলাম শহিদের বাড়ির রাস্তার সাথে খড়ের পালার ভিতরে আপনার মিটার আছ। সেখান থেকে আমার চুরি যাওয়া মিটার নিতে বলে।

আমি এদিন দুপুরে আমার ছেলে রুহুল আমিনকে সাথে নিয়ে ওই খড়ের পালার ভিতর থেকে আমার চুরি যাওয়া মিটার পায়।

অপর দিকে মালঞ্চি ইউনিয়নের রাঘবপুর গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে অলির মাঠের মধ্যে থেকে একই কায়দায় গভীর নলকুপের মিটার চুরি হয়।

এঘটনায় ওই এলাকায় রাইচ মিল ও গভীর নলকুপের মিটার চুরির আতংক বিরাজ করছে।

 

জনপ্রিয়

আটঘরিয়ায় রাইচ মিল ও গভীর নলকুপের মিটার চুরির হিরিক

প্রকাশের সময়: ০৭:২৬:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২৪

পাবনার আটঘরিয়া উপজেলায় রাইচ মিল ও গভীর নলকুপের মিটার চুরির হিরিক পেড়েছে। বিকাশ নাম্বারে চোরের দাবিকৃত টাকা দিলে মিটার ফেরত পাচ্ছেন ভুক্তভোগীরা।

ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার শ্রীকান্তপুর গ্রামে আতিয়ার রাইচ মিলে।

শ্রীকান্তপুর গ্রামের মৃত সাত্তার খান ছেলে ভুক্ত ভোগী আতিয়ার রহমান জানান, বৃহস্পতিবার সারাদিন রাইচ মিলে কাজ শেষ করে বাড়িতে চলে যাই। পরের দিন শুক্রবার সকালে রাইচ মিলে খুলে দেখে পল্লী বিদ্যুৎতের খুটির সাথে থাকা মিটার চুরি হয়েছে।

আশপাশে অনেক খোজাখুজি করে না পেয়ে মিটার বকসের ভিতরে পলিথিন কাগজে মোড়ানো একটি মোবাইল নম্বর (০১৯৫৯২৭৭০২০) রেখে দিয়েছে।

তিনি আরও জানান, এই নাম্বারে ফোন দিয়ে তারা আমার কাছে মিটার ফেরত দিবে বলে ৫ হাজার টাকা দাবি করেন। পরে আমি ৩ হাজার ১০০ টাকা তাদের বিকাশ নাম্বারে পাঠিয়ে দেয়।

পরে আমাকে উপরের মোবাইল নাম্বারে ফোন দিয়ে বলে শ্রীকান্তপুর পশ্চিম পাড়া শহিদুল ইসলাম শহিদের বাড়ির রাস্তার সাথে খড়ের পালার ভিতরে আপনার মিটার আছ। সেখান থেকে আমার চুরি যাওয়া মিটার নিতে বলে।

আমি এদিন দুপুরে আমার ছেলে রুহুল আমিনকে সাথে নিয়ে ওই খড়ের পালার ভিতর থেকে আমার চুরি যাওয়া মিটার পায়।

অপর দিকে মালঞ্চি ইউনিয়নের রাঘবপুর গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে অলির মাঠের মধ্যে থেকে একই কায়দায় গভীর নলকুপের মিটার চুরি হয়।

এঘটনায় ওই এলাকায় রাইচ মিল ও গভীর নলকুপের মিটার চুরির আতংক বিরাজ করছে।