বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ডাকাতের’ জামিন, নিরাপত্তার দাবিতে পাবনায় বিক্ষোভ

পাবনার সোনাপট্টিতে চুরি-ডাকাতি করতে এসে জনতার হাতে ধরা পড়া আসামির দুইদিনের মধ্যেই জামিন হওয়ায় নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কায় পড়েছেন পাবনার জুয়েলার্স মালিকরা। আসামির জামিন বাতিল ও নিরাপত্তার চেয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা।
মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) দুপুরে পাবনা শহরের সোনাপট্টিতে এই বিক্ষোভ করেন ব্যবসায়ীরা। এর আগে সকালে পাবনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলি-১ আদালত অভিযুক্ত আসামিদের জামিন দেন। এই খবরের পরই ব্যবসায়ীরা বিক্ষোভ বের করেন।
ব্যবসায়ীরা জানান, গত ২০ ডিসেম্বর সকালে পুর্ববিরোধকে কেন্দ্র করে পাবনার হেমায়েতপুরের শানিকদিয়ার এলাকার  মেহেদী হাসান ও তার লোকজন অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে সোনাপট্টির রজব আলী কমপ্লেক্সের ২য় তলায় রফিকুল ইসলাম পান্নার দোকান ভাংচুর করে ডাকাতির চেষ্টা করেন।
এসময় আশাপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে তারা পালাতে গিয়ে আব্দুল খালেক নামের একজন জনতার হাতে ধরা পড়ে। পরে তাকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।
পরেরদিন প্রধান অভিযুক্ত মেহেদী হাসানসহ কয়েকজন আবারও এসে সোনাপট্টিতে হুমকি-ধামকি দেয়ার চেষ্টা করলে স্থানীয় জনতা মেহেদীকেও গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে।
তারা আরও জানান, তাদের পুলিশে দেয়া হলে মামলা দায়েরের পর আদালতে প্রেরণ করে পুলিশ। কিন্তু মাত্র ২ দিনের মাথায় আদালত থেকে তারা জামিন পেয়েছে। জামিন পাওয়ার পরপরই তাদের লোকজন ব্যবসায়ীদের হুমকি-ধামকি দিচ্ছেন।
এতে আমরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। অতি দ্রুত তাদের জামিন বাতিল করে আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে। নইলে আমরা ব্যবসায়ীরা কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করবো।
এবিষয়ে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাজুস) পাবনা জেলা শাখার সভাপতি কুতুব উদ্দিন বলেন, ‘আমরা ডাকাতিকারে হাতনাতে ধরে পুলিশে দেয়ার পরও পুলিশ কি মামলা দিল যে দুইদিনের মাথায় জামিন হল আমরা তো অবশ্যই শঙ্কিত।
ডাকাতির করার একদিনের মধ্যেই যদি জামিন হয় তাহলে এখানে আইনের শাসন কোথায় হল। এখানে ব্যবসায়ীরা নিরাপত্তা কিভাবে পেল? এগুলো দেখে মানুষ ডাকাতি করতে আরও উৎসাহী হবে।’
এব্যাপারে পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস সালাম বলেন, ‘তাদের ব্যবসায়িক দ্বন্দ্বে ঘটনাটি ঘটেছিল। এ সাধারণ ঘটনা, জামিন তো দেবেই। এটা বড় কোনো তেমন ঘটনা নয়।
এটা স্বর্ণ ব্যবসার সাথে সম্পর্কিত নয়। এখানে নিরাপত্তা  নিয়ে কোনো ঘাটতি নেই। স্বর্ণ ব্যবসায়ীরাও আমাকে বলেনি, আমার নলেজেও নেই। নিরাপত্তা নিয়ে আমাকে বললে আমি ব্যবস্থা নিই।
জনপ্রিয়

ডাকাতের’ জামিন, নিরাপত্তার দাবিতে পাবনায় বিক্ষোভ

প্রকাশের সময়: ০৬:০৮:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৪
পাবনার সোনাপট্টিতে চুরি-ডাকাতি করতে এসে জনতার হাতে ধরা পড়া আসামির দুইদিনের মধ্যেই জামিন হওয়ায় নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কায় পড়েছেন পাবনার জুয়েলার্স মালিকরা। আসামির জামিন বাতিল ও নিরাপত্তার চেয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা।
মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) দুপুরে পাবনা শহরের সোনাপট্টিতে এই বিক্ষোভ করেন ব্যবসায়ীরা। এর আগে সকালে পাবনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলি-১ আদালত অভিযুক্ত আসামিদের জামিন দেন। এই খবরের পরই ব্যবসায়ীরা বিক্ষোভ বের করেন।
ব্যবসায়ীরা জানান, গত ২০ ডিসেম্বর সকালে পুর্ববিরোধকে কেন্দ্র করে পাবনার হেমায়েতপুরের শানিকদিয়ার এলাকার  মেহেদী হাসান ও তার লোকজন অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে সোনাপট্টির রজব আলী কমপ্লেক্সের ২য় তলায় রফিকুল ইসলাম পান্নার দোকান ভাংচুর করে ডাকাতির চেষ্টা করেন।
এসময় আশাপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে তারা পালাতে গিয়ে আব্দুল খালেক নামের একজন জনতার হাতে ধরা পড়ে। পরে তাকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।
পরেরদিন প্রধান অভিযুক্ত মেহেদী হাসানসহ কয়েকজন আবারও এসে সোনাপট্টিতে হুমকি-ধামকি দেয়ার চেষ্টা করলে স্থানীয় জনতা মেহেদীকেও গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে।
তারা আরও জানান, তাদের পুলিশে দেয়া হলে মামলা দায়েরের পর আদালতে প্রেরণ করে পুলিশ। কিন্তু মাত্র ২ দিনের মাথায় আদালত থেকে তারা জামিন পেয়েছে। জামিন পাওয়ার পরপরই তাদের লোকজন ব্যবসায়ীদের হুমকি-ধামকি দিচ্ছেন।
এতে আমরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। অতি দ্রুত তাদের জামিন বাতিল করে আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে। নইলে আমরা ব্যবসায়ীরা কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করবো।
এবিষয়ে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাজুস) পাবনা জেলা শাখার সভাপতি কুতুব উদ্দিন বলেন, ‘আমরা ডাকাতিকারে হাতনাতে ধরে পুলিশে দেয়ার পরও পুলিশ কি মামলা দিল যে দুইদিনের মাথায় জামিন হল আমরা তো অবশ্যই শঙ্কিত।
ডাকাতির করার একদিনের মধ্যেই যদি জামিন হয় তাহলে এখানে আইনের শাসন কোথায় হল। এখানে ব্যবসায়ীরা নিরাপত্তা কিভাবে পেল? এগুলো দেখে মানুষ ডাকাতি করতে আরও উৎসাহী হবে।’
এব্যাপারে পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস সালাম বলেন, ‘তাদের ব্যবসায়িক দ্বন্দ্বে ঘটনাটি ঘটেছিল। এ সাধারণ ঘটনা, জামিন তো দেবেই। এটা বড় কোনো তেমন ঘটনা নয়।
এটা স্বর্ণ ব্যবসার সাথে সম্পর্কিত নয়। এখানে নিরাপত্তা  নিয়ে কোনো ঘাটতি নেই। স্বর্ণ ব্যবসায়ীরাও আমাকে বলেনি, আমার নলেজেও নেই। নিরাপত্তা নিয়ে আমাকে বললে আমি ব্যবস্থা নিই।