বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রতিবন্ধী ব্যাক্তিদের মর্যাদা পূর্ণ জীবন প্রতিষ্ঠায় গাইবান্ধায়  অবহিতকরন কর্মশালা

সঞ্জয় সাহা: প্রতিবন্ধীদের উন্নয়নে আমরা সমাজের সবাই মিলে কাজ করব-জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ও গাইবান্ধা জেলা প্রশাসন এর আয়োজনে এবং ফ্রেন্ডশিপ সহায়তায় প্রতিবন্ধী ব্যাক্তিদের মর্যাদা পূর্ণ জীবন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ৩০ ডিসেম্বর ২০২৪ ইং তারিখ গাইবান্ধার মদনেরপাড়ার ফ্রেন্ডশিপ সেন্টার হলরুমে প্রতিবন্ধী ব্যাক্তির অধিকার ও সুরক্ষা আইন বিষয়ক অবহিতকরন কর্মশালায় সভাপতির বক্তব্যে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন পরিচালক ( যুগ্নসচিব) মো: আজমুল হক উপরোক্ত কথাগুলি বলেন। তিনি আরও বলেন- প্রতিবন্ধীদের ভাতা বাড়াতে হবে। কেননা বর্তমান বাজারে ৮৫০ টাকা ভাতা দিয়ে কিছুই হয়না। প্রতিবন্ধীদের জীবন প্রতিষ্ঠায় গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রাম চরগুলোতে যেতে স্পিডবোট চালু করার সিদ্ধান্ত রয়েছে। এছাড়াও পরিবহনে প্রতিবন্ধীদের জন্য আসন রাখার নির্দেশ দেন অন্যথায় পরিবহন এর লাইসেন্স ও নিবন্ধন বাতিল করা প্রয়োজন বলে মতামত ব্যাক্ত করেন।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন – গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক চৌধুরী মোয়াজ্জম আহমদ। প্রতিবন্ধীদের নিয়ে প্রজেক্টরে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করে স্বাগত বক্তব্য রাখেন – সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ঢাকার জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন- উপ-পরিচালক সেলিম হোসেন ও জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন আইন ২০১৩ বিষয়ে ভিডিও প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন- জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন সহকারী পরিচালক ডা: মো: রেজাউল কবির। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন – গাইবান্ধা সিভিল সার্জন ডা: কানিজ সাবিহা, জাতীয় মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর উপ-পরিচালক নার্গিস জাহান, গাইবান্ধা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদ আল হাসান, পলাশবাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: কামরুল হাসান, ফুলছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার জগৎবন্ধু মন্ডল, ফ্রেন্ডশিপ ঢাকার অন্তর্ভুক্ত নাগরিকত্ব উপ-মহাব্যবস্থাপক এবং প্রযুক্তিগত নেতৃত্ব নুশরাত জেরিন সহ অনেকে। প্রতিবন্ধী ব্যাক্তির অধিকার প্রতিষ্ঠা ও সুরক্ষা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে ২০১৩ সালে ৩৯ আইন প্রনীত হয়। এই আইন প্রতিবন্ধী ব্যাক্তির অধিকার ও সুরক্ষা আইন ২০১৩ নামে অভিহিত হয়।

ফ্রেন্ডশিপ ফিজিওথেরাপি সেন্টার গাইবান্ধার প্রজেক্ট ম্যানেজার লাকি ম্যারান্ডি প্রতিবন্ধী ব্যাক্তি ও ফ্রেন্ডশিপ গাইবান্ধার কার্যক্রম তুলে ধরে ভিডিও প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করে বলেন- প্রতিবন্ধী ব্যাক্তিদের মর্যাদা পূর্ণ জীবন প্রতিষ্ঠা করাই আমাদের মূল লক্ষ্য। এটি এককভাবে সম্ভবনা। আমরা সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহন এর মাধ্যমে প্রতিবন্ধী ব্যাক্তিদের মর্যাদা পূর্ণ জীবন প্রতিষ্ঠা করতে চাই৷ ২০২০ সালের জুলাই মাসে ফ্রেন্ডশিপ এর মূল কার্যক্রম শুরু হয়। তখন মহামারী করনা শুরু হয়। সে সময় আমরা খুব কষ্ট করে মাঠে কাজ করেছি গাইবান্ধার ৬ টি ও কুড়িগ্রাম এর ৯ টি চর সহ মোট ১৫ টি চরে ফ্রেন্ডশিপ কাজ শুরু করে স্বল্প পরিসরে। পরে ২০২৩ এর সেপ্টেম্বরে প্রতিবন্ধীদের অক্ষমতার উপর দ্বিতীয় দফায় কাজ শুরু করে। যার মেয়াদ ২০২৬ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত। আর এটি গাইবান্ধার সদর ও ফুলছড়ি ইউনিয়ন এর ৪ টি ইউনিয়ন এর ২০ টি চরে কাজ শুরু করে।এর মধ্যে ১২ টি চর গাইবান্ধার মূল ভূমির বাহিরে অর্থাৎ নদীর উপকূলে এবং কুড়িগ্রাম এর ১৬ টি চরের মধ্যে ১৫ টি বিচ্ছিন্ন, মুল ভূমির বাহিরে। আমরা জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন ও সমাজসেবা, জেলা প্রশাসন মাধ্যমে প্রতিবন্ধীদের সহায়তা প্রদানে সহযোগিতা করে থাকি। প্রতিবন্ধীর১৬ টি ধারা রয়েছে।

কর্মশালায় বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, ফ্রেন্ডশিপ গাইবান্ধার বিভিন্ন প্রজেক্ট ম্যানেজার ও সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিবন্ধী ব্যাক্তিদের মর্যাদা পূর্ণ জীবন প্রতিষ্ঠায় গাইবান্ধায়  অবহিতকরন কর্মশালা

প্রকাশের সময়: ০৭:২৮:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৪

সঞ্জয় সাহা: প্রতিবন্ধীদের উন্নয়নে আমরা সমাজের সবাই মিলে কাজ করব-জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ও গাইবান্ধা জেলা প্রশাসন এর আয়োজনে এবং ফ্রেন্ডশিপ সহায়তায় প্রতিবন্ধী ব্যাক্তিদের মর্যাদা পূর্ণ জীবন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ৩০ ডিসেম্বর ২০২৪ ইং তারিখ গাইবান্ধার মদনেরপাড়ার ফ্রেন্ডশিপ সেন্টার হলরুমে প্রতিবন্ধী ব্যাক্তির অধিকার ও সুরক্ষা আইন বিষয়ক অবহিতকরন কর্মশালায় সভাপতির বক্তব্যে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন পরিচালক ( যুগ্নসচিব) মো: আজমুল হক উপরোক্ত কথাগুলি বলেন। তিনি আরও বলেন- প্রতিবন্ধীদের ভাতা বাড়াতে হবে। কেননা বর্তমান বাজারে ৮৫০ টাকা ভাতা দিয়ে কিছুই হয়না। প্রতিবন্ধীদের জীবন প্রতিষ্ঠায় গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রাম চরগুলোতে যেতে স্পিডবোট চালু করার সিদ্ধান্ত রয়েছে। এছাড়াও পরিবহনে প্রতিবন্ধীদের জন্য আসন রাখার নির্দেশ দেন অন্যথায় পরিবহন এর লাইসেন্স ও নিবন্ধন বাতিল করা প্রয়োজন বলে মতামত ব্যাক্ত করেন।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন – গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক চৌধুরী মোয়াজ্জম আহমদ। প্রতিবন্ধীদের নিয়ে প্রজেক্টরে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করে স্বাগত বক্তব্য রাখেন – সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ঢাকার জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন- উপ-পরিচালক সেলিম হোসেন ও জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন আইন ২০১৩ বিষয়ে ভিডিও প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন- জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন সহকারী পরিচালক ডা: মো: রেজাউল কবির। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন – গাইবান্ধা সিভিল সার্জন ডা: কানিজ সাবিহা, জাতীয় মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর উপ-পরিচালক নার্গিস জাহান, গাইবান্ধা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদ আল হাসান, পলাশবাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: কামরুল হাসান, ফুলছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার জগৎবন্ধু মন্ডল, ফ্রেন্ডশিপ ঢাকার অন্তর্ভুক্ত নাগরিকত্ব উপ-মহাব্যবস্থাপক এবং প্রযুক্তিগত নেতৃত্ব নুশরাত জেরিন সহ অনেকে। প্রতিবন্ধী ব্যাক্তির অধিকার প্রতিষ্ঠা ও সুরক্ষা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে ২০১৩ সালে ৩৯ আইন প্রনীত হয়। এই আইন প্রতিবন্ধী ব্যাক্তির অধিকার ও সুরক্ষা আইন ২০১৩ নামে অভিহিত হয়।

ফ্রেন্ডশিপ ফিজিওথেরাপি সেন্টার গাইবান্ধার প্রজেক্ট ম্যানেজার লাকি ম্যারান্ডি প্রতিবন্ধী ব্যাক্তি ও ফ্রেন্ডশিপ গাইবান্ধার কার্যক্রম তুলে ধরে ভিডিও প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করে বলেন- প্রতিবন্ধী ব্যাক্তিদের মর্যাদা পূর্ণ জীবন প্রতিষ্ঠা করাই আমাদের মূল লক্ষ্য। এটি এককভাবে সম্ভবনা। আমরা সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহন এর মাধ্যমে প্রতিবন্ধী ব্যাক্তিদের মর্যাদা পূর্ণ জীবন প্রতিষ্ঠা করতে চাই৷ ২০২০ সালের জুলাই মাসে ফ্রেন্ডশিপ এর মূল কার্যক্রম শুরু হয়। তখন মহামারী করনা শুরু হয়। সে সময় আমরা খুব কষ্ট করে মাঠে কাজ করেছি গাইবান্ধার ৬ টি ও কুড়িগ্রাম এর ৯ টি চর সহ মোট ১৫ টি চরে ফ্রেন্ডশিপ কাজ শুরু করে স্বল্প পরিসরে। পরে ২০২৩ এর সেপ্টেম্বরে প্রতিবন্ধীদের অক্ষমতার উপর দ্বিতীয় দফায় কাজ শুরু করে। যার মেয়াদ ২০২৬ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত। আর এটি গাইবান্ধার সদর ও ফুলছড়ি ইউনিয়ন এর ৪ টি ইউনিয়ন এর ২০ টি চরে কাজ শুরু করে।এর মধ্যে ১২ টি চর গাইবান্ধার মূল ভূমির বাহিরে অর্থাৎ নদীর উপকূলে এবং কুড়িগ্রাম এর ১৬ টি চরের মধ্যে ১৫ টি বিচ্ছিন্ন, মুল ভূমির বাহিরে। আমরা জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন ও সমাজসেবা, জেলা প্রশাসন মাধ্যমে প্রতিবন্ধীদের সহায়তা প্রদানে সহযোগিতা করে থাকি। প্রতিবন্ধীর১৬ টি ধারা রয়েছে।

কর্মশালায় বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, ফ্রেন্ডশিপ গাইবান্ধার বিভিন্ন প্রজেক্ট ম্যানেজার ও সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।