বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সুন্দরগঞ্জের সরোবর পার্ক এন্ড রিসোর্টে পিঠা উৎসব

হারানো গ্রামীণ ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে পরিচয় করিয়ে দিতে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে ২ দিনব্যাপী পিঠা উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে।

শুক্রবার সকাল ১০ টার দিকে উপজেলার সরোবর পার্ক এন্ড রিসোর্টে এ পিঠা উৎসবের উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. নাজির হোসেন।

জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. সেলিম রেজা, সরোবর পার্কের স্বত্বাধিকারী আরেফিন আজিজ সরদার সিন্টু, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর মণ্ডল, জেলা জিয়া মঞ্চের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. মাহামুদুল হাসান মুসাসহ উপজেলার গণমাধ্যম কর্মী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

ইউএনও মো. নাজির হোসেন বলেন, ‘এই উৎসব গ্রামীণ ঐতিহ্যকে উদযাপন করার এক মহান উদ্যোগ। আমাদের সবার উচিত এসব ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের মাঝে প্রতিষ্ঠিত করা। আশা করি, এই পিঠা উৎসব শুধু আনন্দই নয়, আমাদের শেকড় ও সংস্কৃতির প্রতি নতুন এক ভালোবাসা জাগাবে।’

আয়োজক ও সরোবর পার্কের স্বত্বাধিকারী আরেফিন আজিজ সরদার সিন্টু বলেন, এই উৎসবের মূল উদ্দেশ্য হলো আমাদের হারানো গ্রামীণ ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা এবং তাদের মধ্যে সংস্কৃতির চর্চা বাড়ানো।

তিনি আরও বলেন, এই উৎসবের লক্ষ্য শুধু পিঠা প্রদর্শন নয়, বরং আমাদের হারানো ঐতিহ্যকে তুলে ধরা এবং আমাদের প্রজন্মকে গ্রামীণ সংস্কৃতির দিকে ফিরে তাকাতে উৎসাহিত করা। আশা করি, এই আয়োজন আগামী প্রজন্মের মধ্যে আরও গভীরভাবে ঐতিহ্যের প্রতি ভালোবাসা জাগাবে।’

মেলায় অংশ নেয়া স্বদেশ পিঠা ঘরের স্বত্বাধিকারী মো. রেজাউল আলম বলেন, এই উৎসব শুধু শীতের আমেজে আনন্দ খুঁজে পাওয়ার জন্য নয়, বরং আমাদের ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের মাঝে স্থায়ীভাবে প্রতিষ্ঠিত করার একটি প্রচেষ্টা।

তাদের আশা, ভবিষ্যতে এই ধরনের আয়োজন গ্রামীণ সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার সেতুবন্ধন আরও শক্তিশালী করবে।

পরে অতিথিগণ উৎসবের বিভিন্ন পিঠা স্টল পরিদর্শন শেষে নানা ধরনের গ্রামীণ পিঠার স্বাদ গ্রহণ করেন। পাটিসাপটা, চিতই পিঠা, ভাপা পিঠা, দুধ পিঠা—এসব স্বাদের পিঠায় ভরপুর উৎসবস্থল। সব মিলিয়ে এক অভূতপূর্ব গ্রামীণ পরিবেশে দর্শকরা যেন ফিরে পেলেন তাদের হারানো দিনগুলো।

তথ্যে জানা যায়, উৎসবটি শুধু পিঠাপ্রেমীদের জন্য নয়, বরং একটি সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতাও। সন্ধ্যায় গ্রামীণ সঙ্গীত, নাচ, এবং বিভিন্ন শিল্পকলা পরিবেশনা করবে স্থানীয় ও বহিরাগত শিল্পীরা।

জনপ্রিয়

সুন্দরগঞ্জের সরোবর পার্ক এন্ড রিসোর্টে পিঠা উৎসব

প্রকাশের সময়: ০৬:৫৫:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৫

হারানো গ্রামীণ ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে পরিচয় করিয়ে দিতে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে ২ দিনব্যাপী পিঠা উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে।

শুক্রবার সকাল ১০ টার দিকে উপজেলার সরোবর পার্ক এন্ড রিসোর্টে এ পিঠা উৎসবের উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. নাজির হোসেন।

জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. সেলিম রেজা, সরোবর পার্কের স্বত্বাধিকারী আরেফিন আজিজ সরদার সিন্টু, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর মণ্ডল, জেলা জিয়া মঞ্চের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. মাহামুদুল হাসান মুসাসহ উপজেলার গণমাধ্যম কর্মী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

ইউএনও মো. নাজির হোসেন বলেন, ‘এই উৎসব গ্রামীণ ঐতিহ্যকে উদযাপন করার এক মহান উদ্যোগ। আমাদের সবার উচিত এসব ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের মাঝে প্রতিষ্ঠিত করা। আশা করি, এই পিঠা উৎসব শুধু আনন্দই নয়, আমাদের শেকড় ও সংস্কৃতির প্রতি নতুন এক ভালোবাসা জাগাবে।’

আয়োজক ও সরোবর পার্কের স্বত্বাধিকারী আরেফিন আজিজ সরদার সিন্টু বলেন, এই উৎসবের মূল উদ্দেশ্য হলো আমাদের হারানো গ্রামীণ ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা এবং তাদের মধ্যে সংস্কৃতির চর্চা বাড়ানো।

তিনি আরও বলেন, এই উৎসবের লক্ষ্য শুধু পিঠা প্রদর্শন নয়, বরং আমাদের হারানো ঐতিহ্যকে তুলে ধরা এবং আমাদের প্রজন্মকে গ্রামীণ সংস্কৃতির দিকে ফিরে তাকাতে উৎসাহিত করা। আশা করি, এই আয়োজন আগামী প্রজন্মের মধ্যে আরও গভীরভাবে ঐতিহ্যের প্রতি ভালোবাসা জাগাবে।’

মেলায় অংশ নেয়া স্বদেশ পিঠা ঘরের স্বত্বাধিকারী মো. রেজাউল আলম বলেন, এই উৎসব শুধু শীতের আমেজে আনন্দ খুঁজে পাওয়ার জন্য নয়, বরং আমাদের ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের মাঝে স্থায়ীভাবে প্রতিষ্ঠিত করার একটি প্রচেষ্টা।

তাদের আশা, ভবিষ্যতে এই ধরনের আয়োজন গ্রামীণ সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার সেতুবন্ধন আরও শক্তিশালী করবে।

পরে অতিথিগণ উৎসবের বিভিন্ন পিঠা স্টল পরিদর্শন শেষে নানা ধরনের গ্রামীণ পিঠার স্বাদ গ্রহণ করেন। পাটিসাপটা, চিতই পিঠা, ভাপা পিঠা, দুধ পিঠা—এসব স্বাদের পিঠায় ভরপুর উৎসবস্থল। সব মিলিয়ে এক অভূতপূর্ব গ্রামীণ পরিবেশে দর্শকরা যেন ফিরে পেলেন তাদের হারানো দিনগুলো।

তথ্যে জানা যায়, উৎসবটি শুধু পিঠাপ্রেমীদের জন্য নয়, বরং একটি সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতাও। সন্ধ্যায় গ্রামীণ সঙ্গীত, নাচ, এবং বিভিন্ন শিল্পকলা পরিবেশনা করবে স্থানীয় ও বহিরাগত শিল্পীরা।