শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পারিবারিক কলহে গৃহবধূর আত্মহত্যা

দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় পারিবারিক কলহের জের ধরে লাবনী আক্তার নামে এক গৃহবধূর গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছে।

এ আত্মহত্যার ঘটনাটি সোমবার সকালে উপজেলার গোয়ালডিহি ইউনিয়নের দুবলিয়া গ্রামের দোলাপাড়ায় ঘটেছে। নিহত লাবনী আক্তার (২০) উপজেলার গোয়ালডিহি ইউনিয়নের দুবলিয়া গ্রামের দোলাপাড়ার ছাইদুল ইসলামের স্ত্রী এবং নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর উপজেলার বোতলাগাড়ী ইউনিয়নের মো. মোস্তাকিমের মেয়ে।

নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পরকীয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে মনোমালিন্য ও পারিবারিক কলহ চলে আসছিল। এ নিয়ে একাধিকবার স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ ও পারিবারিকভাবে তাদের মধ্যে আপোষ-মীমাংসা করার চেষ্টা করা হয়। সম্প্রতি লাবনী আক্তার ২০দিন ধরে স্বামীর বাড়ি থেকে নিখোঁজ ছিলেন। পরে খোঁজ পেয়ে নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার বোতলাগাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের মধ্যস্থতায় গত ১৩ জুলাই স্বামী ছাইদুল ইসলাম তাঁকে তার বাড়িতে নিয়ে আসেন। পরদিন গতকাল ১৪ জুলাই সোমবার সকালে স্বামী ছাইদুল ইসলাম দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলার ফতেজংপুর ইউনিয়নে ট্রিলিয়ন গোল্ড লি. ইপিজেডে কর্মস্থলে চলে যান। এ সুযোগে লাবনী আক্তার তার নিজ শয়নকক্ষে পড়নের ওড়না গলায় পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন। পরে তার শ্বাশুড়ি ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে ঘরে ঢুকে তাঁকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। এসময় তাঁর চিৎকারে পাড়া-প্রতিবেশিরা ছুটে আসেন এবং লাবনীকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান।

খানসামা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নজমূল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলেই মনে হচ্ছে। তবে প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চলছে।

পারিবারিক কলহে গৃহবধূর আত্মহত্যা

প্রকাশের সময়: ০৫:৪৫:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ জুলাই ২০২৫

দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় পারিবারিক কলহের জের ধরে লাবনী আক্তার নামে এক গৃহবধূর গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছে।

এ আত্মহত্যার ঘটনাটি সোমবার সকালে উপজেলার গোয়ালডিহি ইউনিয়নের দুবলিয়া গ্রামের দোলাপাড়ায় ঘটেছে। নিহত লাবনী আক্তার (২০) উপজেলার গোয়ালডিহি ইউনিয়নের দুবলিয়া গ্রামের দোলাপাড়ার ছাইদুল ইসলামের স্ত্রী এবং নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর উপজেলার বোতলাগাড়ী ইউনিয়নের মো. মোস্তাকিমের মেয়ে।

নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পরকীয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে মনোমালিন্য ও পারিবারিক কলহ চলে আসছিল। এ নিয়ে একাধিকবার স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ ও পারিবারিকভাবে তাদের মধ্যে আপোষ-মীমাংসা করার চেষ্টা করা হয়। সম্প্রতি লাবনী আক্তার ২০দিন ধরে স্বামীর বাড়ি থেকে নিখোঁজ ছিলেন। পরে খোঁজ পেয়ে নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার বোতলাগাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের মধ্যস্থতায় গত ১৩ জুলাই স্বামী ছাইদুল ইসলাম তাঁকে তার বাড়িতে নিয়ে আসেন। পরদিন গতকাল ১৪ জুলাই সোমবার সকালে স্বামী ছাইদুল ইসলাম দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলার ফতেজংপুর ইউনিয়নে ট্রিলিয়ন গোল্ড লি. ইপিজেডে কর্মস্থলে চলে যান। এ সুযোগে লাবনী আক্তার তার নিজ শয়নকক্ষে পড়নের ওড়না গলায় পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন। পরে তার শ্বাশুড়ি ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে ঘরে ঢুকে তাঁকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। এসময় তাঁর চিৎকারে পাড়া-প্রতিবেশিরা ছুটে আসেন এবং লাবনীকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান।

খানসামা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নজমূল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলেই মনে হচ্ছে। তবে প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চলছে।