শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শিক্ষার্থীদের কাছে প্রকৃতির বার্তা পৌঁছে দিলো সবুজায়ন প্রকল্প

আগামী প্রজন্মের কাছে প্রকৃতিকে ভালোবাসার বার্তা পৌঁছে দিয়েছে সৃজনশীল গাইবান্ধার সবুজায়ন প্রকল্প। এসময় শিশু শিক্ষার্থীদের হাতে দেওয়া হয় ১০ প্রজাতির মোট ৫০০টি গাছের চারা।

সোমবার (২৫ আগস্ট) সকালে নিউটন প্রিপারেটরী স্কুল প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হলো এক ভিন্নধর্মী সবুজায়ন আয়োজন। “সবুজ পৃথিবী, প্লাস্টিকমুক্ত ভবিষ্যৎ” স্লোগানে শিশুদের মাঝে বিতরণ করা হয়।

গাছ বিতরণ শেষে স্কুল প্রাঙ্গণে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক এবং সৃজনশীল গাইবান্ধার সদস্যদের অংশগ্রহণে বেশ কয়েকটি চারা রোপণ করা হয়। এ আয়োজনকে প্রাণবন্ত করে তোলে সবার সম্মিলিত অংশগ্রহণ। সবুজায়ন প্রকল্প কার্যক্রমে সহযোগিতা করেন সু-প্যালেস।

চারাগুলো হলো- নিম, কৃষ্ণচূড়া, সজনে, আম, লেবু, পেয়ারা, লিচু, আমলকি, অর্জুন ও আমড়া। এ উদ্যোগ সৃজনশীল গাইবান্ধার সবুজায়ন প্রকল্প সিজন-৮ এর দ্বিতীয় ধাপের অংশ। গাছের চারাগুলো শুধুমাত্র শিশুদের হাতে তুলে দেওয়াই নয়, বরং আগামী প্রজন্মের কাছে প্রকৃতিকে ভালোবাসার বার্তা পৌঁছে দেওয়াই ছিল মূল উদ্দেশ্য।

চারা হাতে নিয়ে ছোট্ট মুহিত হাসান উচ্ছ্বসিত কণ্ঠে বলে, আমি গাছটি পেয়ে অনেক খুশি। বাসায় গিয়ে আমি গাছটি লাগাবো, যত্ন নেবো।

ফাবিয়া আনজুম বলে, গাছ থেকে আমরা ফল পাই। আজ যে গাছগুলো আমাদের হাতে এসেছে, সেগুলো অনেক উপকারী। আমাদের গাছের যত্ন নিতে হবে।

আব্দুর রহমান আনন্দ জানান, সৃজনশীল গাইবান্ধাকে ধন্যবাদ। আমাদের এতগুলো গাছ উপহার দিয়েছে, আমরা অনেক খুশি হয়েছি আমরা বেশি বেশি করে গাছ লাগাবো। গাছের আমাদের বন্ধু।

নিউটন প্রিপারেটরী স্কুলের অধ্যক্ষ সুকমল চন্দ্র সরকার বলেন, শিক্ষার্থীদের হাতে গাছের চারা তুলে দেওয়া মানে তাদের হাতে ভবিষ্যতের আশা তুলে দেওয়া। আজকের এই শিশুরাই আগামী দিনের প্রকৃতি রক্ষক। সৃজনশীল গাইবান্ধার এই উদ্যোগকে আমি অভিনন্দন জানাই। আমাদের স্কুলের প্রতিটি শিশু যদি একটি করে গাছ লালন করে, তবে একদিন এ গাছগুলো আমাদের পরিবেশকে শীতল ছায়া দেবে, ফল দেবে, অক্সিজেন দেবে।

সৃজনশীল গাইবান্ধার প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি মো. মেহেদী হাসান বলেন,  আমরা বিশ্বাস করি, গাছ শুধু প্রকৃতির সৌন্দর্য নয়, এটি মানুষের জীবনরক্ষার হাতিয়ার। তাই আমাদের সবুজায়ন প্রকল্পের প্রতিটি গাছই আগামী দিনের জন্য একেকটি স্বপ্ন। শিশুদের হাতে আমরা গাছ দিচ্ছি, যেন তারা শৈশব থেকেই প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসা ও দায়িত্ববোধ শেখে। সবার সহযোগিতায় আমরা একটি সবুজ, নির্মল ও প্লাস্টিকমুক্ত গাইবান্ধা গড়ে তুলতে চাই।

জনপ্রিয়

শিক্ষার্থীদের কাছে প্রকৃতির বার্তা পৌঁছে দিলো সবুজায়ন প্রকল্প

প্রকাশের সময়: ০৬:০৮:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৫

আগামী প্রজন্মের কাছে প্রকৃতিকে ভালোবাসার বার্তা পৌঁছে দিয়েছে সৃজনশীল গাইবান্ধার সবুজায়ন প্রকল্প। এসময় শিশু শিক্ষার্থীদের হাতে দেওয়া হয় ১০ প্রজাতির মোট ৫০০টি গাছের চারা।

সোমবার (২৫ আগস্ট) সকালে নিউটন প্রিপারেটরী স্কুল প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হলো এক ভিন্নধর্মী সবুজায়ন আয়োজন। “সবুজ পৃথিবী, প্লাস্টিকমুক্ত ভবিষ্যৎ” স্লোগানে শিশুদের মাঝে বিতরণ করা হয়।

গাছ বিতরণ শেষে স্কুল প্রাঙ্গণে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক এবং সৃজনশীল গাইবান্ধার সদস্যদের অংশগ্রহণে বেশ কয়েকটি চারা রোপণ করা হয়। এ আয়োজনকে প্রাণবন্ত করে তোলে সবার সম্মিলিত অংশগ্রহণ। সবুজায়ন প্রকল্প কার্যক্রমে সহযোগিতা করেন সু-প্যালেস।

চারাগুলো হলো- নিম, কৃষ্ণচূড়া, সজনে, আম, লেবু, পেয়ারা, লিচু, আমলকি, অর্জুন ও আমড়া। এ উদ্যোগ সৃজনশীল গাইবান্ধার সবুজায়ন প্রকল্প সিজন-৮ এর দ্বিতীয় ধাপের অংশ। গাছের চারাগুলো শুধুমাত্র শিশুদের হাতে তুলে দেওয়াই নয়, বরং আগামী প্রজন্মের কাছে প্রকৃতিকে ভালোবাসার বার্তা পৌঁছে দেওয়াই ছিল মূল উদ্দেশ্য।

চারা হাতে নিয়ে ছোট্ট মুহিত হাসান উচ্ছ্বসিত কণ্ঠে বলে, আমি গাছটি পেয়ে অনেক খুশি। বাসায় গিয়ে আমি গাছটি লাগাবো, যত্ন নেবো।

ফাবিয়া আনজুম বলে, গাছ থেকে আমরা ফল পাই। আজ যে গাছগুলো আমাদের হাতে এসেছে, সেগুলো অনেক উপকারী। আমাদের গাছের যত্ন নিতে হবে।

আব্দুর রহমান আনন্দ জানান, সৃজনশীল গাইবান্ধাকে ধন্যবাদ। আমাদের এতগুলো গাছ উপহার দিয়েছে, আমরা অনেক খুশি হয়েছি আমরা বেশি বেশি করে গাছ লাগাবো। গাছের আমাদের বন্ধু।

নিউটন প্রিপারেটরী স্কুলের অধ্যক্ষ সুকমল চন্দ্র সরকার বলেন, শিক্ষার্থীদের হাতে গাছের চারা তুলে দেওয়া মানে তাদের হাতে ভবিষ্যতের আশা তুলে দেওয়া। আজকের এই শিশুরাই আগামী দিনের প্রকৃতি রক্ষক। সৃজনশীল গাইবান্ধার এই উদ্যোগকে আমি অভিনন্দন জানাই। আমাদের স্কুলের প্রতিটি শিশু যদি একটি করে গাছ লালন করে, তবে একদিন এ গাছগুলো আমাদের পরিবেশকে শীতল ছায়া দেবে, ফল দেবে, অক্সিজেন দেবে।

সৃজনশীল গাইবান্ধার প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি মো. মেহেদী হাসান বলেন,  আমরা বিশ্বাস করি, গাছ শুধু প্রকৃতির সৌন্দর্য নয়, এটি মানুষের জীবনরক্ষার হাতিয়ার। তাই আমাদের সবুজায়ন প্রকল্পের প্রতিটি গাছই আগামী দিনের জন্য একেকটি স্বপ্ন। শিশুদের হাতে আমরা গাছ দিচ্ছি, যেন তারা শৈশব থেকেই প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসা ও দায়িত্ববোধ শেখে। সবার সহযোগিতায় আমরা একটি সবুজ, নির্মল ও প্লাস্টিকমুক্ত গাইবান্ধা গড়ে তুলতে চাই।