গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় মমতাজ বেগম (৭০) নামের এক বৃদ্ধাকে হত্যার অভিযোগ ওঠেছে। এ ঘটনার মামলায় নিহতের তিন ছেলে ও এক পূত্রবধূসহ পাঁচ আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
সোমবার (৮ আগস্ট) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন সাদুল্লাপুর থানার ওসি তাজউদ্দিন খন্দকার।
এর আগে রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) এই মামলাটির বাদী হয়েছেন নিহত মমতাজ বেগমের মেয়ে নুরিনা বেগম (৩৮)।
মামলার এজাহার সুত্রে জানা যায়, সাদুল্লাপুর উপজেলার ধাপেরহাট ইউনিয়নের হাসানপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল মজিদ চৌধুরী বাদশার স্ত্রী মমতাজ বেগম তার ছেলে নুরে আলমের বাড়িতে বসবাস করে আসছিলেন। এরই মধ্যে মততাজ বেগমের ২৩ শতক জমি ছেলে আব্দুর গফুর মিয়া লিখে চান। এ বিষয়টি নুরে আলম ও তার স্ত্রী সুমি বেগম জানতে পেরে মমতাজ বেগমের প্রতি মনক্ষুন্ন হয়ে পড়েন। এরই জেরে আসামি অর্থাৎ মমতাজ বেগমের ছেলে আব্দল গফুর (৫০), নুরে আলম (৪০), রুহুল আমিন ওরফে সজীব (২৮) ও নুরে আলমের স্ত্রী সুমি বেগম (৩৫) এবং মৃত আজাহার আলীর ছেলে মুকুল মিয়ারা (৪৯) পরিকল্পিতভাবে মমতাজকে হত্যা করে হাসানপাড়ার মাসুদ রানার বাঁশঝাড়ে তার মৃতদেহ ফেলে রাখেন। এরপর শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) খবর পেয়ে ওইস্থান থেকে মমতাজের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এর আগে শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) নিখোঁজ ছিলেন মমতাজ বেগম।
এ তথ্য নিশ্চিত করে নিহত মমতাজ বেগমের মেয়ে নুরিনা বেগম বলেন, জমি সংক্রান্ত জেরে ওই আসামিরা যোগসাজস করে আমার মাকে হত্যা করেছে। এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।
এ বিষয়ে সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাজউদ্দিন খন্দকার বলেন, মমতাজ বেগম নামের বৃদ্ধাকে হত্যার অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেছে তার মেয়ে নুরিনা বেগম। এ মামলার পাঁচ আসামির সবাইকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট 



















