বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সুন্দরগঞ্জে বাড়িতে মিলল ৪৭ বস্তা সার, জব্দসহ জরিমানা

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে বাড়িতে মজুদ রাখা ৪৭ বস্তা সার জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন। এ ঘটনায় সুজন মিয়া নামে এক ব্যক্তিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) উপজেলার চণ্ডীপুর ইউনিয়নের উজান বোচাগাড়ী এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযানটি পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আহরাব আল আকাশ। এ সময় উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা এস এম আসিফ হাসান উপস্থিত ছিলেন।

অভিযানে সুজন মিয়ার বাড়িতে মজুত করে রাখা ৪৭ বস্তা সার পাওয়া যায়। তিনি ওই এলাকার শামছুল হকের ছেলে। পরে এসব সার জব্দ করা হয়। একই সঙ্গে সার মজুতের বৈধতা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই করা হয়। এ ঘটনায় সুজন মিয়াকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জব্দ করা সার নির্ধারিত মূল্যে কৃষকদের কাছে বিক্রি করা হয়েছে। বিক্রয়লব্ধ অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আহরাব আল আকাশ বলেন, কৃষকদের জন্য বরাদ্দ করা সার অবৈধভাবে মজুত, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি বা বেশি দামে বিক্রির চেষ্টা করা হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কৃষকদের স্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সুন্দরগঞ্জে বাড়িতে মিলল ৪৭ বস্তা সার, জব্দসহ জরিমানা

প্রকাশের সময়: ০৫:০৫:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে বাড়িতে মজুদ রাখা ৪৭ বস্তা সার জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন। এ ঘটনায় সুজন মিয়া নামে এক ব্যক্তিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) উপজেলার চণ্ডীপুর ইউনিয়নের উজান বোচাগাড়ী এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযানটি পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আহরাব আল আকাশ। এ সময় উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা এস এম আসিফ হাসান উপস্থিত ছিলেন।

অভিযানে সুজন মিয়ার বাড়িতে মজুত করে রাখা ৪৭ বস্তা সার পাওয়া যায়। তিনি ওই এলাকার শামছুল হকের ছেলে। পরে এসব সার জব্দ করা হয়। একই সঙ্গে সার মজুতের বৈধতা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই করা হয়। এ ঘটনায় সুজন মিয়াকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জব্দ করা সার নির্ধারিত মূল্যে কৃষকদের কাছে বিক্রি করা হয়েছে। বিক্রয়লব্ধ অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আহরাব আল আকাশ বলেন, কৃষকদের জন্য বরাদ্দ করা সার অবৈধভাবে মজুত, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি বা বেশি দামে বিক্রির চেষ্টা করা হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কৃষকদের স্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।